ভারত-বাংলাদেশ চলতি দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলির সঙ্গে ইউক্রেন পরিস্থিতি এবং ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহযোগিতা নিয়ে এস জয়শঙ্কর ও শেখ হাসিনার কথা হবে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরই ভারত সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পাশাপাশি, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে নতুন দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশ জয়েন্ট কনসাল্টেটিভ কমিটির বৈঠক হবে মে মাসের শেষে। এরপর জুনে গুয়াহাটিতে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ডায়ালগ। সেখানে পার্শ্ববৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের মুখোমুখি বসবেন এস জয়শঙ্কর।
খবর, এ বছরের দ্বিতীয়ার্ধ্বে ভারত সফরে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পাশাপাশি, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর কথা হবে অতিমারি-পরবর্তী বিশ্বে সহযোগিতা নিয়েও। কূটনৈতিক সূত্রের বক্তব্য, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফর হাসিনার সম্ভাব্য ভারত সফরের প্রস্তুতির জন্যও বটে।
এর আগে, নতুন দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশনে আয়োজিত মৈত্রী দিবসের লোগো বাছাই সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিদেশসচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। তাঁর কথায়, ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্কে সোনালী অধ্যায় চলছে। তাদের পরিকল্পনা একে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।
এদিকে ভারতে, দেশে সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খোলা চিঠি লিখেছেন অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের একাংশ। প্রধানমন্ত্রী মোদিকে লেখা ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ১০৮ জন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস, আইএফএস এবং আইআরএস অফিসার। তারা চিঠিতে লিখেছেন, দেশে ঘৃণায় ভরা ধ্বংসাত্মক এক উন্মত্ততা প্রত্যক্ষ করছি আমরা। কেবল মুসলিম কিংবা অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ই নয়, বলিদানের বেদিতে আজ সংবিধান নিজেই। তাদের দাবি, ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক নীতিকেই যেন লঙ্ঘিত করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে হওয়া সাম্প্রতিক অশান্তির ঘটনায়। আর এই প্রসঙ্গেই ওই আমলাদের অভিযোগ, এই বিরাট সামাজিক সংকটের সময়ে আপনার নীরবতা আমাদেরকে বধির করে দিচ্ছে।
অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লিখিত হয়েছে বুলডোজার শব্দটি। এপ্রিলে দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী-সহ গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের পরে যেভাবে বুলডোজারের সাহায্যে বহু স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তারও নিন্দা করা হয়েছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়দের দিকে লক্ষ্য রেখে রাজনৈতিক অভিসন্ধি থেকেই এমনটা করা হয়েছে।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন রেডিওতে, এসবিএস বাংলা রেডিও অ্যাপ-এ এবং আমাদের ওয়েবসাইটে, প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত। রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: এসবিএস বাংলা
আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে।
