মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের চতুর্থ দিন শেষেই বাংলাদেশ জয়ের আশা শুরু করেছিল। ৫ উইকেটে ১৪৭ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছিল নিউজিল্যান্ড।
বুধবার খেলার পঞ্চম ও শেষ দিনে মাত্র ২২ রান তুলতেই বাকি ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানে অলআউট হয় নিউজিলান্ড। ফলে জয়ের জন্য ৪০ রানের সহজ লক্ষ্য পায় বাংলাদেশ। ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তাদের কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছে।
তবে বিদেশের মাটিতে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয় নয়। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের মাটিতে জিতছিল বাংলাদেশ, তবে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এটি তাদের প্রথম জয়।

করোনাভাইরাস নিয়ে সৃষ্ট শংকা এবং অনিয়শ্চয়তার এই সময়ে কিছুটা হলেও যেন আনন্দের উপলক্ষ পেলো অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। কারণ খেলাটি হয়েছে প্রতিবেশী দেশ নিউজিল্যান্ডে। বাংলাদেশের এই অবিস্মরণীয় জয়ে কী বলছেন তারা ?
বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার এবং মেলবোর্নের ক্রীড়া সংগঠক মোহাম্মদ মুস্তাদির লিটু বলেন, এই জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
মেলবোর্নের একজন ক্রিকেটপ্রেমী ফাইজুল ইসলাম বলেন, টেস্টের দ্বিতীয় দিন থেকে যখন তিনি দেখলেন বাংলাদেশ একটা শক্ত অবস্থানে রয়েছে, তখন তিনি বেশ আশাবাদী হয়ে খেলাটি দেখতে শুরু করেন।
সিডনীর ক্রীড়া সংগঠক মামুন রাশিদ বলেন, এই জয় আমাদের দেখিয়ে দিলো তরুণরা ইচ্ছা করলে কোন কিছুতে কীভাবে পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

সিডনীর বাসিন্দা বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটার এবং এই টেস্ট জয়ের অন্যতম নায়ক এবাদতের এক সময়ের টিমমেট আরিফুল হাসান সবুজ বলেন, এবাদত অনেক পাওয়ারফুল বোলার, তাকে নিয়ে ক্রিকেট বোর্ড অনেক আশাবাদী ছিল। কারণ সে অনেকক্ষণ বল করতে পারে।
মেলবোর্নের বাসিন্দা পাভেল রহমান বাংলাদেশের বিজয়ে এতটাই আনন্দিত যে তিনি তার কাজ থেকে ছুটি নিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জয় নজর কেড়েছে মেলবোর্নের খুদে ক্রিকেটার আরশান মাজহারেরও। মেলবোর্নের একটি ক্লাবের অনুর্দ্ধ-১১ দলের এই খেলোয়াড় এসবিএস বাংলাকে জানায় বাংলাদেশের জয়ে সে ভীষণ অনুপ্রাণিত।
পুরো প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন রেডিওতে, এসবিএস বাংলা রেডিও অ্যাপ-এ এবং আমাদের ওয়েবসাইটে, প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত। রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: https://www.sbs.com.au/language/bangla/program
আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে।
আরও দেখুন:








