সুপারএনুয়েসন নিয়ে যে নতুন আইন করা হয়েছে তাতে নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে যাতে ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম এবং ফি দেয়ার ফলে গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, কিন্তু আদতে তারা অর্থ খোয়াবেন। নতুন আইন অনুযায়ী যেসব হিসাবে ১৬ বছর কোন অর্থ জমা পড়েনি বা ৬ হাজার ডলারের নীচে আছে সেগুলো সরাসরি অস্ট্রেলিয়ান ট্যাক্সেসন অফিসে স্থানান্তরিত হবে। তবে উদ্বেগের বিষয় যারা এই হিসাবগুলোর মালিক তারা তাদের লাইফ ইনস্যুরেন্স এবং পার্মানেন্ট ডিসাবিলিটি ফান্ড হারাবেন যদি না তারা সুপার ফান্ডের সাথে যোগাযোগ করেন।
সালভ্যাসন আর্মির ফাইনান্স্যাল কাউন্সেলর ক্রিস্টিন হারনেট উদ্বেগের সাথে বলেন, এর ফলে যারা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাদের আর্থিক ক্ষমতা এমনিতেই কম। মিস হারনেট বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করতে চাচ্ছে, কিন্তু তা অনেক সময় সম্ভব হয় না যোগাযোগের ঠিকানা হালনাগাদ না থাকার কারণে। তিনি বলেন, অনেকের কাছে ইনস্যুরেন্সগুলো হচ্ছে জীবন বাঁচানোর মতো।
তবে সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স প্রফেসর সুসান থরপ বলেন, ভীত হবার কারন নেই। তিনি বলেন, প্রথমেই গ্রাহকদের উচিত সুপার ফান্ডের সাথে যোগাযোগ করা। দ্বিতীয়ত তাদের উচিত কি কাভার আছে তা খুঁজে নেয়া। তিনি আরও বলেন, গ্রাহকরা তাদের সুপার ফান্ডগুলো একটি হিসেবে নিয়ে আসার জন্য মাই গভ সাইট ব্যবহার করতে পারে। তিনি আরও বলেন, হিসাবগুলোতে সকলের উচিত তাদের ঠিকানা হালনাগাদ করা।





