সিকদার তাহের আহমদ: Channel ten এর MasterChef খ্যাত কিশোয়ার চৌধুরী বাংলাদেশি অস্ট্রেলিয়ানদেরকে উৎসাহিত করছেন তাদের home country অর্থাৎ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার জন্য। প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যারা ভিন দেশে বসবাস করেন তাদের একটি অংশ তো বাংলাদেশের সঙ্গে কোনোভাবে সম্পর্ক রাখেন। তাহলে কিশোয়ার চৌধুরী আসলে ঠিক কী বোঝাতে চাইছেন? শ্রোতা বন্ধুরা, এ নিয়ে আমরা কথা বলছি প্রখ্যাত শেফ, লেখক এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব কিশোয়ার চৌধুরীর সঙ্গে। [ইন্ট্রো মিউজিক]
সিকদার তাহের আহমদ: কিশোয়ার চৌধুরী, SBS বাংলায় আপনাকে স্বাগত।
কিশোয়ার চৌধুরী: Thank you. আমার খুব ভালো লাগছে আপনার সাথে আজকে কথা বলা, বলতে।
সিকদার তাহের আহমদ: অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদেরকে আপনি দেশটির সঙ্গে যুক্ত থাকতে বলছেন। কেন? আর এর মাধ্যমে আপনি আসলে ঠিক কী বলতে চাচ্ছেন?
কিশোয়ার চৌধুরী: আমি আমার নিজের experience থেকেই এই জিনিসটা মনে করি যে আমি একটা অস্ট্রেলিয়ান বাঙালি। আমাকে সবসময় সবাই জিজ্ঞেস করে তুমি কি বাংলাদেশি না তুমি কি? আমি অস্ট্রেলিয়ান কিন্তু আমি একটা বাঙালি। আর আমি বাংলাদেশে এখন MasterChef-এর পরে প্রচুর কাজ করি। দেখা যায় যে বছরে, আ, তিন চার বারে তো যাওয়াই হয়। এইটার আগে আমার মনে হয়, এ-এ-এটা ছাড়া আমার মনে হয় যে আমি নিজে যে এখানে বড় হয়েছি আর, আর বাচ্চারা এখন এখানে বড় হচ্ছে। আমরা কিন্তু আস্তে আস্তে আস্তে আমাদের দেশের সাথে একটা connection, একটা টান, ওই জিনিসটা চলে যায়। আমার মা-বাবা যখন আসছিল অস্ট্রেলিয়াতে তাদের কাছে মনে হতো যে আমার, এ্য, একটা আত্মীয় আছে, আমার চাচা বা আমার, এ্য, ফুফাতো বোন বা কেউ। তাদের কাছে ওই জিনিসটা খুব direct ছিল কারণ তারা একসাথে বড় হয়েছে। তাদের কাছে মনে হতো যে বাবার কিছু লাগলে বা চাচার কিছু লাগলে আমি ওই মানুষটা যে অস্ট্রেলিয়াতে আছি, কাজ করছি, আমি এই জিনিসটা, আ, আমার দায়িত্ব এই জিনিসটা পাঠানোর। কিন্তু এইটার পরে যেই generation-রা বড় হবে এখানে তাদের কাছে হয়তো ওই টানটা থাকবে না। কারণ তারা কিন্তু বাংলাদেশে বড় হয় নাই। তো তাদের কাছে হয়তো মনে হবে যে হয়তো কিছু কিছু মানুষ ওই responsibility নিবে, হয়তো কিছু কিছু মানুষ ওই দায়িত্ব নিবে। কিন্তু আমরা কিন্তু অনেক বড়ভাবে আমাদের দেশের জন্য, বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের next generation-এর জন্য আমরা কিন্তু ওই জিনিসটা নিজে থেকে কিছু করতে পারছি না। এর জন্য আমি বলব যে আমরা যারা প্রবাসী বাঙালি আছি, অস্ট্রেলিয়ান বাঙালি আছি, আমরা যেন আমাদের দেশের সাথে আর আমার দেশের youth-এর সাথে যারা next generation বড় হচ্ছে, ওই টানটা যেন আর ওই connection-টা যেন আমরা কোনদিন না হারাই।
সিকদার তাহের আহমদ: তো মানে এটা মানে এটা আর কি করতে বলছেন? যে সংযোগটা বা connection-টা কিভাবে রাখব? এক-একটা হচ্ছে যাওয়া আসা করে, এক হচ্ছে যে remittance পাঠায় বা এর বাইরেও কি আরও কিছু করতে বলছেন?
কিশোয়ার চৌধুরী: হ্যাঁ, absolutely। যাওয়া আসা হচ্ছে একটা cultural exchange যেটার জন্য আমি বলব যে আমার life-টা change হয়েছে। আমার মা-বাবা আমাকে প্রত্যেক বছর বাংলাদেশে নিয়ে যেত আমা-আমাকে, আমার বোনদেরকে। তো ওখান থেকে কিন্তু অনেক কিছু আমার মনে হয়েছে I had a very enriched life। অস্ট্রেলিয়ান হওয়ার সাথে, এ্য, মানে পাশাপাশিও যদিও আমি একটা বাঙালি অস্ট্রেলিয়ান, এখানে আমরা নাচ, গান, খাওয়া-দাওয়া সবকিছু করতাম। পয়লা বৈশাখ, ঈদ সবকিছু করতাম। ওটা ছাড়া বাংলাদেশে যখন যেতাম তখন কিন্তু একটা অন্য একটা understanding। তখন কিন্তু অন্য একটা কি বলব? একটা impression from a very young age develops in your brain যে বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশে এইভাবে হয় which is very different to the Australian way of thinking, way of life। So I would say I'm very fortunate to feel like I have a very strong dual identity। আর আমি যেখানে মানে অস্ট্রেলিয়া বা Western culture-টাও বুঝি, এখানে চলি, এখানেই কাজ করি, এখানেই চাকরি করি, সবকিছু করি এখানে। Still I understand and really, really connect with our way of thinking of, you know, Bengali life, Bengali culture, Bengali আমাদের যে জিনিসটা খুব in-inbred একটা identity। আর ওখান থেকে কি হয় যে হয়তো ওই connection-টা establish হলে তখন বড় হতে হতে তখন মনে হয় যে এখানে কিন্তু আমার একটা দায়িত্ব, এখানে আমার একটা, আম, impact করার একটা জায়গা আছে। I-I felt that because আমার মা-বাবা আমাকে ওখানে নিয়ে যেত বা আমার কাছে মনে হতো যে না আমি একটা বাঙালি। তো তখন কি হয় যখন ওই connection-টা establish হয় তখন কিন্তু আমরা especially যারা এখানে আমরা একটু আমাদের পাটা একটু শক্ত হয়েছে। আমরা we have a little bit of footing under our, you know, আ, underneath us। তখন কিন্তু আমরা খুবই অল্পভাবেই কিন্তু আমরা we can make an impact and we can make a change on the people we meet and the, এ-এ-and impact। এটা কিন্তু একটা দুই দিকেই একটা cultural exchange। তো remittance যে জিনিসটা remittance কিন্তু আমরা চিন্তা করি একটা একভাবে যে taking care of our family, taking care of people in our own bubble, taking care of people যারা যাদেরকে আমরা already চিনি। আম, এখান থেকে আমরা কি করি? আমরা হয়তো কিছু টাকা পাঠাই যে একজনের health problem হয়েছে তখন আমরা contribute করি। কারো education-এর জন্য কিছু help লাগবে তখন আমরা চিন্তা করি যে আমার, আমার cousin বা এরকম কিছু তখন আমরা একটা contribute করি বা একটা বিয়ের সময় আমরা কিন্তু একটু help করি যে একজনের বিয়ে দেওয়ার জন্য। তো কিছু কিছু life-এর কিছু সময় থাকে যখন we step up। ওটাও বলব যে দু-এক generation-এ হারায় যাবে। এটা কিন্তু আরও এক generation। যারা প্রবাসী বাঙালি আমাদের জন্য কিন্তু ওই connection-টা খুব long term। আরও বিশ ত্রিশ বছরের ভিতরে ওই জিনিসটাও আর থাকবে না। আমরা কিন্তু একটা খুবই we're gonna tu-turn into our own little dichotomy, our own little silo যেটা which is the third culture। I'm really urging যে outside remittance যেটা হচ্ছে একটা টাকা দিয়ে দেওয়া, একটা handout করা, নিজের একটা আত্মীয় বা একটাকোন জায়গায় একটা টা-টাকা দেওয়া। ওই, ওই, ওই টাকাটা দেওয়া কিন্তু হচ্ছে একজনকে মাছ দেওয়ার মতন। যে জিনিসটা হচ্ছে যে একজনের if someone is hungry you give them a fish and আমরা মনে করি যে ওই problem টা solve হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা কিন্তু এখানে আসলে কিছু problem solve করছি না। আমরা কিছু problem ঠেকায় রাখছি। যে একজনের একটু কিছু একটা প্রয়োজন, ওটা healthcare হতে পারে, ওটা education হতে পারে। আমরা কিছু টাকা দিয়ে ওই problem টা ঠেকায় রাখছি। কিন্তু আমি আজকে আপনার সাথে যেই কথাটা বলতে আসছি আর আমি যেটা আপনার audience এর সাথে যে কথাটা শেয়ার করতে চাই ওটা হচ্ছে the work that World Vision does in Bangladesh and ওইটা হচ্ছে problem ঠেকায় না রাখা। ওটা শুধু একটু অল্প একটু টাকা দিয়ে একটা problem কে শেষ করে ফেলা না। ওই জিনিসটা হচ্ছে to give someone instead of giving someone a fish, giving them the tools. You are giving them the tools to change their life. You are giving them the tools to change their future. যেটা remittance এর সাথে অনেক বড় একটা difference আছে and-
সিকদার তাহের আহমদ: আপনি এখানে বলছিলেন যে World Vision এর কথা বাংলাদেশে কাজ করে।
কিশোয়ার চৌধুরী: এটা একটা worldwide globally charity। কিন্তু World, World Vision Australia specifically বাংলাদেশে কিছু center আছে। গ্রামেগঞ্জে অনেক rural area তে, ঢাকার ভিতরে কুড়াইল slum যে। তো আমি World Vision Australia এর সাথেই কাজ করি বাংলাদেশে।
সিকদার তাহের আহমদ: তারা মূলত মানে কোন issue গুলি নিয়ে কাজ করে?
World Vision Australia র না-- বিভিন্ন-
মানে আপনি যেটা দেখে আসলেন বাংলাদেশে আর কি, যেটা নিয়ে আজকে আপনি বলছেন আর কি।
কিশোয়ার চৌধুরী: World Vision Australia বিভিন্ন, বিভিন্ন issue নিয়ে কাজ করে। World Vision বেশিভাগ কাজ করে বাচ্চাদের সাথে। আর আমি নিজে এখন কয়েকবার গেছি তাদের centre এ। এখানে বেশ কয়েকটা centre আছে। আমি ঢাকাতে কুড়াইল slum যে গেছিলাম তাদের তিনটা epicentre এ। ওই জিনিসটা basic, based এই হচ্ছে যে একটা child sponsorship নিয়ে যে এখান থেকে আমরা যারা আছি আমরা একটা child কে sponsor করে আমরা ওই child টা যেন has the access and the ability to stay in school, to finish school। আর this is where it starts। তো এখান থেকে শুরু হয় যে যেই বাচ্চারা বিভিন্ন কারণে one of those is for child labor, one of those is for high rates of child marriage যেটা আমি আপনাকে আরেকটু deeply বলতে চাই ওই কথাটা নিয়ে। আম, but domestic violence অনেক issues আছে যে কারণে একটা বাচ্চার future টা derail করা হয়। আর প্রথম at the crux of it, it is about getting children back in schools and convincing families and aiding families to keep their children in schools। আমি child marriage এর ব্যাপারটা যেটা বলছিলাম যে আমরা বাঙালি হিসেবে বা আমরা as a country Bangladesh হিসেবে আমি এই জিনিসটা জানতাম না যতক্ষণ না আমি এই কাজের ভিতরে আরেকটু deeply involved হই। যে Bangladesh has one of the highest rates if not the highest rate of child marriage in the world। আমরা কিন্তু মনে করি যে এইটা, এই জিনিসটা আমি জানতাম না কেন বা আমি হয়তো মানে বুঝি নাই cause on the out-outside যখন ওই জিনিসটা দেখি আমি মনে করি না ওটা আফগানিস্তানে একটা problem, ওটা ইরাক বা ইরান যেখানে you have very very conservative communities where women don't have voices and rights and you don't see women in public। হয়তো they have the highest rate of child marriage in the world। Actually it's not, it's Bangladesh। বাংলাদেশে এখনো fifty one percent of girls get married under the age of eighteen, fifty one percent। মানে more than half, even if that's half। And a lot of those children especially in lower socioeconomic areas like the Kurail slums where I've gone and visited and worked। ওইসব area তে তো বয়স আরও অনেক কম। তেরো, চোদ্দ, পনেরো। So these are children who are not being able to determine their futures। They have no other choice। And যেই কথাটা আমরা আগেও establish করছিলাম about forced marriage। It is and it is outside international laws। So বাংলাদেশে আমরা ওই জিনিসটা হয়তো আমাদের কাছে apparent না যে এখন আমাদের দেশ is one of the highest rates of child marriage। We still have child labor although it is outlawed। We still have child labor at a very very surprisingly high rate। এই জিনিসগুলো কিন্তু আমরা as a country we try to, we try to change that and we are a very moderate country। We are the People's Republic of Bangladesh। আম, there are a lot of women in the workforce। There are a lot of visible women। I see a lot of women who are empowered। But there is still a long way to go and we can't ignore our problems। আর আমি এর জন্য খুবই strongly মনে করি যে as an Australian Bangladeshi it is my responsibility, এটা আমার বাচ্চাদের responsibility এখানে একটা কিছু করার, এখানে contribute করার, এখানে যেভাবে পারে একটা বাচ্চার জন্য হোক একটা sponsorship করে তার জীবনটা change করে দেওয়ার। কারণ
we need to give them their rights or human rights to be able to choose a future outside this।
সিকদার তাহের আহমদ: SBS বাংলা শ্রোতাদের উদ্দেশে আর কিছু বলবেন?
কিশোয়ার চৌধুরী: The best thing I can do is maybe share stories of what happens there। আম, আপনারা যান ওখানে website এ। ওখানে এই আমরা আসলে এই, এই মুহূর্তে আপনার সাথে কেন কথা বলছি যে আমরা এই মাসে খুব urge করছি যে আমরা বাংলাদেশি community হিসেবে, আমরা অস্ট্রেলিয়ান বাঙালি community হিসেবে তিনশোটা বাচ্চা আছে emergency waiting list এ। আমরা যেন এই মাসে তাদের sponsorship করাতে পারি। আমি নিজেই একটা খুব, খুবই একটা সুন্দর একটা মেয়েকে sponsor করি। আমি ইচ্ছা করে একটা মেয়েকে sponsor করছি যার বয়স একটু ইজ, ইজ, ইজ on the older side। অনেক সময় দেখা যায় যে একবার একটা তেরো-চোদ্দ বছরের ছেলে বা মেয়ে হয়ে গেলে তখন তাদের sponsorship টা কম হয়। কারণ সবাই মনে করে আচ্ছা schooling টা বাচ্চাদের, শুধু বাচ্চাদের জন্য দরকার। কিন্তু teenager রাও are at very very high risk। আমি আপনাদের audience কে বলতে চাইআমরা এই মাসে একটা community হিসেবে একটা বাংলাদেশি অস্ট্রেলিয়ান community হিসেবে I would love to for us to be able to sponsor these three hundred children who are waiting on an emergency sponsorship.
সিকদার তাহের আহমদ: একজনকে sponsor করতে মানে ঠিক কিরকম খরচ হতে পারে?
sponsorship যেটা হচ্ছে একটা monthly basis এ ওটা হচ্ছে forty eight dollars a month মানে one dollar fifty four বা one dollar sixty এরকম কিছু একটা আসে per day।
সিকদার তাহের আহমদ: এটা কি মানে tax এ কোন ইয়ে [রিবেট] পাওয়া যায় নাকি?
কিশোয়ার চৌধুরী: Absolutely because it's a charity you can get tax rebate on that। একজনের sponsorship এ আরও চারজন benefit হয়। আমি এটাও মনে করি যে, আমরা যারা এখানে চলে আসছি, আমরা যারা প্রবাসী বাঙালি, হ্যাঁ, আমরা বাংলাদেশে থাকলে আমরা যদি কোনদিন না চলে আসতাম আমাদের কিন্তু ওই social responsibility টা থাকতো। কিন্তু আমরা ওখানে নাই। আমরা এখানে আছি। তো এখানে থেকে আমরা কি করতে পারি? এই জিনিসটা আমি চাই যে সবাই একবার at least এই জিনিসটা নিয়ে একবার চিন্তা করুক, একবার পড়ুক। You can go to the landing page it's a www.worldvision.com.au/kishwar। তো /kishwar এর pageটাতে গেলে ওটা কিন্তু straight একটা বাংলাদেশের landing page এ গিয়ে পৌঁছাবে and you can look at what's happening there, the initiatives, the activities that happen there, the change that's happened there, all the positive change।
সিকদার তাহের আহমদ: কিশোয়ার চৌধুরী, SBS বাংলাকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
END OF TRANSCRIPT