৬৯তম মিস ওয়ার্ল্ডের আসর বসে ইস্ট লন্ডনের ক্যানিং টাউনে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ১১১ দেশের সুন্দরীরা
গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড মেক্সিকোর ভ্যানেসা পন্সে টনি-অ্যান সিংয়ের মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন । ২৩ বছর বয়সী টনি-অ্যান ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে মনোবিজ্ঞান ও উইমেন স্টাডিজে স্নাতক করেছেন।প্রতিযোগিতার প্রথম রানারআপ নির্বাচিত হন ফ্রান্সের অফেহলি মেজিনো। আর দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন ভারতের রাজস্থানের সুমন রায়।

২৬ বছর বয়সী তুনজি দক্ষিণ আফ্রিকার তসলো শহরে বাস করেন। তিনি লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার বিরুদ্ধে বেশ সক্রিয়। আটলান্টার টেইলর পেরি স্টুডিওতে মিস ইউনিভার্সের ৬৯ তম এই আসরে তুনজি ৯০ জন প্রতিযোগিকে পেছনে ফেলে সেরার মুকুট ছিনিয়ে নেন।এই প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক ছিলেন ব্রিটিশ ব্রডকাস্টার পাইরেস মরগান । প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনিই ফাইনালিস্টদের প্রশ্ন করেন।
নতুন মিস ওয়ার্ল্ডকে মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের বিশ্বসুন্দরী মেক্সিকোর ভ্যানেসা পনসে দেলেওন।
২৬ বছর পর মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট ফিরলো জ্যামাইকায়। ১৯৬৩, ১৯৭৬ ও ১৯৯৩ সালে তিনবার দেশটির সুন্দরীরা এই স্বীকৃতি জিতেছিলেন। ১১০ দেশের সুন্দরীদের হটিয়ে চতুর্থবারের মতো এটি দেশকে উপহার দিলেন টনি-অ্যান সিং।বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জেতার আশায় গান গেয়ে বিচারকদের মন জয় করে ট্যালেন্ট বিভাগে সেরা হয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এই সুন্দরী। আর এর পুরস্কার হিসেবে ফাইনালে হুইটনি হাউস্টনের ‘আই হ্যাভ নাথিং’ গেয়ে মুগ্ধ করেছেন নিজের পরিবেশনায়।

প্রথম রানার আপ ফ্রান্সের ওফেলি মেজিনো ও দ্বিতীয় রানারআপ হন ভারতের সুমন রাও। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশ নেন রাফাহ নানজেবা তোরসা।বাহারি পোশাক পরে ফাইনালে নেচেছেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৯’। তার মাথায় ছিল নানান রঙের পালক। তবে সেরা ৪০ জনের মধ্যে তার নাম ছিল না ।মিস ওয়ার্ল্ডের ৬৯তম আসরের ফাইনাল মঞ্চে বাংলাদেশসহ ১১১ দেশের সুন্দরীরা নিজেদের দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরেন। তবে সেরা ৪০-এ জায়গা করে নিতে পারেননি তোরসা। গত দুই আসরে বাংলাদেশের প্রতিযোগীর মধ্যে জেসিয়া ইসলাম সেরা ৪০ ও জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী সেরা ৩০-এ পৌঁছেছিলেন।
