ভিক্টোরিয়া পুলিশের মিডিয়া রিলিজ থেকে জানা যাচ্ছে যে, পুলিশ ওই সংঘর্ষের পরিস্থিতি তদন্ত করছে।
সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পরপরই ওয়েভার্লি রোড এবং স্টিফেনসন্স রোডের সংযোগস্থলে জরুরি পরিষেবাগুলিকে ডাকা হয়।
নিহত তরুনের পারিবারিক বন্ধু এবং ভিক্টোরিয়া গভর্নমেন্টের এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট এন্ড ক্লাইমেট অ্যাকশন ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা সালাহউদ্দীন আহমদ এসবিএস বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ১৮ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীর নাম গাজী আজরাফ এজাজ এবং তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত।
অ্যাম্বুলেন্স ক্রুরা ঘটনাস্থলে দুর্ঘটনায় পড়া সাইকেল চালক এজাজের চিকিৎসা করেছিল কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাকে বাঁচানো যায়নি।
ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলে থামেন এবং পুলিশকে সহযোগিতা করেন।
মি. সালাহউদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, আমরা জানতে পেরেছি এজাজ জিমে যেতে সকালে সাইকেল নিয়ে বের হয়। ওয়েভারলি ও স্টিফেনসনস রোডের যে ইন্টারসেকশনে দুর্ঘটনা ঘটে সে জায়গাটি এজাজদের বাড়ি থেকেই দেখা যায়।
কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
এজাজের মৃত্যুতে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মি. আহমেদ এসবিএস বাংলাকে বলেন, এজাজ বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান এবং সে ছিলো খুবই মেধাবী। তাঁর এই অকাল মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না।

‘এজাজের বাবা-মায়ের সাথে আমার অন্তত ৫ বছরের পরিচয়, ছেলেটার বাবা যখন আমাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কাঁদছিল তখন আমার বলার মত কোন কিছু ছিল না। একটা নম্র, ভদ্র, মেধাবী তাজা প্রাণ চলে গেল,’ বলেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকেই এই মেধাবী তরুনের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'এজাজের পরিবার এখন গভীরভাবে শোকাচ্ছন্ন, এই অবস্থায় তাদের পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা আমাদের সকলের কাম্য।'
এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন রেডিওতে, এসবিএস বাংলা রেডিও অ্যাপ-এ এবং আমাদের ওয়েবসাইটে, প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত।
রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: এসবিএস বাংলা।
আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে।
