গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো
- নিউ সাউথ ওয়েলস সরকার প্রতি দুসপ্তাহে ২৫০ জন করে শিক্ষার্থীকে অনুমতি দিতে পারে।
- বিদেশি শিক্ষার্থীদের তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দ্বারা নির্বাচিত করা হবে 'বেশ কিছু মানদণ্ডের' ওপর এবং ব্যক্তিগত পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে।
- স্টেট থেকে পরিকল্পনাটি ফেডারেল সরকারের নিকট পেশ করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই রিভিউ প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এ বছরের মাঝামাঝি সময়ের পর একটি পাইলট প্রোগ্রামের অধীনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা শীঘ্রই নিউ সাউথ ওয়েলসে আসতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।
একটি ট্রায়ালের অংশ হিসেবে নিউ সাউথ ওয়েলস সরকার প্রতি দুসপ্তাহে ২৫০ জন করে শিক্ষার্থীকে স্বাগত জানাতে পারে।
স্টেট ট্রেজারার ডমিনিক পেরোটেই বলেন, আসার পর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা অন্যান্য আন্তর্জাতিক যাত্রীদের মতোই একই নিয়মে করোনার জন্য নির্ধারিত বিশেষ ছাত্রাবাসে কোয়ারেন্টিনে থাকবে।
তিনি বলেন, এই পরিকল্পনা নিরাপদ এবং দেশের মধ্যে প্রথম।
রাজ্য সরকার বলছে বিদেশি শিক্ষার্থীদের তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দ্বারা নির্বাচিত করা হবে 'বেশ কিছু মানদণ্ডের' ওপর এবং ব্যক্তিগত অবস্থার ওপর ভিত্তি করে। এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে উচ্চতর ডিগ্রীতে গবেষণার শিক্ষার্থীদের।
এই পরিকল্পনায় অর্থ যোগান দেবে এডুকেশন ইন্ডাস্ট্রি এবং রাজ্য সরকার প্রশাসনিক এবং পরিচালনাগত সহায়তা দেবে।
রাজ্যের ভাইস চান্সেলরস কমিটির কনভেনর প্রফেসর বার্নি গ্লোভার এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
এদিকে সিডনির একটি আরবান পলিসি রিসার্চ সেন্টারও এই পরিকল্পনাটি স্বাগত জানিয়েছে, তারা বলেছে স্থানীয় অর্থনীতিকে জোরদার করতে এটির খুবই দরকার ছিল।

কমিটি ফর সিডনি ডেপুটি সিইও এহসান ভিসজাদেহ বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার অনুমতি দেয়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বিজনেস কাউন্সিল অফ অস্ট্রেলিয়ার চীফ এক্সেকিউটিভ জেনিফার ওয়েস্টাকোট বলেন, যাদের ব্যবসা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল তাদের জন্য এই প্রস্তাবনা আশা জাগায়।
মিজ ওয়েস্টাকোট আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্য ভুলে নিউ সাউথ ওয়েলসে আসার আহবান জানান।
ট্রেজারার পেরোটেই বলেন, স্টেট থেকে পরিকল্পনাটি ফেডারেল সরকারের নিকট পেশ করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে তারা কিছুদিনের মধ্যেই রিভিউ আশা করছেন।
ফেডারেল এডুকেশন মিনিস্টার এলান টাজ এসবিএস নিউজকে বলেন, তিনি নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে একটি প্রস্তাবনা পেয়েছেন যেখানে কম সংখ্যায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রস্তাবটি দেখে মনে হচ্ছে এটি নির্ধারিত মানদন্ড পূরণ করবে, এবং এর বিস্তারিত সতর্কতার সাথে বিবেচনা করা হবে।
তবে মিঃ টাজ বলেন, যদিও তিনি চান যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসুক, কিন্তু তিনি এটাও চান না যে অস্ট্রেলিয়ায় আবারো কোভিড ঝুঁকি তৈরী হোক।
এদিকে ভার্জিন এয়ারলাইনসও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।
পুরো প্রতিবেদনটি বাংলায় শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।
এসবিএস বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান শুনুন প্রতি সোমবার এবং শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় এবং আরও খবরের জন্য আমাদের ফেইসবুক পেইজটি ভিজিট করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
আরও দেখুনঃ











