Watch FIFA World Cup 2026™

LIVE, FREE and EXCLUSIVE

অস্ট্রেলিয়ায় নতুন গেম-চেঞ্জিং ভ্যাকসিন কবে থেকে দেয়া শুরু হবে?

Bivalent Covid19 Vaccine

The new bivalent vaccine is being described as a 'game changer'. Source: iStockphoto / Peter Hansen/Getty Images/iStockphoto

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২০ সালের কোভিড-১৯-এর মূল স্ট্রেইন এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টকে লক্ষ্য করে একটি নতুন বাইভ্যালিন্ট বা দ্বৈত ভ্যাকসিন ভাইরাস প্রতিরোধে গেম-চেঞ্জার হতে পারে। আর অস্ট্রেলিয়া এই ভ্যাকসিন পাওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে। থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা TGA-এর কাছ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ব্যবহারের জন্যে মডার্না কোম্পানী তাদের এই বাইভ্যালিন্ট ভ্যাকসিনের অস্থায়ী অনুমোদনের আবেদন করার অনুমতি পেয়েছে।


Published

By Rayane Tamer, Hannah Kwon

Presented by Tareq Nurul Hasan

Source: SBS


Share this with family and friends


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২০ সালের কোভিড-১৯-এর মূল স্ট্রেইন এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টকে লক্ষ্য করে একটি নতুন বাইভ্যালিন্ট বা দ্বৈত ভ্যাকসিন ভাইরাস প্রতিরোধে গেম-চেঞ্জার হতে পারে। আর অস্ট্রেলিয়া এই ভ্যাকসিন পাওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে। থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা TGA-এর কাছ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ব্যবহারের জন্যে মডার্না কোম্পানী তাদের এই বাইভ্যালিন্ট ভ্যাকসিনের অস্থায়ী অনুমোদনের আবেদন করার অনুমতি পেয়েছে।


কোভিড-১৯-এর মূল স্ট্রেইন এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সমর্থ এমন একটি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

মডার্নার তৈরি এই ভ্যাকসিনটি একটি 'বাইভ্যালিন্ট' বুস্টার টিকা, যা দুটি ভাইরাস স্ট্রেনের বিরুদ্ধে ইমিউন প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মানুষদের জন্য এই খবরের গুরুত্ব কতটুকু? আর কত তাড়াতাড়ি আমরা এই ভ্যাকসিনটি এখানে দেয়া শুরু করতে পারব?

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অব ভাইরাস রিসার্চের পরিচালক অধ্যাপক টনি কানিংহাম বলেন, এই ভ্যাকসিনটি একটি গেম চেঞ্জার হতে পারে।

এই বাইভ্যালিন্ট ভ্যাকসিনটি ঠিক কীভাবে কাজ করে?

ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজে, এর অর্ধেক অর্থাৎ ২৫ মাইক্রোগ্রাম পরিমাণ, ২০২০ সালের মূল স্ট্রেনকে প্রতিহত করে এবং বাকি অর্ধেক করে ওমিক্রন নামের নতুন ভ্যারিয়েন্টকে।

ড: ড্যানিয়েল লেটন CSIRO বা কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশন এর একজন সিনিয়র বিজ্ঞানী।

তিনি বলেন, এটি আগের টিকাগুলোর চেয়ে শক্তিশালী ইমিউন রেসপন্স দিতে সাহায্য করবে।

কিন্তু মহামারী এখনও শেষ হয়ে যায়নি। জুলাই মাসে স্বাস্থ্য বিভাগ ঘোষণা করে যে বিএ.৫ অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী স্ট্রেন হয়ে উঠেছে, যা দেশের সমস্ত সংক্রমণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬.৪ শতাংশ।

বিশ্বজুড়ে ভাইরাসটি এখনও অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ড: লেটন বলেন, প্রতিনিয়ত আমরা অনেক বেশি ভ্যারিয়েন্টের মুখোমুখি হচ্ছি।

তবে অধ্যাপক কানিংহাম আরও বলেছেন, আমরা সময়মতো টিকা উৎপাদনে আগের চেয়ে অনেক পারদর্শী হয়ে গেছি। খুব শীঘ্রই অস্ট্রেলিয়া এই ভ্যাকসিন পাওয়ার অবস্থায় পৌঁছে যেতে পারে।

ড: লেটন বলেন, যুক্তরাজ্যে অনুমোদন পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়াও এই ভ্যাকসিনের ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে উঠেছে।

তাহলে, কবে থেকে আমরা এটি অস্ট্রেলিয়ায় দেয়া শুরু করতে পারি?

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টনি কানিংহাম বলেছেন, নতুন ভ্যারিয়েন্টের টিকা তৈরি করতে একশত দিন সময় লাগে।

WHO এবং ভ্যাকসিন উপদেষ্টা সংস্থাগুলো এই সময়সীমা মেনে চলতে উৎসাহ দেয়। মডার্না এবং ফাইজার, দুটি কোম্পানীই বলেছে যে তারা এই সময়সীমা মেনে চলতে সক্ষম।

মি: কানিংহাম বলেন, ভ্যাকসিন রোলআউটের বিষয়টি প্রতিটি দেশের নিজস্ব সিদ্ধান্তের উপরে নির্ভর করে।

তিনি বলেন, এই বাইভ্যালিন্ট ভ্যাকসিন ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন রেডিওতে, এসবিএস বাংলা রেডিও অ্যাপ-এ এবং আমাদের ওয়েবসাইটে, প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত। রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: আমাদের ওয়েবসাইট। 

আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে


Latest podcast episodes

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Stream now