ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার হ্যামেলিন বে-তে গতকাল শুক্রবার ১৫০টি তিমি আটকে পড়েছে। এর মধ্যে কমপক্ষে ১৩০টি শর্ট-ফিন্ড পাইলট তিমি মারা গেছে। এই এলাকাটি পার্থ থেকে ৩১৫ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।
একজন পেশাদার জেলে প্রথমে এই বিষয়টি লক্ষ করেন।
উদ্ধারকর্মীরা জীবিত তিমিগুলোকে সাগরে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু, খারাপ আবহাওয়া এবং হাঙরের কারণে তাদের কাজে ব্যাঘাত ঘটছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি-র বরাতে জানা যায়, ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের পার্কস অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিস বলেছে, তাদের কর্মীরা সেখানে কাজ করছে এবং ১৫টি তিমি বাঁচানোর জন্য চেষ্টা করছে
সেখানে দায়িত্বে রয়েছেন তাদের কর্মী জেরেমি চিক। তিনি বলেন:
“বেশিরভাগ তিমি রাতের বেলা নিজেরাই সৈকতে এসে আটকা পড়েছে এবং মারা গেছে।”
ফরাসী আবিষ্কারক জেকস ফেলিক্স এমানুয়েল হ্যামেলিনের নামানুসারে হ্যামেলিন সৈকতের নামকরণ করা হয়। ১৮০১ সালে তিনি জাহাজে করে এই অঞ্চলে আসেন।
দলবদ্ধ হয়ে এভাবে তিমিগুলোর আটকে পড়ার কারণ জানা যায় নি।
অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম উপকূলে তিমি আটকে পড়ার সবচেয়ে বড় ঘটনা ঘটে ১৯৯৬ সালে। তখন ৩২০টি লঙ-ফিন্ড পাইলট তিমি সমুদ্র সৈকতে আটকে পড়েছিল।
ডিপার্টমেন্টের এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, শুক্রবার বিকাল থেকে সাতটি জীবিত তিমিকে গভীর সমুদ্রে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে।
পার্কস অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিস ইনসিডেন্ট কন্ট্রোলার জেরেমি চিক এক বার্তায় বলেন,
“আমরা অনুরোধ করেছি, কেউ যদি আটকে পড়া কোনো তিমি দেখেন, তাহলে যেন ওয়াইল্ডকেয়ার হেল্পলাইনের ৯৪৭৪ ৯০৫৫ নম্বরে ফোন করেন।”
