Coming Up Mon 6:00 PM  AEST
Coming Up Live in 
Live
Bangla radio

কোভিড-১৯ সম্পর্কে আপনাকে যা অবশ্যই জানতে হবে

A medical practitioner prepares to administer a test on a member of the public at a drive through testing clinic in Melbourne. Source: Getty Images

আপনার ভাষায় কোভিড-১৯ এর প্রাদূর্ভাব নিয়ে নির্ভরযোগ্য রিপোর্টিং করার জন্য এসবিএস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ফ্যাক্ট শিটটিতে রয়েছে কমিউনিটির সবার জন্য অবশ্যই যা জানা প্রয়োজন এ রকম তথ্যাবলী।

ঘরে থাকুন। নিরাপদ থাকুন। সংযুক্ত থাকুন। জীবন বাঁচান।


বিভিন্ন রাজ্যে এসবিএস-এর কোভিড-১৯ সম্পর্কিত তথ্যের জন্য দেখুন এখানে

আর্থিক অসুবিধা

আপনি যদি আর্থিক অসুবিধা অনুভব করেন তাহলে www.moneysmart.gov.au দেখুন কিংবা ন্যাশনাল ডেট হেল্পলাইনে 1800 007 007 নম্বরে কল করুন।

জবসিকার এবং জবকিপার পেমেন্ট

জবকিপার পেমেন্ট ২০২১ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত প্রদান করা হবে এবং জবসিকার পেমেন্ট প্রদান করা হবে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত। আগামী মাসগুলোতে সরকার ২০২১ সালের জন্য জবসিকার পরিকল্পনা ঘোষণা করবে।

তবে, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অর্থের পরিমাণ কমানো হবে।

জবসিকার

  • এখন: ১,১১৫ ডলার
  • সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে: ৮১৫ ডলার

এছাড়া, সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে, আপনার জবসিকার পেমেন্টকে প্রভাবিত না করে আপনি পাক্ষিক ৩০০ ডলার পর্যন্ত উপার্জন করতে পারবেন। এর আগে এই সীমা ছিল ১০৬ ডলার।

৪ আগস্ট থেকে, যারা আন-এমপ্লয়মেন্ট বেনিফিট পাচ্ছেন তাদেরকে এই বেনিফিট পাওয়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য অবশ্যই এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসের সঙ্গে সংযুক্ত হতে হবে এবং মাসে চারটি কাজের অনুসন্ধান করতে হবে।

জবকিপার

এটিকে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। পূর্ণকালীন কর্মীদের জন্য একটি এবং অপরটি খণ্ডকালীনদের জন্য।

পূর্ণকালীন কর্মীদের জন্য পাক্ষিক পেমেন্ট:

  • এখন: ১,৫০০ ডলার
  • সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে: ১,২০০ ডলার
  • জানুয়ারি ২০২১ থেকে: ১,০০০ ডলার

খণ্ডকালীন কর্মীদের জন্য পাক্ষিক পেমেন্ট:

  • এখন: ১,৫০০ ডলার
  • সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে: ৭৫০ ডলার
  • জানুয়ারি ২০২১ থেকে: ৬৫০ ডলার

কোভিড-১৯ কীভাবে ছড়ায়?

কোভিড-১৯ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মাঝে নানাভাবে ছড়ায়:

  • আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ট সংস্পর্শে কিংবা আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ প্রকাশিত হওয়ার ২৪ ঘণ্টা আগে কোভিড-১৯ বহনকারী ব্যক্তির ঘনিষ্ট সংস্পর্শে।
  • সুনিশ্চিতভাবে আক্রান্ত ব্যক্তি, যিনি হাঁচি এবং কাশি দিচ্ছেন, সে রকম ব্যক্তির ঘনিষ্ট সংস্পর্শে এলে।
  • সুনিশ্চিতভাবে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশি দ্বারা দূষিত কোনো বস্তু বা আসবাবের উপরিভাগ (সারফেস) স্পর্শ করলে (যেমন, দরজার হাতল কিংবা টেবিল) এবং এর পরে মুখে বা চেহারায় স্পর্শ করলে।

কোভিডসেফ অ্যাপটি ডাউনলোড করতে অস্ট্রেলিয়ান সরকার সকল অধিবাসীর প্রতি পরামর্শ দিচ্ছে। আরও দেখুন

কোভিড-১৯ এর লক্ষণ ও উপসর্গগুলো কী কী?

কোভিড-১৯ এর লক্ষণ অনেকটা সর্দি-কাশি ও ইনফ্লুয়েঞ্জার (ফ্লু) মতোই। যেমন,

  • জ্বর
  • শ্বাসতন্ত্র-সম্পর্কিত বিভিন্ন লক্ষণ
  • কাশি
  • গলায় প্রদাহ
  • ঘন ঘন শ্বাস টানা
  • অন্যান্য লক্ষণগুলোর অন্তর্ভুক্ত করা যায়, নাক দিয়ে পানি পড়া, মাথা ব্যথা, মাংসপেশী এবং অস্থি-সন্ধিতে ব্যথা, বমির ভাব, ডায়রিয়া, বমি, ঘ্রাণ-শক্তি হারানো, বিকৃত স্বাদ অনুভব করা, ক্ষুধামন্দা এবং ক্লান্তি অনুভব করা।

কোভিড-১৯ এর উপসর্গ পরীক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষ একটি COVID19 Symptom Checker তৈরি করেছে। আপনি এটি অনলাইনে, বাড়িতে থেকেই ব্যবহার করতে পারবেন:

https://www.healthdirect.gov.au/symptom-checker/tool/basic-details

এসব লক্ষণ দেখা গেলে আমি কী করবো?

অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর ১৪ দিনের মধ্যে কিংবা কোভিড-১৯ এ সুনিশ্চিতভাবে আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে আসার পর ১৪ দিনের মধ্যে এসব লক্ষণ দেখা দিলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আপনার ডাক্তারকে কল করুন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য কিংবা ন্যাশনাল করোনাভাইরাস হেলথ ইনফর্মেশন হটলাইনে 1800 020 080 নম্বরে যোগাযোগ করুন। আপনার মাঝে এসব লক্ষণ রয়েছে- এ বিষয়টি আগেভাগে না জানিয়ে কোনো হেলথ ক্লিনিক কিংবা হাসপাতালে যাবেন না।

হেলথ ক্লিনিক কিংবা হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে তাদেরকে টেলিফোন করুন এবং আপনার ভ্রমণ-বৃত্তান্ত বলুন কিংবা আপনি যদি কোভিড-১৯ এ সুনিশ্চিতভাবে আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে এসে থাকেন, সেটা বলুন। আপনার বাড়িতে, হোটেলে কিংবা হেলথ কেয়ারে আপনাকে অবশ্যই আইসোলেটেড বা জন-বিচ্ছিন্ন থাকতে হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত না পাবলিক হেলথ অথরিটিজ এটা নিশ্চিত করে যে, আপনার দৈনন্দিন কাজ-কর্মে ফিরে যাওয়াটা এখন নিরাপদ।

আপনি যদি আপনার উপসর্গগুলো নিয়ে কারও সঙ্গে কথা বলতে চান তাহলে ন্যাশনাল করোনাভাইরাস হেল্পলাইনে পরামর্শের জন্য কল করুন। এই লাইনটি সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। এর নম্বর হলো: 1800 020 080

কোভিড-১৯ এর হাল্কা ও মাঝারি ধরনের উপসর্গযুক্ত (জ্বর, কাশি, শ্বাস-ক্ষ্ট, গলায় প্রদাহ এবং/কিংবা অবসাদ) মানুষের ক্লিনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট করার জন্য দেশ জুড়ে জিপি রেসপিরেটোরি ক্লিনিক স্থাপন করছে সরকার।

আপনার রাজ্যে এবং আপনার এলাকার কাছাকাছি এই ক্লিনিক আছে কিনা এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য কীভাবে নিবন্ধন করতে হবে তা জানতে এখানে দেখুন।

আপনার এলাকায় যদি এখন পর্যন্ত কোনো জিপি রেসপিরেটোরি ক্লিনিক না থাকে, তাহলে ফিভার ক্লিনিক ও বিদ্যমান অন্যান্য সেবা সম্পর্কিত আরও তথ্যের জন্য হেলথ ডাইরেক্ট কিংবা আপনার রাজ্যের হেলথ ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট দেখুন।

আপনার যদি শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণে কষ্ট হয় কিংবা আপনি যদি কোনো মেডিকেল ইমার্জেন্সি অনুভব করেন, সেক্ষেত্রে 000 নম্বরে কল করুন।

আমার কি কোভিড-১৯ পরীক্ষা করার দরকার আছে?

অস্ট্রেলিয়া জুড়ে পজিটিভ কেসগুলো দ্রুত শনাক্ত করার উদ্দেশ্যে কোভিড-১৯ এর হাল্কা উপসর্গযুক্ত সকল ব্যক্তির জন্য পরীক্ষণের মানদণ্ড বিস্তৃত করতে সম্মত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল কেবিনেট।

এই ভাইরাসটির চিকিসা কীভাবে করা হচ্ছে?

করোনাভাইরাসের কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে, এর বেশির ভাগ উপসর্গের চিকিৎসা করা হয় সহায়ক মেডিকেল কেয়ার প্রদানের মাধ্যমে। ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিকস কোনো কাজে আসে না।

কাদের গুরুতর অসুস্থ্য হওয়ার বেশি ঝুঁকি রয়েছে?

সংক্রমিত হওয়া কোনো কোনো ব্যক্তি হয়তো আদৌ অসুস্থ্য হন না, কারও কারও মাঝে মৃদু লক্ষণ দেখা দেয়, যা থেকে তারা সহজেই আরোগ্য লাভ করেন। আর, অন্যরা অতি দ্রুত অত্যন্ত অসুস্থ্য হতে পারেন। অন্যান্য করোনাভাইরাসের পূর্ব-অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, গুরুতর সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে:

  • ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সী অ্যাবোরিজিনাল এবং টরেস স্ট্রেইট আইল্যান্ডার ব্যক্তিদের যাদের এক বা একাধিক ক্রনিক মেডিকেল কন্ডিশন্স (দীর্ঘমেয়াদী রোগ) আছে।
  • ৬৫ বছর বা তারও বেশি বয়সী ব্যক্তিদের যাদের দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা রয়েছে। ‘ক্রনিক মেডিকেল কন্ডিশন্স’-এর সংজ্ঞায় আরও পরিবর্তন আনা হবে আরও প্রমাণাদি হাতে আসার পর।
  • ৭০ বছর বা তারও বেশি বয়সী ব্যক্তিরা।
  • যে-সব লোকের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউন সিস্টেম) দুর্বল।

কোভিড-১৯ ছড়ানো প্রতিহত করতে আপনি কী করতে পারেন?

আপনি যদি অসুস্থ হন তাহলে হাত পরিষ্কার রাখুন, হাঁচি-কাশির ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন এবং অন্যদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখুন। বেশিরভাগ ভাইরাসের ক্ষেত্রে এগুলো সর্বোত্তম সুরক্ষা ব্যবস্থা। আপনার উচিত:

  • প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে যাবেন না।
  • কমপক্ষে ১.৫ মিটার সোশাল ডিস্টেন্স (সামাজিক দূরত্ব/জন-দূরত্ব) বজায় রাখুন এবং প্রতি চার বর্গমিটার স্থানে এক জন অবস্থানের নিয়ম মেনে চলুন।
  • খাবার খাওয়ার আগে ও পরে এবং টয়লেটে যাওয়ার পর সাবান-পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত ধোওয়া।
  • হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময়ে মুখ ঢাকুন। টিস্যুর পরিবর্তে অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি অসুস্থ্য হন, অন্যদের সংস্পর্শে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। (মানুষের কাছ থেকে অন্তত ১.৫ মিটার দূরে থাকুন)।
  • যতোটা সম্ভব ঘরেই থাকুন এবং নিজের দায়িত্ব পালন করুন।

সেল্ফ-আইসোলেশন (জন-বিচ্ছিন্ন হওয়া) কার জন্য বাধ্যতামূলক?

ক. ১৫ মার্চ ২০২০ মধ্য রাতের পর থেকে যারা অস্ট্রেলিয়ায় এসেছেন কিংবা যারা ভাবছেন যে, তারা হয়তো বা সুনিশ্চিতভাবে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন, তাদেরকে ১৪ দিনের জন্য সেল্ফ-আইসোলেশন-এ (জন-বিচ্ছিন্ন হয়ে) যেতে হবে।

খ. যারা ২৮ মার্চ ২০২০ মধ্যরাত থেকে অস্ট্রেলিয়ায় আসবেন, সেই সকল ভ্রমণকারীকে বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিনের জন্য নির্ধারিত গন্তব্যে (যেমন, হোটেলে) সেল্ফ-আইসোলেশন-এ (জন-বিচ্ছিন্ন) যেতে হবে।

  • যথাযথ ইমিগ্রেশন, কাস্টমস এবং বর্ধিত স্বাস্থ্য-পরীক্ষার পর ভ্রমণকারীদেরকে সরাসরি নির্ধারিত ফ্যাসিলিটিতে পাঠানো হবে।
  • ADF কর্মীরা স্থানীয় পুলিশকে সহায়তা করবে। স্টেট ও টেরিটোরির সরকারের নির্দেশে যাদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে, তারা নির্ধারিত স্থানে আইসোলেশনে আছে কিনা তা যাচাই করতে সে-সব স্থান পরিদর্শন করবে ADF এবং এ সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশকে রিপোর্ট করবে ADF.

গ. আপনার যদি কোভিড-১৯ ধরা পড়ে তবে আপনি অবশ্যই বাড়িতে অবস্থান করবেন:

  • আপনার মাঝে যদি কোভিড-১৯ সনাক্ত করা হয়, তাহলে আপনাকে অবশ্যই ঘরে থাকতে হবে।পাবলিক প্লেসে, যেমন, কাজে, স্কুলে, শপিং সেন্টারে, চাইল্ডকেয়ারে কিংবা ইউনিভার্সিটিতে, যাবেন না।
  • খাবার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি নিয়ে আসার জন্য কাউকে বলুন এবং আপনার ঘরের দরোজার সামনে রাখতে বলুন।
  • বাইরের কোনো অতিথি ও সাক্ষাৎপ্রার্থীকে ঘরে আসতে দেবেন না। আপনার বাড়িতে যারা সাধারণ বসবাস করে শুধুমাত্র তারাই থাকতে পারবেন।

সোশাল ডিস্টেন্সিং (সর্বশেষ আপডেট)

বিভিন্ন ভাইরাসের (যেমন, কোভিড-১৯) ছড়িয়ে পড়ার হার হ্রাস করার একটি উপায় হলো সোশাল ডিস্টেন্সিং (সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা)। অন্যের সঙ্গে আপনি যতো দূরত্ব বজায় রাখবেন, ভাইরাস ছড়িয়ে পড়াও ততো কঠিন হবে।

কোভিড-১৯ এ সুনিশ্চিতভাবে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির হাঁচি-কাশি দ্বারা দূষিত কোনো বস্তু বা আসবাবের পৃষ্ঠ স্পর্শ করা (যেমন, দরজার হাতল কিংবা টেবিল) পরিহার করাও সোশাল ডিস্টেন্সিংয়ের অন্তর্ভুক্ত।

    • ঘরে অবস্থান করুন

সকল অস্ট্রেলিয়ানের প্রতি ন্যাশনাল কেবিনেটের জোরালো পরামর্শ, ঘরে থাকুন, যদি না:

  • আপনার প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং অন্যান্য দ্রব্যের জন্য বাজার করতে হয়;
  • মেডিকেল বা হেলথ কেয়ারের প্রয়োজন হলে, (কমপ্যাশনেট রিকোয়ারমেন্ট-সহ);
  • পাবলিক গ্যাদারিং এর শর্ত পূরণ করে ব্যায়াম করার জন্য;
  • কাজ এবং পড়াশোনার জন্য, যদি আপনি দূর থেকে তা করতে না পারেন।

বয়স্কসেবা কেন্দ্রগুলোয় কি পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা যাবে?

পুরো অস্ট্রেলিয়ার জন্য সাধারণ নিয়ম হিসেবে এজড কেয়ার ফ্যাসিলিটিগুলোতে যাবেন না, যদি:

  • গত ১৪ দিনের মধ্যে বিদেশ থেকে ফেরত আসেন।
  • গত ১৪ দিনের মধ্যে কোভিড-১৯ এ সুনিশ্চিতভাবে আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে আসেন।
  • জ্বর থাকে কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পর্কিত সংক্রমণ থাকে (যেমন, কাশি, গলায় প্রদাহ, শ্বাস-গ্রহণে কষ্ট)।
  • কোনো এজড কেয়ার ফ্যাসিলিটিতে ভিজিট করতে হলে ১ মে থেকে আপনাকে অবশ্যই ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা গ্রহণ করতে হবে।

মনে রাখবেন, স্টেট ও টেরিটোরিগুলোর নিজেদের আওতার মধ্যে সুনির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন রয়েছে, ন্যাশনাল কেবিনেটের পরামর্শগুলোর সঙ্গে সেগুলো অসঙ্গতিপূর্ণ নয়।

আমি কি সার্জিকাল মাস্ক পরিধান করবো?

অস্ট্রেলিয়ায় সম্প্রতি কমিউনিটিগুলোতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে কোনো কোনো স্টেট ও টেরিটোরি এখন মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছে।

ভিক্টোরিয়ায় করোনাভাইরাসের অতি উচ্চ হারে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ঘটায় সেখানে আপনাকে অবশ্যই ফেস মাস্ক পরিধান করতে হবে নাকি পরিধান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে সেটা মূলত নির্ভর করবে আপনি কোথায় বাস করেন তার উপর। https://www.dhhs.vic.gov.au/face-coverings-1159pm-wednesday-22-july 

নিউ সাউথ ওয়েলসের লোকদেরকে বলা হয়েছে যেখানে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা যায় না এবং যদি তারা কোনো হট স্পট এলাকাতে বসবাস কিংবা কাজ করেন তাহলে ফেস মাস্ক পরিধানের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে।

মাস্ক পরিধান করাটা অতিরিক্ত সতর্কতামূলক কাজের অন্তর্ভুক্ত। আপনাকে অবশ্যই চালিয়ে যেতে হবে:

  • অসুস্থ হলে ঘরে থাকতে হবে।
  • বাইরে গেলে অপরের সঙ্গে (১.৫ মিটারের বেশি) জন-দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
  • বড় জমায়েত পরিহার করতে হবে এবং ইনডোর স্পেসে ভীড় এড়িয়ে চলতে হবে।
  • হাত ও শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করতে হবে।

আপনার স্টেট কিংবা টেরিটোরির পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ পরিবর্তন করা হতে পারে। আপনার স্থানীয় এলাকার জন্য প্রযোজ্য পরামর্শগুলো সম্পর্কে হালনাগাদ খবর রাখাটা জরুরি। আপনার স্টেট কিংবা টেরিটোরি সরকার এসব সংবাদ জানাবে।

https://www.health.gov.au/news/health-alerts/novel-coronavirus-2019-ncov-health-alert/how-to-protect-yourself-and-others-from-coronavirus-covid-19

অস্ট্রেলিয়ায় আগমন, অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরে কিংবা বাইরে ভ্রমণ

অপরিহার্য নয় এ রকম সমস্ত অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ অস্ট্রেলিয়ানদেরকে অবশ্যই পরিহার করতে হবে। স্টেট ও টেরিটোরিগুলো তাদের নিজস্ব নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রয়োগ করতে পারবে। যেমন, তাদের রাজ্যের সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া।

পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বিষয়ক জাতীয় নীতিমালা

পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা গণ-পরিবহন সেবাগুলো বিভিন্ন স্টেট ও টেরিটোরির দায়িত্ব। গণ-পরিবহন নেটওয়ার্কগুলোর কর্মী এবং যাত্রীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল কেবিনেট ধারাবাহিকভাবে নীতিমালা অনুমোদন করছে। যেমন, অসুস্থ বোধ করলে ভ্রমণ না করা, চালক এবং অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে দৈহিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং নগদ অর্থের লেনদেন পরিহার করা। গণ-পরিবহনের যাত্রীদের মাস্ক পরিধান করার কোনো শর্ত নেই। তবে, তারা স্বেচ্ছায় তা করতে পারেন। কোভিড-১৯ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট অপারেশন্স এর নীতিমালা বিষয়ক আরও তথ্যের জন্য দেখুন:

https://www.infrastructure.gov.au/transport/files/COVID19_public_transport_principles_29052020.pdf

আন্তর্জাতিক ভ্রমণ

জাতীয়তা কিংবা কোথা থেকে যাত্রা করেছেন এসব বিষয় নির্বিশেষে অস্ট্রেলিয়ায় আগত সকল আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীকে ঘরে যাওয়ার আগে অবশ্যই নির্ধারিত ফ্যাসিলিটিতে ১৪ দিনের জন্য সেল্ফ-আইসোলেশন সম্পন্ন করতে হবে।

কোয়ারেন্টিনে থাকার সময়ে এবং সেখান থেকে চলে যাওয়ার আগে তাদেরকে করোনাভাইরাস পরীক্ষণ করা হবে।

কোয়ারেন্টিনের খরচ মেটাতে আপনাকেও ব্যয়ভার বহন করতে হবে। এই শর্তগুলো তদারক ও বাস্তবায়ন করছে স্টেট ও টেরিটোরি সরকারগুলো:

কোভিড-১৯ নিষেধাজ্ঞাগুলোর কারণে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ও স্থায়ী অভিবাসীরা বিদেশ-ভ্রমণ করতে পারবেন না।

তারপরও আপনি যদি অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে যেতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে ভ্রমণের জন্য অব্যাহতি চেয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে, যদি নিম্ন-লিখিত বিষয়গুলোর কোনো একটি আপনার জন্য প্রযোজ্য হয়:

  • কোভিড-১৯ প্রাদূর্ভাবের প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে যদি আপনাকে ভ্রমণ করতে হয়; যেমন, সাহায্যের জন্য।
  • সঙ্কটপূর্ণ শিল্প ও ব্যবসা কাজে যদি প্রয়োজন হয় (আমদানি-রপ্তানি ব্যবসা-সহ)।
  • অস্ট্রেলিয়ায় বিদ্যমান নেই এ রকম অত্যাবশ্যক চিকিৎসা-সেবা লাভের জন্য যদি ভ্রমণ করতে হয়।
  • জরুরি এবং অপরিহার্য ব্যক্তিগত কারণে।
  • কমপ্যাশনেট (শোক প্রকাশ, সান্ত্বনা প্রদান ইত্যাদি) কিংবা মানবিক কারণে।
  • জাতীয় স্বার্থে যদি ভ্রমণ করতে হয়।

ট্রানজিট হাবস

ভ্রমণ-সংশ্লিষ্ট নিয়ম-কানুন খুব অল্প সময়ের নোটিশে পরিবর্তিত হয়। আপনি যদি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরতে চান:

আপনার রুট (যাত্রাপথ) ভালভাবে চেক করুন এবং আপনার এয়ারলাইন কিংবা ট্রাভেল এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন।

আপনার ট্রানজিট এয়ারপোর্টের এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ঘোষণাগুলো অনুসরণ করুন।

আপনি যে-সব দেশের মধ্য দিয়ে ট্রানজিট নিচ্ছেন সে-সব স্থানে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার শর্ত নিয়ে যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে, সেক্ষেত্রে আপনার নিকটস্থ দূতাবাস কিংবা কনসুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

আরও তথ্য ও আপডেটের জন্য ভিজিট করুন: www.smartraveller.gov.au

অল্প-কিছু ব্যতিক্রম বাদে অস্ট্রেলিয়ানদের জন্য ২৫ মার্চ ২০২০ থেকে বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক, রেসিডেন্ট এবং পরিবারের নিকট সদস্যগণ অস্ট্রেলিয়ায় আসতে পারবেন। আরও তথ্যের জন্য ডিপার্টমেন্ট অফ হোম অ্যাফেয়ার্স এর ওয়েবসাইট দেখুন:

https://www.homeaffairs.gov.au/news-media/current-alerts/novel-coronavirus

এই মহামারী কীভাবে প্রতিহত করছে অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ?

নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর জন্য একটি ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্লান কার্যকর করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

হিউম্যান বায়োসিকিউরিটি ইমার্জেন্সি পিরিয়ড ১৭ জুন ২০২০ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত আরও তিন মাসের জন্য বর্ধিত করেছেন দ্য গভর্নর-জেনারেল অফ অস্ট্রেলিয়া।

এনার্জি, ওয়াটার এবং বিভিন্ন রেটের জন্য সহায়ক ব্যবস্থা

সকল আবাসিক এবং ছোট ব্যবসাগুলোর জন্য এই আর্থিক টানাপোড়েনের সময়ে নমনীয়ভাবে বিল পরিশোধের বিভিন্ন সুযোগ রাখা হচ্ছে। যেমন:

  • আর্থিক অনটনে যারা আছেন তাদের সংযোগ/পরিষেবা বিচ্ছিন্ন কিংবা সীমিত করা হবে না।
  • ডেট রিকভারি প্রসিডিং (ঋণ আদায় প্রক্রিয়া) এবং ক্রেডিট ডিফল্ট লিস্টিং মুলতবি করা।
  • বিলম্বিত ফিজ এবং ঋণের উপর আরোপিত সুদ ছাড় দেওয়া; এবং
  • সঙ্কটপূর্ণ কাজগুলোর ক্ষেত্রে পরিকল্পিত আউটেজ (পরিকল্পিতভাবে সরবরাহ বন্ধ করা) হ্রাস করা।
  • যারা বিল পরিশোধ করা চালিয়ে যেতে পারবেন তারা তা করতে থাকুন। অপরিহার্য পরিষেবাগুলোর নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।

Emergency Response Plan for Novel Coronavirus (COVID-19) চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

কতিপয় ভিসাধারীর জন্য ছাড়

ওয়ার্কিং হলিডে ভিসাধারী: একজন নিয়োগদাতার অধীনে ছয় মাস কাজ করার যে নিয়ম ছিল তাতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। শর্ত হচ্ছে, যদি তারা হেলথ, এজড কেয়ার, ডিজেবিলিটি কেয়ার, চাইল্ডকেয়ার, এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে কাজ করে এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে যদি তাদের বর্তমান ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায় ও পরবর্তী ভিসার জন্য যদি তারা উপযুক্ত হয়।

সিজনাল ওয়ার্কার প্রোগ্রাম অ্যান্ড প্যাসিফিক লেবার স্কিম পার্টিসিপেন্টস: এক বছর পর্যন্ত তাদের ভিসা বর্ধিত করা যাবে।

টেম্পোরারি স্কিলড ভিসাধারী: টেম্পোরারি এমপ্লয়ার স্পন্সর্ড ভিসাগুলোর জন্য, যেমন, সাবক্লাস ৪৫৭ এবং ৪৮২, যারা কাজ হারিয়েছে তাদেরকে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরেকজন স্পন্সর খুঁজে নিতে হবে কিংবা অস্ট্রেলিয়া থেকে চলে যেতে হবে।

তাদের যদি কাজ চলে যায় (stand down) কিন্তু তাদেরকে যদি লে-অফ না করা হয় কিংবা তাদের কর্মঘণ্টা যদি কমিয়ে দেওয়া হয়, এর ফলে তাদের ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে না। এই অর্থ-বছরে তারা তাদের সুপার-অ্যানুয়েশন ফান্ড থেকে ১০,০০০ ডলার পর্যন্ত গ্রহণ করতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী:

তাদের যদি এখনও কাজ থাকে তাহলে তারা থাকতে পারবে। তাদের যদি কাজ না থাকে, যদি পারিবারিক সহায়তা কিংবা কোনো আর্থিক সঞ্চয়ও না থাকে, তাদেরকে হয়তো অন্য কোনো ব্যবস্থার কথা বিবেচনা করতে হবে।

এজডকেয়ার খাতে এবং নার্স হিসেবে কর্মরত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে পারবেন।

তারা যদি অন্তত ১২ মাস অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তারা তাদের সুপার-অ্যানুয়েশন ফান্ড ব্যবহার করতে পারবেন।

ভিক্টোরিয়ান সরকারের ইমার্জেন্সি সাপোর্ট প্যাকেজের অংশ হিসেবে ভিক্টোরিয়ায়, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ১,১০০ ডলার পর্যন্ত একটি রিলিফ পেমেন্ট পাবে। এর মাধ্যমে সেই রাজ্যটির হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে।

পর্যটক: তাদেরকে নিজেদের দেশে ফিরে যেতে হবে, বিশেষভাবে যাদের কোনো পারিবারিক সহায়তা নেই।

মেন্টাল হেলথ সাপোর্ট

কোভিড-১৯ এর এই বৈশ্বিক মহামারীর দ্বিতীয় তরঙ্গের ফলে যেসব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, সেসব এলাকার জনগণের জন্য সরকার ১০ টি মেডিকেয়ার ভর্তুকিপ্রাপ্ত সাইকোলজিক্যাল থেরাপি সেসন যুক্ত করেছে।

সাইকোলজিস্ট, সাইক্রিয়াট্রিস্ট, জিপি কিংবা অন্যান্য উপযুক্ত স্বাস্থ্য-কর্মীর কাছ থেকে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করা চালিয়ে যেতে হলে একটি মেন্টাল হেলথ ট্রিটমেন্ট প্লান (https://www.healthdirect.gov.au/mental-health-care-plan) এবং একটি জিপি রিভিউ লাগবে।

সরকারের ডিজিটাল মেন্টাল হেলথ পোর্টাল, হেড টু হেলথ (www.headtohealth.gov.au) এ বিভিন্ন তথ্য ও নির্দেশিকা পাওয়া যাচ্ছে করোনাভাইরাসের এই বৈশ্বিক মহামারী ও সেল্ফ-আইসোলেশনের সময়ে কীভাবে ভাল মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখা যায়, কীভাবে প্রিয়জনকে এবং শিশুদেরকে সহায়তা করা যায় এবং কীভাবে আরও মানসিক স্বাস্থ্য-সেবা লাভ করা যায় এসব বিষয়ে।

অস্ট্রেলিয়ান সরকার কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে কীভাবে কাজ করছে তা দেখুন এই লিঙ্কে: Government response

ইংরেজিতে আরও তথ্যের জন্য দেখুন: health.gov.au/news/health-alerts/novel-coronavirus-2019-ncov-health-alert

Department of Home Affairs - information for your community in Bangla

অস্ট্রেলিয়ার জনগণকে অবশ্যই পরস্পরের মাঝে কমপক্ষে ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জন-সমাগমের সীমা সম্পর্কে জানতে আপনার রাজ্যের নিষেধাজ্ঞাগুলো দেখুন।

আপনার মাঝে যদি সর্দি-কাশির (কোল্ড কিংবা ফ্লু) লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে ঘরে অবস্থান করুন এবং আপনার ডাক্তারকে কল করে কিংবা করোনাভাইরাস হেলথ ইনফরমেশন হটলাইন, 1800 020 080 নম্বরে কল করে টেস্টের ব্যবস্থা করুন।

৬৩ টি ভাষায় এ বিষয়ক সংবাদ ও তথ্য পেতে ভিজিট করুন: www.sbs.com.au/coronavirus

Follow SBS Bangla on FACEBOOK.