এটাই বুঝি সার্বজনীন ভাষা! যেখানে বিষয়বস্তু বলে দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। একটা ছবিই পারে হাজারো শব্দের চিন্তাভাবনা আনতে। এটাই ছবির ক্ষমতা। কথায় আছে, ‘ছবি নিজেই কথা বলে’।
ইমরান আবুল কাশেম। মেলবোর্ন প্রবাসী বাংলাদেশী। ওয়েস্টএ্যান্ড ফটোগ্রাফির প্রতিষ্ঠাতা।
মেলবোর্নের উইন্ডহ্যাম কালচারাল সেন্ট্রাল কার পার্কে শুরু হওয়া 'সাদৃশ্য/বৈসাদৃশ্য' বিষয়ক আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে তার ছবি। ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত।
"ফটোগ্রাফির আলাদা ভাষা আছে। যা সবাই পড়তে পারে। সেটা হউক বাংলা, হিন্দী কিংবা আফ্রিকান," বলেছেন ইমরান।
FOLLOW US ON FACEBOOK

ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নিয়ে ফটোগ্রাফি করেন ইমরান। এবারের প্রদর্শনীতে স্থান পাচ্ছে, গাড়ির ড্যাশবোর্ডে স্থান পাওয়া নানা ছবি, প্রতিকৃতি বা বস্তু। যার মাধ্যমে প্রকাশ পায়, গাড়ির মালিকের রুচি, সংস্কৃতি, ধর্ম বা ভালোলাগা।
"এই প্রদর্শনীতে ছবি ছাড়াও আমার একটি বই বের হচ্ছে।"
ইমরান আরো বলেন, "আমি অস্ট্রেলিয়ার কৃষকদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রজেক্ট করছি। আমার মনে হয় বাংলাদেশের কৃষকদের মতই এখানকার কৃষকরাও একই রকম দুর্দশা পোহান।"

অস্ট্রেলিয়া আসার আগে পুরোদস্তুর সাংবাদিক ছিলেন ইমরান। কাজ করেছেন বাংলাদেশের দৈনিক সমকাল পত্রিকায়। যদিও ঢাকা নটরডেম কলেজে পড়া অবস্থাতেই হাতেখড়ি হয় ফটোগ্রাফিতে।

"সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা আমাকে সাহায্য করেছে একজন আলোকচিত্র শিল্পী হয়ে উঠায়। যার ধরুণ আমার আরো পছন্দের বিষয়, অনুসন্ধানী এবং তথ্যচিত্র ফটোগ্রাফি," বলেছেন ইমরান আবুল কাশেম।




