নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সাবেক লিবারাল এমপি ডেরিল ম্যাগোয়ারের বিরুদ্ধে “ক্যাশ-ফর-ভিসা” স্কিমে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তদন্ত করছে হোম অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট।
ওয়াগা ওয়াগার সাবেক এই এমপি গত সপ্তাহে নিউ সাউথ ওয়েলস অ্যান্টি-করাপশন কমিশনকে বলেন, তিনি তার পাবলিক অফিস ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করেছেন, তিনি ভিসা স্কিমের মাধ্যমে হাজার হাজার ডলার গ্রহণ করেছেন।
সোমবার সকালে একটি সিনেট এস্টিমেট কমিটির সামনে হোম অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি মাইক পেজুল্লো প্রকাশ করেন যে, তার ডিপার্টমেন্টের প্রতি ভিসা বিষয়ে মিস্টার ম্যাগোয়ার যে প্রতিনিধিত্ব করেছেন সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মিস্টার পেজুল্লো বলেন, মূল কারণ বের করার জন্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট কমিশন অ্যাগেইনস্ট করাপশন (ICAC) একটি “সমান্তরাল” তদন্ত পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন,
“এই কেসটি যে-রকম, ফেডারাল, স্টেট এবং টেরিটোরির প্রতিনিধি সদস্যরা মাঝে-মধ্যে সরাসরি ডিপার্টমেন্টে প্রতিনিধিত্ব করেন। তারা আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন কিংবা ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন কিংবা সংসদে ফেডারাল সদস্যের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন।”
নিউ সাউথ ওয়েলস করাপশন ওয়াচডগ গত সপ্তাহে শুনেছে যে, চায়নিজ ন্যাশনালদের ভিসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে কতিপয় রিভারিনা কোম্পানিকে একজন মাইগ্রেশন এজেন্টের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন মিস্টার ম্যাগোয়ার।
মিস্টার পেজুল্লো বলেন, তার ডিপার্টমেন্ট খতিয়ে দেখছে যে, এই স্কিমের সঙ্গে কতগুলো ভিসা সংশ্লিষ্ট এবং যারা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাদের সম্ভাব্য সাজা সম্পর্কে।
তিনি বলেন,
“আমি নিশ্চিত যে, কতগুলো ভিসা এর সঙ্গে জড়িত, কতজন লোক এর সঙ্গে সংশ্লিস্ট এবং কত সময় ধরে এগুলো ঘটেছে, সেসব তথ্য আমরা পাব।”
“আমি আপনাকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো, স্বাধীনভাবে এবং যে কোনো ঘটনায়।”
তিনি বলেন, এ ধরনের স্কিমের ফলে মাইগ্রেশন সিস্টেমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।
এই স্কিমের অধীনে, ভিসা আবেদনকারীরা তাদের প্রথম তিন মাসের বেতন এবং ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত কমিশন প্রদান করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
মিস্টার ম্যাগোয়ার অ্যান্টি-করাপশন কমিশনকে বলেন, ব্যবসাগুলো কর্মীদেরকে আশ্রয় এবং প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এরপরে তাদেরকে বেতন ফেরত দিয়েছে।
তদন্ত কমিটি একাধিকবার শুনেছে যে, মিস্টার ম্যাগোয়ার তার সংসদীয় অফিসে এই স্কিমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাজার হাজার ডলার নগদ গ্রহণ করেছেন।
কমিশনার রুথ ম্যাককোলকে তিনি বলেন, ২০১৩ সালের শুরুর দিকে তিনি সন্দিগ্ধ হন যে, এই প্রক্রিয়াটি আইনানুগ ছিল না।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
