মিয়ানমারের রাখাইনে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠী। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে মিয়ানমার সেনাবাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ও অগ্নিসংযোগের ফলে বাংলাদেশে ব্যাপক সংখ্যায় পালিয়ে আসে রোহিঙ্গারা।
বাংলাদেশের কক্সবাজারের কুতুপালং শিবিরে বর্তমানে ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৮ জন শরণার্থী অবস্থান করছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা রেপটিম-এর ২০১৮ সালের র্যাংকিংয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে কক্সবাজারের কুতুপালং শিবির।

রেপটিম-এর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে উগান্ডার বিডি বিডি শরণার্থী শিবির। দক্ষিণ সুদানে ২০১৩ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের কবল থেকে বাঁচার জন্য পালিয়ে আসে হাজার হাজার শরণার্থী। এই শিবিরে রয়েছে ২ লাখ ৮৫ হাজার শরণার্থী।

রেপটিম-এর তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে কেনিয়ার দাবাব শরণার্থী শিবির। সোমালিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচার জন্য পালিয়ে আসা ২ লাখ ৩৫ হাজার শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে এই শিবিরটিতে।

এক লাখ ৮৪ হাজার ৫৫০ জন শরণার্থী নিয়ে নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে কেনিয়ার কাকুমা শরণার্থী শিবির।

তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে তাঞ্জানিয়ার নায়ারুগুসু শরণার্থী শিবির। এখানে অবস্থান করছেন এক লাখ ৩৯ হাজার ৬৩০ জন শরণার্থী।

ফিলিস্তিনের গাজায় অবস্থিত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরটি আছে ষষ্ঠ স্থানে। ১৯৪৮ সালে চালু হওয়া এই শিবিরটি অবশ্য সবচেয়ে পুরনো। এখানে এক লাখ ১৯ হাজার ৪৮৬ জন শরণার্থী রয়েছেন।

জর্দানের জাতারি শরণার্থী শিবিরটি রয়েছে তালিকার সপ্তম স্থানে। ৮০ হাজার ১৪০ জন শরণার্থী এখানে অবস্থান করছেন।

অষ্টম স্থানে রয়েছে দক্ষিণ সুদানের ইদা শরণার্থী শিবির। ৭০ হাজার ৩৩১ জন শরণার্থী রয়েছেন এখানে।
তাঞ্জানিয়ার কাটুম্বা শরণার্থী শিবিরটি রয়েছে তালিকার নবম স্থানে। এখানে অবস্থান করছেন ৬৬ হাজার ৪১৬ জন শরণার্থী। ১৯৭২ সালে এটি চালু হয়।
তালিকার দশম স্থানে রয়েছে ওয়েস্টার্ন ইথিওপিয়ার পাগনিডো শরণার্থী শিবির। ৬৩ হাজার ২৬২ জন শরণার্থী অবস্থান করছেন এখানে।
আর, তালিকার একাদশ স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের পানিয়ান শরণার্থী শিবিরটি। উনিশ শ’ আশির দশকে আফগান-সোভিয়েত যুদ্ধের সময়ে এটি চালু হয়। এখানে অবস্থান করছেন ৬২ হাজার ২৬৪ জন শরণার্থী।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
