SKIP TO MAIN CONTENT

সীমান্ত নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নেওয়ার জন্য স্টেট ও টেরিটোরিগুলোকে চাপ দিচ্ছে ফেডারাল সরকার

Queensland declares that Omicron is the dominant variant in the state
Queensland declares that Omicron is the dominant variant in the state Source: AAP Image/Jason O'Brien

প্রাপ্ত-বয়স্ক জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে কোভিড টিকা দেওয়ার পর বন্ধ সীমান্তগুলো খুলে দেওয়ার জন্য স্টেট ও টেরিটোরিগুলোর প্রতি চাপ দিচ্ছে ফেডারাল সরকার। তবে, ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য রাজ্যে হয়তো এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হতে পারে।


Published

Updated

By Greg Dyett, Catalina Florez

Presented by Sikder Taher Ahmad

Source: SBS


Skip to podcast episode content

প্রাপ্ত-বয়স্ক জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে কোভিড টিকা দেওয়ার পর বন্ধ সীমান্তগুলো খুলে দেওয়ার জন্য স্টেট ও টেরিটোরিগুলোর প্রতি চাপ দিচ্ছে ফেডারাল সরকার। তবে, ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য রাজ্যে হয়তো এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হতে পারে।


টিকা গ্রহণে সক্ষম প্রাপ্ত-বয়স্ক জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ টিকা গ্রহণের পর স্টেট ও টেরিটোরিগুলোকে তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী লকডাউন ও সীমান্ত নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে ফেডারাল সরকার।

ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া নিয়ে তারা বিশেষভাবে চিন্তিত। কারণ, এই রাজ্যটি সীমান্ত নিষেধাজ্ঞাগুলো বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাদের অধিকার সংরক্ষণ করছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের মতো তাদের যদি সংক্রমণ-সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তাহলে তারা সীমান্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিবে না।

ট্রেজারার জশ ফ্রাইডেনবার্গ বলেন, প্রত্যেকটি রাজ্য ও টেরিটোরিকেই ন্যাশনাল কেবিনেটে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে।

১৬ বছর ও এর চেয়ে বেশি বয়সীদের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশকে টিকা প্রদানের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। গ্রিনস নেতা অ্যাডাম ব্যান্ডট আহ্বান জানিয়েছেন, শিশুদেরকে, স্থানীয় আদিবাসীদেরকে এবং প্রতিবন্ধীদেরকে টিকা প্রদানের জন্য। নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নেওয়ার পর তারা যেন সুরক্ষা লাভ করে, সেজন্য।

প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, অসহায় গোষ্ঠীগুলোর জন্য বিভিন্ন সুযোগ রাখা হবে।

ভিক্টোরিয়ায় প্রতিদিনই সংক্রমণ-সংখ্যা বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল অ্যান্ড্রুজ। তাই, সেখানে সবকিছু পুনরায় খুলে দিতে এখনও কয়েক মাস সময় লাগবে।

ভিক্টোরিয়া এখন তাদের কোভিড-জিরো লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়টি বাদ দিয়েছে। মিস্টার অ্যান্ড্রুজ বলেন, তাদের নজর এখন কেস-সংখ্যা কমানো এবং টিকাদানের হার বাড়ানোর দিকে।

শুক্রবার থেকে ১২ বছরের কম-বয়সী শিশুদের জন্য খেলার মাঠগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে, তাদের সঙ্গে মাস্ক পরিহিত একজন অভিভাবক থাকতে হবে।

স্কুলের বয়সী সন্তানদেরকে বেবিসিটারের কাছে রাখতে পারবেন অনুমোদিত কর্মীরা। মোটামুটিভাবে, ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্যান্য সকল নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে। আশা করা হচ্ছে যে, ঐ সময়ের মাঝে ভিক্টোরিয়ায় ১৬ বছর ও এর বেশি বয়সীদের ৭০ শতাংশ লোক অন্তত তাদের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করবেন।

শুধুমাত্র তখনই বিদ্যমান পাঁচ কিলোমিটারের মাঝে ভ্রমণ-সীমা বর্ধিত করে ১০ কিলোমিটার করা হবে। আর, ঘরের বাইরে দৈনিক তিন ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যায়াম ও শরীর-চর্চার অনুমতি দেওয়া হবে।

ভিক্টোরিয়া সরকার বলছে, আগামী তিন সপ্তাহে সেখানে ৭০,০০০ অ্যাস্ট্রাজেনিকা ভ্যাকসিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া যাবে।

চিফ হেলথ অফিসার প্রফেসর ব্রেট সাটন বলেন, যারা এখনও টিকা লাগান নি, তাদের বোঝা উচিত যে, ফাইজার ভ্যাকসিন পেতে এখন কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে।

নিউ সাউথ ওয়েলসের ১২ টি লোকাল গভার্নমেন্ট এরিয়া অফ কনসার্নের মেয়রগণ প্রিমিয়ার গ্লাডিস বেরেজিক্লিয়ানের প্রতি উষ্মা প্রকাশ করেছেন তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে রাজি না হওয়ায়। এই মেয়রদের মধ্যে বেশ কয়েকজন লেবার দলের সমর্থক।

ক্যান্টারবেরি-ব্যাংকসটাউন এর মেয়র খাল অ্যাসফোর বলেন, কঠোর লকডাউনের মাঝে মানুষ কী অবস্থায় আছে, সে বিষয়ে শুনতে চান না প্রিমিয়ার।

তাদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি না হওয়ায় প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন গ্লাডিস বেরেজিক্লিয়ান।

নিউ সাউথ ওয়েলসের মিনিস্টার ফর মাল্টিকালচারাল অ্যাফেয়ার্স, নাটালি ওয়ার্ড এসবিএস-কে বলেন যে, অন্যান্য মিটিংয়েরও ব্যবস্থা করা যায়।

কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারী নিয়ে আপনার ভাষায় বিদ্যমান স্বাস্থ্য ও সহায়তা সম্পর্কিত তথ্যাবলীর জন্য দেখুন: sbs.com.au/coronavirus

প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।

Follow SBS Bangla on FACEBOOK.


Latest podcast episodes

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Stream now