অস্ট্রেলিয়ান নিয়োগকারীদের কর্মক্ষেত্রে হয়রানির বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ,হাইকোর্টের প্রাক্তন এক বিচারপতির যৌন অসদাচরনের বিস্ফোরক সংবাদ প্রকাশের পরে এই আহ্বান জানানো হলো। একটি স্বাধীন তদন্তে দেখা গেছে দেশের শীর্ষ আইনী মনের একজন, ডাইসন হাইডন, ছয়জন জুনিয়র মহিলা কোর্ট কর্মীকে যৌন হয়রানি করেছেন।মিঃ হেইডন এসব দাবি অস্বীকার করেছেন।প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও লিংকটিতে ক্লিক করুন।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জন হাওয়ার্ড ২০০৩ সালে ডাইসন হাইডনকে হাইকোর্টে নিযুক্তি দেন। ডাইসন হাইডন প্রায় এক দশক অতিবাহিত করেছিলেন বহু হাই-প্রোফাইলের মামলার প্রধান হিসাবে।এক মাসব্যাপী স্বতন্ত্র তদন্তের পর এখন অবসরপ্রাপ্ত ওই বিচারকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের একটি civil lawsuit এর মুখোমুখি হচ্ছেন।
সোমবার এক বিবৃতিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুসান কিফেল [[কেফ-এল]] নিশ্চিত করেছেন যে সাবেক বিচারপতি ছয়জন নারীকে হয়রান করেছেন, যারা সাবেক বিচারকের সহযোগী ছিলেন।
ডাইসন হেইডনের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবীরা বলেন যে যৌন আচরণ বা আইন লঙ্ঘনের কোনও অভিযোগ অবশ্যই অস্বীকার করা হয়েছে।
হাইকোর্ট বলছে যে এই মহিলাদের অভিযোগ করার অভিজ্ঞতা পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করতে তারা যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে গেছে।
এই অভিযোগ দায়েরের জন্য আরও ভাল প্রক্রিয়া সহ ছয়টি সুপারিশ গৃহীত হয়েছে।
Law Council of Australia president Pauline Wright বলেন, আইনী পেশার মধ্যে বিস্তৃত সাংস্কৃতিক সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক কিছু করা দরকার।
Sex Discrimination Commissioner Kate Jenkins বলেন যে তিনি এখন ডাইসন হাইডন মামলায় মন্তব্য করতে পারেন না, তবে এটি স্বীকৃতি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ যে যে কোনও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি হতে পারে।
তিনি নিয়োগকারীদের হয়রানি রোধ করতে শক্তিশালী নীতিমালা প্রয়োগ করতে এবং ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা ব্যবস্থা উন্নত করার আহ্বান জানান।
মিঃ হেইডনের বিরুদ্ধে যে ছয় মহিলা অভিযোগ করেছিল তাদের মধ্যে তিনজন প্রাক্তন বিচারপতি ও কমনওয়েলথের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।





