
১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি খেলা হয় দু’টি আলাদা বলে। প্রথমার্ধের বলটি দিয়েছিল আর্জেন্টিনা এবং দ্বিতীয়ার্ধের বলটি দেওয়া হয়েছিল উরুগুয়ের তরফ থেকে, যে বলটি ছিল প্রথমার্ধের বলের তুলনায় বেশি ওজনের এবং বড়।

১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপে বল সরবরাহের দায়িত্ব নেয় অ্যাডিডাস কোম্পানি। সে বছরের ম্যাচবলের নাম ছিল ’টেলস্টার’। এই বলটিকে সাদা-কালোয় তৈরি করা হয়েছিল যেন টিভির সাদা-কালো পর্দায় এটি ভালভাবে দেখা যায়। আটচল্লিশ বছর পর এই বল আবার নতুনভাবে ফিরে এল ‘টেলস্টার ১৮’ নাম নিয়ে। তবে, নামে মিল থাকলেও এ বারের বিশ্বকাপের এই বলটি টেকনিক্যালি আগের বলগুলোর তুলনায় ভিন্নতর।

ফুটবল খেলায় বলের ডিজাইনের গুরুত্ব, খেলার মাঠের ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, তাপমাত্রা ইত্যাদির সঙ্গে বলের গতি-প্রকৃতি কী রকম হয় এসব নিয়ে এসবিএস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন ড. ফিরোজ আলম। মেলবোর্নের আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস অ্যারোডাইনামিক্স সেন্টারের প্রধান তিনি। টেলস্টার ১৮ বলটির অ্যারোডাইনামিক্স নিয়ে গবেষণা করেছেন তিনি। সেজন্য ব্যবহার করেছেন আরএমআইটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল উইন্ড টানেল।

এসবিএস বাংলার সঙ্গে ড. ফিরোজ আলমের সাক্ষাৎকারটি বাংলায় শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.



