মুসলমান হিসেবে প্রথমবারের মতো মিস ইংল্যান্ডের মুকুট জয়ের স্বপ্ন দেখছেন আইনের ছাত্রী সারা ইফতেখার। তবে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। এজন্য তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে বাকি ৪৯ জন প্রতিযোগীর সঙ্গে।
এই প্রতিযোগিতার মুখপাত্র অ্যাঞ্জি বেসলি ডেইলি মেইলকে বলেন,
“আজকের ইংল্যান্ড কেমন সেটাই প্রমাণ করে মিস ইংল্যান্ড।”

বিশ বছর বয়সী সারা ইফতেখার ইতোমধ্যে মিস হাডার্সফিল্ড শিরোপা জয় করেছেন। পেশায় তিনি মেকাপ-আর্টিস্ট। সামাজিক-যোগাযোগ-মাধ্যমে মাঝে মাঝে তিনি পাকিস্তানের ট্রাডিশনাল পোশাক পরা ছবি প্রকাশ করে থাকেন। ষোল বছর বয়স থেকেই তিনি পোশাকের ব্যবসা করেন।
তিনি বিবিসিকে বলেন,
“আমি হয়তো হিজাব পরা প্রথম নারী। যাহোক, আমি খুবই সাধারণ এবং প্রতিযোগিতায় আমাদের সবার সমান সুযোগ রয়েছে।”
“আমি যদি নিজেকে আবৃত করতে চাই এবং ভদ্রভাবে পোশাক পরতে চাই তাহলে তা নিয়ে হইচই হবে কেন? বাকি সব প্রতিযোগীর মতো আমিও একজন প্রতিযোগী।”
প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হয় জুলাই মাসে। প্রথম ধাপে ছিল স্পোর্টস বিচ বিউটি, টপ মডেল, বিউটিফুল মাইন্ড এবং পাবলিসিটি রাউন্ডস।
দি ইনডিপেন্ডেন্ট অনলাইন নিউজপেপারে ইকরা চৌধুরী লিখেন,
“সৌন্দর্য নানাভাবে প্রকাশিত হয়। হিজাব পরিহিত মুসলিম নারীও সুন্দর হতে পারে।”
“মিস ইংল্যান্ডের ফাইনালে সে এসেছে। এটি এমনই একটি বিষয় যা নিয়ে মুসলমান সম্প্রদায় এবং নারীরা আনন্দ প্রকাশ করতে পারে।”
২০১৮ মিস ওয়ার্ল্ড ফাইনালস অনুষ্ঠিত হবে আগামী নভেম্বর এবং ডিসেম্বরে, চীনের সানিয়াতে।
