SKIP TO MAIN CONTENT

চীন ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্কের তিক্ততা বাড়ছে

Chinese Foreign Ministry new spokesman Zhao Lijian
Chinese Foreign Ministry new spokesman Zhao Lijian Source: AP Photo/Andy Wong

চীন অস্ট্রেলিয়াকে তার দেশের সাংবাদিকদের হয়রানির জন্য অভিযুক্ত করেছে এবং এটাকে "নির্লজ্জ অযৌক্তিক কাজ" বলে অভিহিত করেছে।অস্ট্রেলিয়ান সাংবাদিকদের সাথে চীনের সাম্প্রতিক আচরণ নিয়ে বিরোধের মধ্যে এটি এসেছে। প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও লিংকটিতে ক্লিক করুন।


Published

Presented by Abu Arefin

Source: SBS


Skip to podcast episode content

চীন অস্ট্রেলিয়াকে তার দেশের সাংবাদিকদের হয়রানির জন্য অভিযুক্ত করেছে এবং এটাকে "নির্লজ্জ অযৌক্তিক কাজ" বলে অভিহিত করেছে।অস্ট্রেলিয়ান সাংবাদিকদের সাথে চীনের সাম্প্রতিক আচরণ নিয়ে বিরোধের মধ্যে এটি এসেছে। প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও লিংকটিতে ক্লিক করুন।


অস্ট্রেলিয়া এবং চীনা সাংবাদিকদের হয়রানির অভিযোগের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও চীনের সম্পর্ক আরও তিক্ততা বাড়লো।

দুজন অস্ট্রেলিয়ান সাংবাদিক বিল বার্টলস এবং মাইকেল স্মিথকে জোর পূর্বক চীন ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করার পরই কূটনৈতিক টানপোরণ শুরু হয়েছে ।চীনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝা লিজিয়ান অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চারটি চীনা সাংবাদিকের বাড়িতে অভিযান চালানোর অভিযোগ তুলছেন।

মিঃ ঝাও অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক সাংবাদিকদের উপর জুনের শেষ দিকে অভিযান চালিয়েছিলেন বলে প্রকাশ করেছেন।তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থা এএসআইও কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, শিশুদের ট্যাবলেট এবং খেলনা জব্দ করেছে।

ওই অভিযানগুলি নিউ সাউথ ওয়েলস এম-পি শওকেট মোসেলম্যান এর বিদেশী হস্তক্ষেপ তদন্তের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সন্দেহযুক্ত যোগাযোগের কারণে লেবার ব্যাকব্যাঞ্চারকে সংসদ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল, যিনি ২০১৭ সালে anti-foreign interference laws আইন প্রবর্তন করেছিলেন, তিনি বলেন যে অস্ট্রেলিয়ান সাংবাদিকদের উপর চীনের ক্র্যাকডাউন হচ্ছে এক প্রকার প্রতিশোধ।মিঃ টার্নবুল এ-বি-সি-কে বলেন যে চীন-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ক অতীব গুরুত্বপূর্ণ - তবে অস্ট্রেলিয়ার অধিকার রয়েছে যে অন্য দেশগুলিকে তার বিষয়ে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত রাখার।

লেবার ছায়া মন্ত্রী ক্রিস বোয়েন অস্ট্রেলিয়ান সাংবাদিক চেং লেকে আটক করার বিষয়ে নতুন করে চীনের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মিঃ বোয়েন অস্ট্রেলিয়ান সিকিউরিটি অফিসিয়ালদের পদক্ষেপের পক্ষে তার সমর্থন জানান।

বেইজিংয়ের এই ব্যবস্থার প্রেক্ষিতে দুই শীর্ষস্থানীয় চীনা শিক্ষাবিদদের অস্ট্রেলিয়ান ভিসা বাতিল করা হয়েছে।অধ্যাপক চেন হং বলেন যে তিনি মিঃ মোসেলম্যানের বন্ধু - উভয়ই কোনো অন্যায় করেননি বলে বলেন।অধ্যাপক চেন সাক্ষাৎকার দিতে চাননি, তবে একটি বিবৃতিতে তার ভিসা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।

 


Latest podcast episodes

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Stream now