সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গান, কবিতা, নাচ ও ফ্যাশন শো—বিভিন্ন পর্বে অংশ নেন ত্রিশ জনেরও বেশি কলাকুশলী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিমব্যাংক সিটি কাউন্সিলের মেয়র, কাউন্সিলর টুই ডং। প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, “ব্রিমব্যাংক একটি ডাইভার্স কাউন্সিল। এখানে বাংলাদেশি কমিউনিটির এমন আয়োজনে সব বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এ ধরনের আয়োজন আমাদের মাল্টিকালচারাল সমাজকে আরও সুসংহত করতে সহায়তা করে।”

শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন মেলবোর্ন-এর সভাপতি আরাফাত আনোয়ার চৌধুরী বলেন— “আত্মার ছোঁয়াযুক্ত লোকসঙ্গীত থেকে শুরু করে চিরন্তন ঐতিহ্য পর্যন্ত—বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক পরিচয় গঠিত হয়েছে বৈচিত্র্যের ভেতর ঐক্যের ধারায়।
“ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন মেলবোর্ন-এ আমরা এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে, আমাদের নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে, এবং এমন আয়োজনের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার সমাজের সঙ্গে সেতুবন্ধ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
মঞ্চে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুলতানা শাহারিয়া, সাইরিন আহসান চৌধুরী, জুলেখা আহমেদ শিউলি ও রেশমী সেহেলি।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন সারিতা রাহাত, শান্তা ইসলাম, নিঘাত সুলতানা তিথি, দেলোয়ার হোসেন, পিনাকী ঘোষ, শৈবাল বড়ুয়া, শোভন সোহাগ, আবু আলম তান্নু, মাহির মুবিন, বাদশাহ হাসান ও কামরুল হাসান মিল্কি। সঙ্গীতায়োজনের সামগ্রিক তত্বাবধানে ছিলেন আরাফাত আনোয়ার চৌধুরী।

কবিতা আবৃত্তি করেন সুলতানা শাহারিয়া, হোসেন মাহমুদ ও জাফরিন দিশা।
নৃত্য পরিবেশন করেন সাইদা সায়েরা। নাচ ও ফ্যাশন শো-তে আরও অংশগ্রহণ করে আনিরা, লুবাইনা, তাহানী , তাশান, আইরা, আনাইরা, আয়ান, নুআইরা, অনি, জাহি, কাঙ্খিতা, সিয়ানা, শ্রেয়া, জানভি ও সামিহা। বড়দের ফ্যাশন শো-তে অংশ নেন ফারিহা, সেঁজুতি, সাইরিন, মাইশা, প্রমি ও জেরিন।
অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে অতিথি ও অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের শুভেচ্ছা ক্রেস্ট প্রদান করেন মুশফিক রহমান, সুলতানা শাহারিয়া, আরাফাত আহসান চৌধুরী এবং সাইরিন আহসান চৌধুরী।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি