বিবিসি রেডিও ৪ এর টুডে অনুষ্ঠানের একজন সম্পাদক স্বীকার করেন যে, জলবায়ু-পরিবর্তন-কর্মী গ্রেটা থানবার্গের সঙ্গে দেখা করতে একজন প্রেজেন্টারকে বিমানে করে সুইডেন পাঠিয়ে ‘ব্রিব্রত বোধ’ করেন তিনি।
ক্যামপেইনার গ্রেটা থানবার্গ ছিলেন অনুষ্ঠানটির বিশেষ একটি সংস্করণের একজন ‘অতিথি সম্পাদক’। পরিবেশের উপর কুপ্রভাবের জন্য তিনি বিমানে যাতায়াত করেন না।
গ্রেটা থানবার্গের সাক্ষাৎকার নিতে প্রেজেন্টার মিশেল হুসেইনকে বিবিসি রিটার্ন ফ্লাইটে স্টকহোম পাঠায়।
প্রোগ্রাম এডিটর সারাহ স্যান্ডস সানডে টাইমসকে বলেন,
“এ বিষয়ে আমরা নিজেদের মাঝে আলোচনা করি। আমরা বিব্রত বোধ করি কিন্তু ট্রেন কিংবা বোটের জন্য পর্যাপ্ত সময় আমাদের হাতে ছিল না।”

পত্রিকাটিতে বলা হয়েছে, স্টকহোমের সেই ট্রিপটিতে জনপ্রতি আনুমাণিক প্রায় আধা টন করে কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসৃত হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রোধে বিশ্বব্যাপী এক আন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছেন মিজ থানবার্গ। এই আন্দোলনে এক লাখেরও (১০০,০০০) বেশি স্কুল-শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছে।
অধিক দুষণকারী পরিবহন-ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও অবস্থান নিয়েছেন ১৬ বছর বয়সী এই আন্দোলন-কর্মী। বিমানে ভ্রমণ কিংবা গাড়িতে চড়ার বদলে তিনি বোটে করে ভ্রমণ পছন্দ করেন।
টানা ১৫ দিনে ৩০০০ মাইল নৌ-ভ্রমণ করে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে জাতিসংঘের জলবায়ু শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দিতে আগস্ট মাসে নিউ ইয়র্কে পৌঁছান মিজ থানবার্গ।
কিন্তু, মিজ স্যান্ডস বলেন,
“গ্রেটা আসলে কোনো ব্যক্তিকে বিচার করে দেখেন না। তার নিজের উচ্চ মানের সঙ্গে সবাই যে মানিয়ে চলতে পারবে না তা তিনি জানেন। তাই তিনি চান তারা যেন সেটাই করে যা তারা করতে পারে।”
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
