ব্রিসবেন শহরে বসবাস করছেন এরকম ৩০ জন প্রাক্তন-ক্যাডেট তাদের পরিবারের প্রায় ৯০ জন সদস্যদের নিয়ে এই আয়োজনে উপস্থিত হয়েছিলেন।
‘কুইন্সল্যান্ড এক্স-ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশন’ ২০১৮ সালে প্রথম ব্রিসবেন-ভিত্তিক এক্স-ক্যাডেটদের এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেই ধারবাহিকতায় এবার ছিল সংগঠনটির চতুর্থ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।

উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ হিসাবে সিলেট ক্যাডেট কলেজের ১ম ব্যাচের প্রাক্তন ক্যাডেট সাখাওয়াত হোসেন এবং সর্বকনিষ্ঠ হিসাবে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ক্যাডেট শাকিল আহমেদ একত্রে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানের শুরু হয় পরস্পরের সাথে পরিচয় পর্ব দিয়ে। তার পরে ছিল বাচ্চাদের খেলাধূলার আয়োজন, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বড়দের ভলিবল, কাপল-গেমসহ আরও নানা ধরনের আয়োজন। দুপুরে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কাচ্চি-বিরিয়ানিসহ দেশীয় পিঠা ও মিষ্টি জায়গা করে নিয়েছিল অনুষ্ঠানের খাদ্য-তালিকায়। আরও ছিল মুড়ি-চানাচুর এবং চায়ের ব্যবস্থা।
উল্লেখ্য, রংপুর ও বরিশাল ক্যাডেট কলেজের পক্ষ থেকে সর্বাধিক সংখ্যক সদস্য তাদের পরিবারসহ এই আয়োজনে উপস্থিত ছিল। আর ২০০১ সালের পাসিং আউট ব্যাচের সর্বোচ্চ সংখ্যক পাঁচটি পরিবার যোগ দেয় এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে।

প্রাক্তন ক্যাডেটরা ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন-ক্যাডেট রাজীব রানার মা। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের জুবায়ের আল তারিকের মা খালেদা নাসরিন বলেন,
অনেক দিন পর এতজন ক্যাডেট একসাথে দেখে পুরানো দিনের কথা মনে পড়ছে, যখন অভিভাবক-দিবসে তোমাদের কলেজে দেখতে যেতাম। পুরো অনুষ্ঠানটিই আমি উপভোগ করেছি।
প্রাক্তন-ক্যাডেট সাকিফ আলাভীর পরিচালনায় সাংস্কৃতিক আয়োজনের পর শিশু এবং অতিথিদের হাতে উপহার তুলে দেন মোহাম্মদ সাদেক ও সাজেদ তুহিন। এছাড়াও এই আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জায়েদুর রহমান জনি এবং সাব্বির আহমেদ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
