শুধু কি খেলোয়াড়, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, হলিউড তারকা টম ক্রুজ, উইল স্মিথসহ অনেকের পাতেই উঠেছে আসিফের রান্না। যিনি বর্তমানে মেলবোর্নের একটি অতিথিসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শেফ।

রন্ধন শিল্পে কিভাবে আসা? উত্তরে আসিফ বলেন, "প্রায় সময় রান্না করার ভয়ে না খেয়ে থেকেছি। তখন বাধ্য হয়েই মাকে ফোন করতাম। মা বলত আমি রাঁধতাম। খুব ভালো রাঁধতাম কি না জানি না। তবে বন্ধুরা খেয়ে প্রশংসা করত।"

গেলো জানুয়ারিতে নিজ প্রতিষ্ঠানের হয়ে টেনিসের জমকালো আসর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে আসা খেলোয়াড়সহ অতিথিদের আপ্যায়নে দায়িত্ব পালন করেন আসিফ। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সামাল দিতে তার নেতৃত্বে কাজ করে ৩০০ জন কর্মীর একটি দল।
"আমার মতে যে কোন সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করার আধুনিকতম পদ্ধতি হচ্ছে খাবার। যা দিয়ে মানুষের খুব কাছাকাছি যাওয়া যায়," বলেছেন আসিফ মামুন।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার ছেলে আসিফের বেড়ে ওঠা ঢাকার পুরানা পল্টনে। বাবা আবদুল হাকিম ও মা রোকেয়া সুলতানার চার সন্তানের মধ্যে আসিফ দ্বিতীয়। সেগুনবাগিচা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে ২০০১ সালে পাড়ি জমান অস্ট্রেলিয়ায়।

কৃতিত্বই তাকে এনে দিয়েছে খ্যাতি। স্বপ্ন আছে সুযোগ হলে বাংলাদেশের রন্ধন শিল্পকে নিয়ে কাজ করার। "দেশকে আমি সবসময় হৃদয়েই ধারণ করি," বলেছেন আসিফ মামুন।








