সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে চাকুরীর চাইতে জবসিকারের সংখ্যা বেশি

People at the office waiting for a job interview.

Group of people sitting at the office waiting for a job interview. Source: Getty Images

অ্যাংলিকেয়ারের একটি নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া জুড়ে প্রতিটি প্রবেশ স্তর অবস্থানের জন্য এখন আটজন সুবিধাবঞ্চিত জব সিকার রয়েছেন। মহামারীর পর থেকে, এই সংখ্যাটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং প্রবীণ অস্ট্রেলিয়ানরা তুলনামূলকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।


ওএনডি মরগ্যান ৬০ বছরের অ্যাডিলেড মহিলা, সে একটি ক্লিনিং জব করে তাকে পাক্ষিক দুই ঘন্টা কাজ দেয়। তার দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে এবং শারীরিকভাবে আরও কায়িক শ্রম করতে পারে না - তবে জবসিকারের অর্থ প্রদান বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে এটি যথেষ্ট নয়। মিস মরগান চাকরীর জন আবেদন করছেন বছরের পর বছর কিন্তু তিনি কোনো চাকুরী পাচ্ছে না। তিনি বলছেন যে তিনি যে কাজের জন্য যোগ্য নন তার জন্য তাকে সাক্ষাৎকার দিতে হচ্ছে - অন্যথায় আর্থিক সহায়তার জন্য যোগ্য হবেন না।

কোভিড ১৯ , ২০২০ সালে পুরো শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং অস্ট্রেলিয়াকে ঋণের মধ্যে ফেলেছে যা কয়েক বছর স্থায়ী হতে পারে।

তবে অ্যাংলিকেয়ার অস্ট্রেলিয়ার নির্বাহী পরিচালক ক্যাসি চেম্বারস বলেন ২০২০ সালে চাকরি হারানোর পুরো চিত্র আমাদের কাছে এখনও নেই।

অ্যাংলিকেয়ারের একটি নতুন প্রতিবেদন, জবস স্ন্যাপশট, বিশ্লেষণ করেছে যে বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদী বেকার যেমন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বাধা রয়েছে তাদের জন্য কতটি চাকরির ব্যবস্থা ছিল।

সাউথ অস্ট্রেলিয়া এবং তাসমানিয়া অবস্থা আরো খারাপ সেখানে যাদের তৃতীয় স্তরের শিক্ষা টারশিয়ারী এডুকেশন নাই এবং কাজের ক্ষেত্রে অন্যান্য বাধা রয়েছে তাদের কর্মসংস্থানের অভাবের বিষয়টি সবচেয়ে খারাপ।

সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ১০ জন চাকরি প্রার্থী নিম্ন যোগ্যতা বাধা সত্যেও যে কোনও পদের জন্য প্রতিযোগিতা করছে। তাসমানিয়ায়, এই সংখ্যাটি প্রতি চাকরির ক্ষেত্রে দ্বিগুণ প্রতি পদের বিপরীতে প্রায় ২০ জন।

মিসেস মরগান বলেন যে এই ব্যবস্থা তাদের ব্যর্থ করছে , যাদের জবমেকার প্রকল্পের সাহায্য দরকার - যা তিনি নিজের মত প্রবীণ অস্ট্রেলিয়ানদেরও বাদ দিয়েছেন।

অ্যাংলিকেয়ার ফেডারাল সরকারের একটি নতুন উদ্যোগ, জবএকটিভকেও বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছে। যেটিতে ৩৫ বছরের কম বয়সী অস্ট্রেলিয়ানদের টার্গেট করা হয়েছে ।

অস্ট্রেলিয়ান আন এমপ্লয়েড ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের মুখপাত্র ক্রিস্টেন ও'কনেল একমত হয়েছেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে স্কিমটি সক্রিয়ভাবে ক্ষতি করছে।


Share

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Watch now