সম্প্রতি প্রকাশিত স্ক্যানলন রিপোর্ট থেকে দেখা যায় যে, অস্ট্রেলিয়ান জীবনধারা এবং সংস্কৃতিতে গর্ববোধ করে এমন লোকের সংখ্যা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে, এমনকি অস্ট্রেলিয়াকে নিজের ঘর ভাবেন এমন লোকের সংখ্যাও আগের তুলনায় কম।
এদিকে ব্যাঙ্কিং এবং আর্থিক পরিষেবা সংস্থা আইএনজি তাদের ২০২৩-এর সেন্স অফ আস রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যেখানে একটি জরীপে অংশগ্রহণকারীরা বলছে যে, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার কারণে প্রাত্যহিক কেনাকাটা এবং ব্যক্তিগত ব্যয় হ্রাস করতে হচ্ছে যা এখন স্বাভাবিক বিষয়।

রিপোর্টে আরো দেখা যায় যে, আশি শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলছেন যে তারা খাবারের কেনাকাটায় কম খরচ করছেন, যেখানে পাঁচজনের মধ্যে একজন বলছেন যে তারা বাড়িতে চুল কেটে অর্থ সাশ্রয় করেন।
তবে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা কী অবস্থায় আছে সে বিষয়টি নিয়ে নেই তেমন কোন সমীক্ষা। ধরেই নেয়া হয় তারা যখন অস্ট্রেলিয়ায় আসেন, তখন তারা তাদের আর্থিক সক্ষমতা দেখিয়েই এসেছেন।
অনেক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মত বাংলাদেশ থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থী এই কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কীভাবে মানিয়ে নিচ্ছেন সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি সিডনিতে বসবাসরত শিক্ষার্থী ফয়সল মোহাম্মদ বাশারের সাথে।
তার সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।
এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন রেডিওতে, এসবিএস বাংলা অডিও অ্যাপ-এ এবং আমাদের ওয়েবসাইটে, প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত।
রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: এসবিএস বাংলা।
আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে।












