বিরোধী দল দৈনন্দিন জীবনযাত্রার খরচ কমানোর জন্য আরও পদক্ষেপের জন্য চাপ প্রয়োগ করছে, অন্যদিকে ক্লাইমেট বিল পাশ হলেও এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে তারা।
সুদের হার ৫০ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছে যা প্রত্যাশিত ছিল, এটি এখন দাঁড়িয়েছে ১.৮৫ শতাংশে।
ট্রেজারার জিম চালমার্স এই খারাপ খবরের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন যে, "অর্থনীতিতে আমরা কঠিন সময়ের মধ্যে আছি কিন্তু আমরা আত্মবিশ্বাসী যে আমরা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠব।"
এদিকে প্রধানমন্ত্রীও বিব্রত, তিনি চ্যানেল নাইনকে বলেন, সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের।
সরকার এখন অক্টোবরের বাজেট নিয়ে কাজ করছে, যেখানে চাইল্ড কেয়ার, জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিনিয়োগ এবং জীবনযাত্রার খরচ কমাতে নীতিগুলি পর্যালোচনা করা যাতে পরিবার এবং ব্যবসার জন্য দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা দেয়া যায়।
তবে বিরোধীদলীয় নেতা পিটার ডাটন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন "আমরা জানি এই সরকারের শুরু থেকেই কোনো পরিকল্পনা নেই।"
কোয়ালিশন জোট যা নিয়ে চাপ দিচ্ছে তা হল জ্বালানি আবগারি কমানোর কর্মসূচী আরো কিছু দিন বাড়ানো।
এই কর্মসূচীটি প্রাক্তন সরকার প্রয়োগ করেছিল, জ্বালানি কর প্রতি লিটারে ৪৪ সেন্ট থেকে অর্ধেক করে ২২ সেন্টে কমিয়ে এনেছিল এবং এর মেয়াদ সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে শেষ হওয়ার কথা।
লিবারেল সিনেটর জেমস প্যাটারসন জ্বালানি আবগারি কমানোর কর্মসূচীটি প্রসারিত করার ব্যাপারে অনড় ছিলেন।
তবে বিরোধী দলের সবাই এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়, ট্রেজারি মুখপাত্র অ্যাঙ্গাস টেলর এতে তেমন উৎসাহ দেখাননি।
তবে সরকার নিশ্চিত করেছে যে তারা এই কর্মসূচী বাড়ানোর কথা ভাবছে না, এতে অতিরিক্ত ছয় মাসে রাজস্ব কমবে প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার।
এদিকে সরকারের জলবায়ু পরিবর্তন বিল নিয়ে পার্লামেন্টে বিতর্কের পর বিলটির বিরুদ্ধে বিরোধী দল ভোট দিলেও এটি পাশ হয়। বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ৮৯, এবং এর বিপক্ষে পড়ে ৫৫টি।
২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা ৪৩ শতাংশে কমিয়ে আনার বিষয়টি গ্রিনস সমর্থন দিয়েছে।
তবে মডারেট লিবারেল ব্যাকবেঞ্চার অ্যান্ড্রু ব্র্যাগ বলেছেন যে তার দলকে একটি বিকল্প নীতি তৈরি করতে হবে, এবং যেটি হবে গত নির্বাচনের চেয়ে বেশি উচ্চাভিলাষী।
প্রতিবেদনটি বাংলায় শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।




