স্থানীয় শিল্পী গোষ্ঠী সঞ্চারীর পরিবেশিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত দিয়ে দিনটির কার্যক্রম শুরু হয়।
ব্রিসবেনের সর্বস্তরের বাংলাভাষী জনগণ ছাড়াও অন্যান্য দেশের মানুষেরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সমবেত কণ্ঠে "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি" গানটি পরিবেশিত হয়।
এরপর উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, ব্রিসবেনের নানা সংগঠন, ও সাধারণ জনগণের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
ব্যাবের আমন্ত্রণে এ বারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন সাউথ ব্রিসবেনের গ্রীনসের সংসদ সদস্য এমি ম্যাকমাহন, এনএলপির লিডার অব অপজিশন ডেভিড ক্রিসাফুলি, নর্থ ব্রিসবেন ডিস্ট্রিক্ট অফিসের সার্জেন্ট জশ সারমিয়েন্ট, মাল্টিকালচারাল অস্ট্রেলিয়ার জেসন ওলসন, ব্রিসবেন সিটি কাউন্সিল কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টের এডনা অ্যালেক্সিস, এবং আইএমএলডির অতিথিবৃন্দ।
এছাড়া ব্রিসবেনের বাংলাদেশীদের সংগঠন সোসাইটি অব বাংলাদেশি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন ইন কুইন্সল্যাণ্ড, ব্রিসবেন বাংলা স্কুল, ব্রিসবেন বাংলা রেডিও, ইউকিউবিডিএ, কিউএউটিবিএ, এবং বিপিসিএস-এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ বাংলা ভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে তাদের অনুভুতি ব্যক্ত করেন।
বক্তাগণ বাহান্নর ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে সে সময় রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের ইতিহাস তুলে ধরেন।
বক্তারা আরো বলেন, একুশ আজ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে, মর্যাদা লাভ করেছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের। এ অর্জন একুশের শহীদদের, সকল বাঙালির, বিশ্বের সকল মাতৃভাষায় কথা বলা মানুষের।
ব্যাবের প্রাক্তন সভাপতি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা অতিথিদের ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করে আরাফ ও নাবিহা।
প্রেস বার্তা প্রেরক - কানিজ ফাতেমা/ বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ব্রিসবেন ইনক (ব্যাব), ব্রিসবেন।
এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন রেডিওতে, এসবিএস বাংলা রেডিও অ্যাপ-এ এবং আমাদের ওয়েবসাইটে, প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত।
রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: এসবিএস বাংলা।
আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে।



