আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সমর্থিত লিবিয়ার জাতীয় সরকার (জিএনএ) জানিয়েছে, মিজদা শহরে ২৬ বাংলাদেশি এবং চারজন আফ্রিকান অভিবাসী মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ১১ জন।অন্যদিকে জিএনএকে পশ্চিমা দেশগুলো স্বীকৃতি দিয়ে এলেও সেখানে ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীর শাসন কায়েম রয়েছে। ক্ষমতার সংঘাতে লিবিয়ায় প্রায়ই বেসামরিক লোকজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র সাফা মেশেলি বলেন, ‘আমরা এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবর শুনেছি। বিশদ জানার চেষ্টা করছি। যারা বেঁচে গেছেন তাদের সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
ধারণা করা হচ্ছে মানবপাচারকারী চক্র ও অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে যে বিরোধ চলে আসছিল, তার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওই হত্যাকাণ্ডের সময় সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশির বর্ণনায় জানা যায় ১৫ দিন আগে লিবিয়ার বেনগাজী থেকে ত্রিপলিতে নেওয়া হচ্ছিল তাদেরকে । পথে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য তাদের জিম্মি করে মানব পাচারকারীরা। মিজদা শহরে নেওয়ার পর তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয় ।এক পর্যায়ে অপহৃত ব্যক্তিরা প্রতিরোধ গড়ে তুলে এবং মূল মানব পাচারকারীর লিবিয়ান ব্যক্তিকে হত্যা করে। পাচারকারী পরিবার প্রতিশোধ নিতে এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। ঐ পাচারকারী আগেই মারা গেছে। সেই মৃত্যুর দায় এই অভিবাসীদের ওপর চাপিয়ে ওই হত্যাকান্ড চালানো হয়।
বিস্তারিত আসছে।
Share
