বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মঙ্গলবার দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে জানান, খালেদা জিয়ার বয়স বিবেচনায় মানবিক কারণে সরকার ‘সদয় হয়ে’ দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত রেখে শর্ত সাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য তাকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শর্ত হল- এই সময়ে খালেদা জিয়াকে ঢাকায় নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে। তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, ‘কিছুদিন আগে খালেদা জিয়ার ভাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি দরখাস্ত এবং আমার কাছে একটি দরখাস্ত করেছিলেন যে বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে মুক্তি দেওয়ার জন্য। সেখানে তিনি লন্ডনে উন্নত চিকিৎসা করানোর কথা বলেছিলেন। এরপর খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার, বোন সেলিমা ইসলাম, বোনের স্বামী রফিকুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই বিষয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সেখানেও এই আবেদনটির ব্যাপারে তাঁরা কথা বলেছিলেন। তাঁরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলেছিলেন, নির্বাহী আদেশে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন।’
ওদিকে খালেদা জিয়ার মুক্তিতে স্বস্তিবোধ করলেও নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর এই সময়ে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্নও বিএনপি। খালেদা জিয়ার মুক্তির সিদ্ধান্ত সরকার জানানোর পর মঙ্গলবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠকের পর এই প্রতিক্রিয়া জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
Share
