প্রখ্যাত কবি, সঙ্গীত রচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক সিকান্দার আবু জাফর ১৯শে মার্চ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতির সাথে তার নামটিও জড়িত। কবি সিকান্দার আবু জাফর এবং কবি কাজী রোজীর নাতনি অনিন্দিতা ইসলাম প্রাপ্তি অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাস করছেন, তিনি এসবিএস বাংলাকে জানাচ্ছেন কবি সম্পর্কে কিছু কথা।
প্রখ্যাত কবি, সঙ্গীত রচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক সিকান্দার আবু জাফরের একটি বিখ্যাত কবিতা হলো 'জনতার সংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই' যেটি পরে জনপ্রিয় গণসঙ্গীতে রূপান্তরিত হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা যোগায়।
কবি সিকান্দার আবু জাফর এবং কবি কাজী রোজীর নাতনি অনিন্দিতা ইসলাম প্রাপ্তি যিনি অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাস করছেন। আমরা তার কাছে শুনবো কবি সম্পর্কে কিছু কথা।
মিজ অনিন্দিতা ইসলাম প্রাপ্তি তার নানা কবি সিকান্দার আবু জাফরের জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে বলেন, তাকে এখনো মানুষ মনে রেখেছে, তাকে সম্মান করে। আর তাই একটি সাংস্কৃতিক পরিবারে জন্মলাভ করে তিনি গর্বিত।
তার নানার লেখা গল্প, কবিতা, গান অনেকের মত তিনিও পড়েছেন। তার মৃত্যুর এতদিন পরেও যখন কবিকে নিয়ে বা তার কাজগুলো নিয়ে আলোচনা হয় বিষয়টি তাকে ভীষণ আলোড়িত করে।

"আমার নানাকে মানুষ এখনো এতটা সম্মান করে, তার লেখাগুলো স্কুলের পাঠ্য বইয়েও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়, এটি আমাকে অন্যরকম অনুভূতি দেয়।"
কবি সিকান্দার আবু জাফর ১৯৭৫ সালে যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন মিজ প্রাপ্তির মা সুমি সিকান্দার অনেক ছোট। তাই কবি সম্পর্কে স্মৃতি সবই মা এবং পরিবারের অন্যদের কাছ থেকে শুনেছেন প্রাপ্তি।
তিনি বলেন, "মূলত তার স্মৃতিগুলো তার লেখা গান, কবিতা নিয়ে এবং নিজের কস্টকর অভিজ্ঞতার কথা, যা আমি শুনেছি আমার মা, এবং নানুর (কবি কাজি রোজী) কাছ থেকে।"
"স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে তার গানগুলো মানুষের মুখে ছড়িয়ে গিয়েছিলো এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সেগুলো ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করতো।"
বাংলা ভাষার প্রথম সারির এই কবি সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্ম কতটুকু জানে, এ প্রসঙ্গে কিছুটা হতাশার সাথে মিজ প্রাপ্তি বলেন, "এই প্রজন্মের কাছে, এমনকি আমার বন্ধু-বান্ধবদের সার্কেলেও দেখেছি, তাদের কাছে তার গুরুত্ব অতটা দেখা যায় না, হয়তো এই প্রজন্মের কাছে নিজ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য জানার পরিধিটা কম।"
মিজ অনিন্দিতা ইসলাম প্রাপ্তির পুরো সাক্ষাৎকারটি শুনতে ওপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন
এসবিএস বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান শুনুন প্রতি সোমবার এবং আরও খবর দেখতে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় এবং আমাদের ফেইসবুক পেইজটি ভিজিট করুন।
আরো দেখুনঃ





