তারেক নূরুল হাসান: সম্প্রতি দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিলে গিয়ে বিখ্যাত অ্যামাজনের জঙ্গল ঘুরে এসেছেন মেলবোর্নের বাসিন্দা পাভেল সিদ্দিকী। অস্ট্রেলিয়া থেকে দক্ষিণ আমেরিকা যাত্রা ও ভ্রমণের বিভিন্ন দিক নিয়ে এসবিএস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছি আমি তারেক নুরুল হাসান। এখন শুনবেন সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্ব। [মিউজিক] পাভেল ভাই, আপনি বলছিলেন হোটেল বুকিংয়ের কথা। অনলাইনে বুকিং না দিয়ে স্থানীয় এজেন্টদের মাধ্যমে গিয়ে বুকিং দেয়াতে আপনাদের বেশ কিছু টাকা সেভ হয়েছে। তারপরে বলুন।
পাভেল সিদ্দিকী: অবশ্যই, এই দিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, ঠিক আছে আমরা এই ব্যাপারে ইয়ে করলাম, সেভ করলাম। তাহলে আমরা ওই টাকাটা অন্য দিকে আমরা স্পেন্ড করতে পারবো। তারপরে ওরা হোটেল থেকে পিকআপ করে, পিকআপ করে আমরা অ্যামাজন ফরেস্টের দিকে উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। তো, ওখান থেকে ম্যানাওস সিটিতে যেটিতে যাওয়ার পরে ক্লোজ টু দ্য সিটি, ইটস অ্যাবাউট টুয়েন্টি মিনিটস বাই কার। ওখান থেকে আমরা নৌকাতে করে যেহেতু কাম ওয়াটার স্পিড যদি বলেন তাহলে হতো টু এন্ড হাফ কিলোমিটার থেকে টু পয়েন্ট সেভেন কিলোমিটার মাইল পার আওয়ার, এই স্পিডে। তো, আমরা বোট নিলাম। মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। ওই সময়ে এক্সপেরিয়েন্স নিয়েছিলাম যে, প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। তো, আমরা অ্যামাজন ফরেস্টের যে গ্রাউন্ড আছে, এই গ্রাউন্ডে গেলাম। যাওয়ার পরে ওখান থেকে বাসে, ছোট মাইক্রোবাস ছিল, ফর হুইল ফোর বাই ফোর। উঠতে করে প্রায় আমরা চার থেকে পাঁচ ঘন্টা জার্নি করেছি, অ্যাবাভ নাইনটি কিলোমিটার ইনটু দ্য ফরেস্ট। ফরেস্টে যাওয়ার পরে ওখান থেকে আবার আরেকটা বোট নিয়ে তারপরে আমরা মেইন পয়েন্টে গিয়েছিলাম আরকি। কোয়াইট জার্নি ছিল আরকি।
তারেক নূরুল হাসান: খুবই চ্যালেঞ্জিং জার্নি শুনে মনে হচ্ছে।
পাভেল সিদ্দিকী: জি, আমাদের গ্রুপে সাত জনের মতো ছিলাম আমরা। এটা খুবই ইয়ে ছিল, ভিতরে খুবই ইয়ে মনে করতেছিলাম যে, আসলে কি দেখবো, কি আছে? অ্যানিম্যাল ব্যাপার জানেন তো যে অনেক মানে ওয়াইড রেঞ্জ অফ অ্যানিম্যাল ওখানে এক্সিস্ট করে। ইন্ডিজিনিয়াস পিপল বসবাস করতেছে, প্লাস হচ্ছে আমরা যেখানে গিয়েছিলাম সেখানে কোয়াইট টুরিস্ট এরিয়া, টুরিস্টদের জন্য অ্যাকোমোডেশনের ব্যবস্থা আছে। এখানে কিছু ব্যাপার যেটা বলি, যেমন হচ্ছে আমরা ফেমাস কিছু জিনিসপত্র আমি বলতে পারবো। সেটা হচ্ছে যে, পিংক ডলফিনের কথা আসি। পিংক ডলফিন কিন্তু ইটস রেয়ারেস্ট ডলফিন এবং এটা ফ্রেশ ওয়াটার ডলফিন আরকি। আমার ভাগ্য হয়েছিল পিংক ডলফিনের সাথে সময় স্পেন্ড করা। ওখানে দে আর লিভিং লাইক এ নেইবারহুড। তো, ওদেরকে ডাকার জন্য কতগুলো পদ্ধতি অবলম্বন করে, যেমন দে হিট দ্য বিগ স্টিক, লাইক উডেন স্টিক টু দ্য ওয়াটার। তো, এই যখন হিট করার পরে তখন ওয়েট করে, তখন ডলফিন আসে। সেটা হচ্ছে কিন্তু আপনার নৌকাতে করে আপনার প্রায় দুই ঘন্টার মতো ইয়েতে যেতে হয় আরকি, জেটি থেকে ভিতরে যেতে হয়। এখানে কিন্তু দুইটা রিভার এক্সিস্ট করে অ্যামাজন ফরেস্টে। যেটা হচ্ছে, অ্যামাজন ফরেস্টের মধ্যে যে রিভারটা আছে সেটা বলা হচ্ছে যে, রিও নেগ্রো, নেগ্রো রিভার বা ব্ল্যাক রিভার। হ্যাঁ, কারণ এটার এই ওয়াটারের কালার হচ্ছে কফি কালারের মতো, ডার্ক কফি কালারের মতো। এটার কারণটা হচ্ছে যে, আপনি অ্যামাজনের ফরেস্টে যে পাতাগুলো পড়ে, পাতাগুলো সব পচে যায়। পচে যাওয়ার পরে পানিতে মিশে, মিশে মিনারেল মিশে, মিশার পরে এই কালারটা ধারণ করে। এর মানে ডাজন্ট মিন দ্যাট দ্য ওয়াটার ইজ ডার্টি। ওয়াটারের যে টেম্পারেচার, টেম্পারেচার টুয়েন্টি এইট ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড টেম্পারেচার এবং আই হ্যাভ সিন লাইক এ কাম ওয়াটার এভার ইন মাই লাইফ। যাই হোক, আমরা মিক্সিং ওয়াটারের একটা বিষয় আছে। আচ্ছা, আমি পিংক ডলফিনের ইয়েটা ফিনিশ করি। তো, পিংক ডলফিনের সাথে এটা আমার খুবই অ্যামেজিং ইয়ে ছিল। ওরা খুবই ফ্রেন্ডলি। আসার পরে পিছন থেকে ইয়ে করে যে, খাওয়ার জন্য এবং ওদেরকে মাছ যখন দেয়া হয়, মাছ দেওয়ার একটা পদ্ধতি আছে যেন মাছটা যেন সোজা তাদের গলার মধ্যে না চলে যায়। এমনভাবে থ্রো করতে হবে যেন ওরা ওই জিনিসটাকে ওরা ক্যাচ করতে পারে বা বাইট করতে পারে। না হলে ও তো থ্রোটে স্টাক হয়ে যেতে পারে। এটা অনেক সময় ডলফিন মারা যেতে পারে। ও খুবই ফ্রেন্ডলি, পিপল আর ভেরি ফ্রেন্ডলি। তো, নেক্সট আসলাম হচ্ছে ওয়াটারের ব্যাপারটা। ওয়াটার মিক্সিং একটা পয়েন্ট আছে, সেটা হচ্ছে ম্যানাওস সিটির যে জেটি আছে, যেটি থেকে খুবই ক্লোজ, ইট টেকস অ্যাবাউট ফিফটিন মিনিটস। তো, দুইটা রিভার এসে এক জায়গাতে মিলিত হচ্ছে। তো, প্রথমে বললাম যে, ব্ল্যাক রিভারের ব্ল্যাক ওয়াটার, তার টেম্পারেচার হচ্ছে ডিফারেন্ট টুয়েন্টি এইট ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড টেম্পারেচার। আরেকটা হচ্ছে, ওয়াটারটা আসছে অ্যান্ড্রেজ মাউন্টেন থেকে, বলে যে রিও সোলিমোস। তো, ওয়াটারের কালারটা হচ্ছে স্যান্ডি কালার, মানে ক্লোজ টু রেড এন্ড স্যান্ডি, এরকম একটা কালার। এর টেম্পারেচার, ওয়াটারের টেম্পারেচার এগেইন ডিফারেন্ট লাইক টুয়েন্টি টু ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড টেম্পারেচার বা টুয়েন্টি ডিগ্রি সেন্টি টেম্পারেচার। তো, দুইটার টেম্পারেচার ওয়াটার এসে এক জায়গাতে মিলিত হচ্ছে এন্ড দে ডোন্ট মিক্স ইজিলি, ইট টেকস টাইম। কারণ দুইটা ওয়াটারের মিনারেলের ডিফারেন্স। সো, এটা একটা টুরিস্ট অ্যাট্রাকশন বলতে পারেন, যে পিপল হ্যাভ বিন টু সি উইথ ওন আইস। আচ্ছা, নেক্সটে যেটা বলতে পারি যে, ওখানে ইন্ডিজিনাস কিছু লোকজনের সাথে আমাদের মিলিত হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। স্টিল দে আর হান্টিং ফর লাইফ। দুই একটা নাম যেমন হচ্ছে টাইপো, মুরা। মুরা ব্রাজিলের এবং অ্যামাজন ফরেস্টের ব্যাপারটা তারেক ভাই যে, বিশ পার্সেন্ট, বিশ শতাংশ অক্সিজেন সাপ্লাই দেয় ফর দ্য হোল ওয়ার্ল্ড এবং অ্যামাজন ফরেস্টের যে ইম্পোর্টেন্স এটা কিন্তু যেমন হচ্ছে আমরা এ্যাসেবেরি কথা বলি, এ্যাসেবেরি ট্রি। এতদিন ধরে এ্যাসেবেরি খেয়ে অস্ট্রেলিয়াতে এত পপুলার, এভরিহোয়্যার এ্যাসেবেরি স্মুথি এবং এ্যাসেবেরি টি আমি নিজের চোখে দেখে আসছি এবং ইটস নট ইজি টু হার্ভেস্ট। কারণ অনেক ট্রি এবং অ্যামাজন ফরেস্টে যেকোনো গাছে অনেক লম্বা, নারকেল গাছের মতো দেখতে, অনেক চিকন, সুপারি গাছের মতো। ওখানে উঠতে হয়, উঠে উপর থেকে হার্ভেস্ট করতে হয় এবং এভরিহোয়্যার, এভরিহোয়্যার দ্য ট্রিজ। তো, লোকজন অনেক কষ্ট করে
এবং আমরা এটা এনজয় করতেছি। অ্যামাজন ব্রাজিলের কফি অনেক ফেমাস। ওখানের যেকোনো ফ্রুট, প্যাশন ফ্রুট, আই নেভার হ্যাভ সিন দ্যাট মাস বিগার প্যাশন ফ্রুট। প্যাশন ফ্রুটের যে কথা বলেন তাহলে, ইটস লাইক এ বিগ
অরেঞ্জ। প্যাশন ফ্রুটের সাইজ যে অস্ট্রেলিয়াতে যেটা পাওয়া যায়, এর থেকে অ্যাট লিস্ট পাঁচ গুণ বড় আরকি। অ্যাভোকাডো তাই, বিগার দ্যান পাপায়া অর কোকোনাট, বিগ সাইজ। কাসিও আছে, অ্যামাজন, অ্যামাজন, অ্যামাজনিয়ান প্যারট। তারপর আমি ইয়ে দেখেছি, আপনার স্মলেস্ট বার্ড ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যামাজনে দেখেছি এবং কিছু অ্যানিম্যাল দেখেছি এবং প্ল্যান্টের যে ব্যাপারগুলো আছে, প্ল্যান্ট হচ্ছে যে সব মিক্স। আপনি যেকোনো জায়গায় যাবেন, যেমন সুন্দরবনে আমি গিয়েছিলাম। সুন্দরবন কিন্তু সল্টি ওয়াটার এবং ওখানে শ্বাসমূল আছে গাছের এবং কয়েক কয়েক ধরনের গাছ পাওয়া যায়। খুব বেশি কিন্তু ভ্যারিয়েন্ট নাই। কিন্তু অ্যামাজন ফরেস্টে কিন্তু আমার মনে হয় যে, ওখানে ওরা মিলেমিশে আছে এবং অনেক ভ্যারাইটি। ওখানে যে গাছের যে প্রত্যেকটা গাছ মিনিংফুল, কিছু গাছ আছে গাছে আপনি ক্লাইম্ব করতে পারবেন ইজিলি, এনিওয়ান ক্লাইম্ব। মনে হচ্ছে যে, ওই গাছটা ওই কারণেই হচ্ছে আপনার তৈরি আরকি। কিছু গাছ আছে সে গাছের ওপার দিকে আপনার ডিজাইনটা এরকম, যে কেউ যদি জঙ্গলের মধ্যে লস্ট হয়ে যায় তাহলে কোন স্ট্যাব নেই, ওখানে হিট করলে গাছের মাথার উপর দিয়ে সাউন্ড যায়। পিপল ক্যান হিয়ার ফ্রম লাইক এ টু থ্রি কিলোমিটারস অ্যাওয়ে, কেউ হারায়ে গেছে।
তারেক নূরুল হাসান: এটা কি একটা নির্দিষ্ট গাছের ক্ষেত্রেই হয়?
পাভেল সিদ্দিকী: নির্দিষ্ট গাছের ক্ষেত্রে, হ্যাঁ, নির্দিষ্ট গাছে। তো, তারা সারভাইভাল নলেজটা আছে। আমাদের সাথে একজন ইন্ডিজিনাস গাইড ছিল। সে এগুলো সব দেখায় দিছে যে, কিভাবে সারভাইভ করতে জঙ্গলের মধ্যে হারিয়ে গেছে। তারপর এক ধরনের কোকোনাট পাওয়া যায়, সেটা হচ্ছে আপনার ডেট আছে না, ডেটের সমান।
ওই কোকোনাট কেউ খায় না, বাট ওই কোকোনাটের মধ্যে একটা রহস্য আছে।
END OF TRANSCRIPT