নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার গ্ল্যাডিস বেরেজিকলিয়ান আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্য জুড়ে আগামী সাত দিনের জন্য জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, "জরুরি অবস্থা ঘোষণার সিদ্ধান্তটি হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই।"
"কমিশনার, আমি এবং মিনিস্টার সকলে বিষয়টি প্রাত্যহিক ভিত্তিতে আলোচনা করেছি এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছি কারণ আমরা জানি আপনারা বিষয়টি হালকাভাবে নেবেন না - এই সিদ্ধান্ত শুধু চরম পরিস্থিতির জন্য নিতে হয়েছে।"
মিজ বেরেজিকলিয়ান বলেন, তিনি এখনো ছুটিতে থাকা প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনকে বিষয়টি জানাননি।
"নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার হিসেবে এটা আমার সিদ্ধান্ত।"
এই মৌসুমের গত জরুরি অবস্থাটি সাতদিনের জন্য ঘোষণা করা হয়েছিল মধ্যে নভেম্বরে যখন দাবানলের ঝুঁকি ও সতর্কতা 'ক্যাটাস্ট্রফিক' বা 'সর্বোচ্চ বিপর্যয়কর' পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছিল। নিউ সাউথ ওয়েলসে এ ধরনের জরুরি অবস্থা প্রথম বাস্তবায়িত হয় ২০১৩ সালে।

এই জরুরি অবস্থা জারির ফলে সরকার হতে রুরাল ফায়ার সার্ভিস কমিশনার শেন ফিটসিমনসের নিকট বেশ কিছু ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে যার মধ্যে থাকবে রিসোর্স নিয়ন্ত্রণ এবং বরাদ্দ করার এবং লোকজনকে আক্রান্ত এলাকার বাড়িঘর থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার ক্ষমতা।
রুরাল ফায়ার সার্ভিসের কমিশনার শেন ফিটসিমনস বলেন, তাদের স্বেচ্ছাসেবী অগ্নি নির্বাপক কর্মীদের জন্য এটা খুবই সংকটজনক সময়।
"বাস্তবতা হচ্ছে এরকম চরম পরিস্থিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েও আপনি সবাইকে এবং সব কিছু রক্ষা করতে পারবেন না।"
স্বেচ্ছাসেবী অগ্নি নির্বাপক কর্মীদের বিষয়ে তিনি বলেন, "আমরা তাদের কথা বলছি যারা সত্যিই অতিমানবের মতো কাজ করছেন, কিন্তু বাস্তবে তারা অতিমানব নন, তারা সমাজের অন্য দশজনের মতোই সাধারণ মানুষ যাদেরকে কমুনিটির স্বার্থে কাজে লাগানো হয়েছে।"
দাবানলের এই মৌসুমে এ পর্যন্ত ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৮০০ বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।
