নতুন আন্তর্জাতিক ডাটা শেয়ারিং এগ্রিমেন্ট অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ান ট্যাক্সেশন অফিস (এ-টি-ও) কোনো ব্যক্তির বিদেশী আয় খুঁজে বের করতে পারবে এবং তারা যদি তা প্রকাশ না করে তবে সেটাও চিহ্নিত করতে পারবে। এ-টি-ও করদাতাদের বলেছে যে, তাদের যদি বিদেশে আয় থাকে তবে তারা যেন এটা ট্যাক্স-টাইমের সময়ে রিপোর্ট করে।
অস্ট্রেলিয়ান ট্যাক্সেশন অফিস পঁয়ষট্টিটিরও বেশি দেশের সঙ্গে ডাটা-শেয়ারিং চুক্তি করেছে। নতুন কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ান ট্যাক্সেশন অফিস প্রায় ১.৬ মিলিয়ন অফশোর অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছে, যেগুলোতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার রয়েছে।
প্রতিবেদনটি বাংলায় শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
Share




