Watch FIFA World Cup 2026™

LIVE, FREE and EXCLUSIVE starting June 12 2026

বেইজিং উইন্টার অলিম্পিকসের কূটনৈতিক বয়কট নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া

Naca Feature, Australian Federal Politics, International relations, olympics,

Scott Morrison has announced there will be no Australian diplomatic presence at the Beijing Olympics. Source: AAP

চীনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য বেইজিংয়ে শীতকালীন অলিম্পিকের কূটনৈতিক বয়কট নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যোগ দিয়েছে।


Published

Updated

By Pablo Vinales, Deborah Groarke

Presented by Shahan Alam

Source: SBS


Share this with family and friends


চীনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য বেইজিংয়ে শীতকালীন অলিম্পিকের কূটনৈতিক বয়কট নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যোগ দিয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে সিদ্ধান্তটি 'আশ্চর্যজনক নয়' এবং সরকার যা বিশ্বাস করে এর বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে তা থেকে 'পিছপা হবে না'।

ক্যানবেরায় চীনের দূতাবাস ইতিমধ্যেই এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে জবাব দিয়েছে।

এটি এমন একটি সিদ্ধান্ত যা প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন যে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

স্কট মরিসন বলেছেন যে জিনজিয়াংয়ে কথিত নৃশংসতা, যেমন উইঘুরবাসীদের গণ-আটকের বিষয়টি চরম উদ্বেগের।

তিনি বলেন, অস্ট্রেলীয়া সরকার চীনে আসন্ন উইন্টার গেমসে কোনো সরকারী প্রতিনিধি পাঠাবে না, আমরা এমন অনেকগুলি বিষয় উত্থাপন করছি যা চীনে ভালভাবে গ্রহণ করা হয়নি এবং সেসব বিষয়ে আমাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ইলেইন পিয়ারসন একমত। তিনি বলেন, জিনজিয়াংয়ে যে মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটছে তার জবাবদিহিতার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। অনেক দেশই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে কিন্তু এখানে শুধুমাত্র একটি অলিম্পিক হোস্ট এই মুহূর্তে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করছে। এবং আমি মনে করি অলিম্পিক গেমসে উপস্থিত হয়ে কোন সরকারের এটিকে পুরস্কৃত করা উচিত নয়।

Follow SBS Bangla on FACEBOOK.

অস্ট্রেলিয়ান অলিম্পিক কমিটির প্রধান নির্বাহী ম্যাট ক্যারল।

তিনি বলেছেন যে দেশের ৪০ বা তার বেশি অলিম্পিয়ান এখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং অস্ট্রেলিয়ান অলিম্পিক কমিটি গেমস সম্পর্কিত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলি সরকারের উপর ছেড়ে দিতে চায়।

তিনি বলেন, আমাদের ক্রীড়াবিদ এবং দলের কর্মকর্তা, ডাক্তার, কোচ, আমি নিজে এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়ান চেস্টারম্যান এবং জন কোটস গেমসে থাকব। এবং আমাদের ক্রীড়াবিদরা দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে সেখানে থাকবেন যেমন তারা টোকিওতে গর্বের সাথে করেছিল। আমরা বেইজিংয়ে আবার একই কাজ করব। কূটনৈতিক বয়কট সরকারের বিষয়।

এদিকে ক্যানবেরায় চীনের দূতাবাস কিছুটা নীরব প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। একজন চীনা কর্মকর্তা বলেন, বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিকে অস্ট্রেলিয়ার সাফল্য অস্ট্রেলিয়ান ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে, অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তাদের উপস্থিতির উপর নয়, এবং তাই এই রাজনৈতিক ভঙ্গিমা যা চীন-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের বর্তমান দুর্দশার জন্য দায়ী তার দায় অস্ট্রেলিয়ারই।

বেইজিং তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনকে 'পাল্টা ব্যবস্থা'র হুমকি দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও একই হুমকি দেওয়া হবে কিনা তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না।

স্কট মরিসন বলেছেন, চীন যদি এমন কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তা ন্যায্য হবে না। তিনি বলেন, এটি পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য হবে এবং এর কোন ভিত্তি থাকবে না। আমি সবসময় অস্ট্রেলিয়ার স্বার্থের পক্ষে দাঁড়াব এবং অস্ট্রেলিয়ানরা যা বিশ্বাস করে তা সঠিক।

লেবার পার্টিও অস্ট্রেলিয়ান সরকারের নেওয়া অবস্থানকে সমর্থন করছে।

ডেপুটি বিরোধী নেতা রিচার্ড মার্লেস এবিসিকে বলেছেন কূটনৈতিক বয়কট অর্থ বহন করে। তিনি বলেন, আমি মনে করি চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে বলা যায় এটি সঠিক কাজ এবং তাই আমরা এই সরকারের অবস্থান সমর্থন করি।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইউন জিয়াং বলেছেন, এই বয়কট প্রত্যাশিত ছিল।

তিনি বলেন, সব ক্ষেত্রেই অন্য দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করা খুবই কঠিন, তবে এটি চীনকে একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক বার্তা পাঠাবে যে দেশগুলি উদ্বিগ্ন।

তবে মনে হচ্ছে বয়কটের একটি ডমিনো প্রভাব থাকতে পারে। আরো কিছু দেশ, যেমন জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু দেশ একই বার্তা পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে।

এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধা ৬ টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত।

আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে

আরও দেখুন:


Latest podcast episodes

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Stream now