'দ্য ব্লাইন্ড উইশ' নামে একটি নতুন চলচ্চিত্র শীঘ্রই দর্শকরা দেখার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রুচিন ভীণা চেইনপুরি।সম্প্রতি ছবিটির একটি মিউজিক ভিডিও রিলিজ করা হয়েছে। এই ছবির নির্মাতা ও কলাকুশলীরা এসবিএস বাংলার সাথে কথা বলেছেন।
পুরো সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় ও শেষ পর্বে এসবিএস বাংলার সাথে কথা বলেছেন 'দ্য ব্লাইন্ড উইশ' ছবির অভিনেত্রী এবং ছবির সম্পাদক দেবলিনা মোদক সাধু, গীতিকার দেবমিতা পাল চৌধুরী এবং সঙ্গীত পরিচালক মেঘ ব্যানার্জি রয়েছেন।
তারা আলোচনা করেছেন সিনেমাটি নির্মাণের নানা দিক নিয়ে।
ছবির অভিনেত্রী দেবলিনা মোদক সাধু ছবিতে একই সাথে অভিনয় এবং সম্পাদনার (editing) দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার চরিত্রটি সম্পর্কে বলেন, "চরিত্রটা খুবই একটা ম্যাচিওর চরিত্র, মানে ভীষণই ভালো লেগেছে আমার কাছে, তাছাড়া একই সাথে এডিটর হিসেবে কাজ করাটাও একটা চ্যালেঞ্জিং ছিল।"
ছবির সংগীত পরিচালক মেঘ ব্যানার্জি বলেন,"এই প্রথম আমি ইন্ডিয়ান ক্লাসিক্যাল মিউজিকের উপর কাজ করার সুযোগ পেলাম।"
তিনি আরও জানান যে এই সিনেমার আবহ সংগীত ভৈরবী রাগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
সবশেষে ছবির গানের গীতিকার দেবমিতা পাল চৌধুরী বলেন,"আমি এই ফিল্ডে একদমই নতুন, এই ফিল্ম দিয়ে গীতিকার হিসেবে ডেবিউ হচ্ছে।"
তিনি উল্লেখ করেন যে ডিরেক্টরের অনুপ্রেরণাতেই তিনি এই ছবির গানের কথা লিখেছেন যা মানুষের জীবনের চাওয়া-পাওয়ার কাহিনী তুলে ধরে।
'দ্য ব্লাইন্ড উইশ' ছবি নিয়ে সাক্ষাৎকারটির ২য় ও শেষ পর্বটি শুনতে উপরের লিঙ্কে ক্লিক করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
এই লিঙ্কে ক্লিক করে নতুন এসবিএস রেডিও অ্যাপ ডাউনলোড করুন
এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট।
আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?
এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।
এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.
আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস।
Read more about SBS’s use of AI
[ইন্ট্রো মিউজিক]
বাংলা সিনেমার দর্শকরা The Blind Wish নামে নতুন একটি চলচ্চিত্র শীঘ্রই দেখার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রুচিন ভিনা চেইনপুরি। সম্প্রতি ছবিটির একটি music video release করা হয়েছে। এই ছবির নির্মাতা ও কলা-কুশলীরা SBS বাংলার সাথে কথা বলেছেন। পুরো সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্বে আজ আমাদের সাথে এই ছবির অভিনেত্রী এবং ছবির সম্পাদক দেবলীনা মোদক সাধু, গীতিকার দেবমিতা পাল চৌধুরী এবং সঙ্গীত পরিচালক মেঘ ব্যানার্জি রয়েছেন। আলোচনা করব সিনেমাটি নির্মাণের নানা দিক নিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার বহুভাষিক গণমাধ্যম Special Broadcasting Service বা SBS-এর বাংলা বিভাগ থেকে আপনাদের সাথে আছি আমি শাহান আলম।
[মিউজিক] ছবির অভিনেত্রী দেবলীনা মোদক সাধু ছবিতে একই সাথে অভিনয় এবং সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন। সিনেমায় তার চরিত্রটি সম্পর্কে বলেন, "এটি খুবই একটা mature চরিত্র। মানে ভীষণই ভালো লেগেছে আমার কাছে। তাছাড়া একই সাথে editor হিসেবে কাজ করাটাও challenging ছিল।"
উম, চরিত্রটা খুবই একটা mature চরিত্র। মানে ভীষণই ভালো। আমার কাছে একটা challenging ছিল। আর রুচিন স্যার যখন এসে আমাকে first time বলেন, আমি একটু অবশ্যই nervous ছিলাম। কিন্তু মানে চরিত্রটা আমার character থেকে totally different একটু। আমি একটু চুলবুली type-er। ওই character-টা, চরিত্রটি একটু শান্তশিষ্ট। তো যাই হোক, স্যার আমাকে অনেক guide করেছেন, guide করেছেন। তো last-এ করতে পেরেছি আর খুব মানে অনেক কিছু শিখেছি এখানে অভিনয় করতে করতে। মানে পুরো film-টার journey-টায় অভিনয় করতে করতে। এমনি আমি ছোটবেলা থেকে অভিনয় করেছি। কিন্তু maximum-টা আমার ক্যামেরার পেছনেই ভালো লাগে। মানে, মানে, মানে last দশ-বারো বছর ধরে আমি ক্যামেরার পেছনেই বেশি আছি। তো এবার অনেকদিন পরে ক্যামেরার সামনে এসে মানে অনেক কিছু শিখতে পারলাম, জানতে পারলাম। পুরো teamটাকে family-র মতো বানিয়ে ফেললাম। মানে একটা new family হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল ওটাই আমার ভাই। আমি ভাইয়ের জন্যই করছি সবকিছু। আমার বোন, এটাই আমার family। হ্যাঁ, মানে এটাই আমার struggle। মানে আমি কিছু মাস পুরো character-এই ছিলাম। মানে নিজেকে ভুলে গেছিলাম এই type-এর। তো ভীষণ ভালো একটা চরিত্র। বাকিটা তো release হওয়ার পরেই লোকে যেটা বলবে যে আমি ঠিকঠাক acting করলাম কিনা। চরিত্রটাকে ফুটিয়ে তুলতে হবে। এমনি director স্যার satisfied বলেছেন যে আমার acting-এ উনি satisfied। বাকি দর্শকরা বলবেন।
তো এখন যেহেতু-
এখন actually সিনেমাটা complete হয়ে গেছে। আমি edit করছি। পুরো feature film-টা edit করছি। এখন আমাদের edit চলছে। Almost edit অনেকটাই হয়ে গেছে। fifty sixty percent edit হয়ে গেছে। তো আশা করছি August-এর মধ্যে আমরা complete পুরো করে আমরা release করতে পারব। তো এখন যেহেতু edit করতে করতে নিজেকে দেখছি, মানে নিজেকে দেখছি তো এখনো মনে হচ্ছে আমি character-এই আছি। ভীষণ, ভীষণ ভালো লাগছে। মানে editing তো obviously আমার একটা passion। আমি ভীষণ ভালোবেসে editing করি। তো ভীষণ মানে মন দিয়েই করছি। কোন error রাখছি না। আর তারপরে edit করছি নিজের চরিত্রকে। হ্যাঁ, তো আরও মজাই লাগছে। মানে অন্য কেউ edit করলে আমার, আমাকে বাজে দেখতে লাগছে সেই জায়গাটা edit করে দেবে হয়তো। কিন্তু আমি একটু খুব আমাকে নিজেকে দেখে বলছি তো দুটো characterই করছি তো editing-ও করছি acting-ও করছি। বেশ ভালোই হচ্ছে। মজাই লাগছে। ভালো লাগছে, ভালো লাগছে। Thanks রুচিন মিনা স্ক্যানপুরি স্যারকে। উনি আমাকে editing তো offer first-এ করেছিলেন। উনার আরেকটা চলচ্চিত্র আসছে। মানে এখনো half done আছে shooting। হিন্দি, হিন্দি project। তো সেখানে আমাকে উনি first-এ as a, as an editor-ই উনি আমাকে offer করেছিলেন। তো সেখান থেকে আবার এই সিনেমাটাও আমাকে as an editor offer করেছেন। Plus উনি বলেছেন, "আমি লিখেছি এই character-টা আপনারই জন্য। আপনাকেই করতে হবে play।"
আচ্ছা, আচ্ছা।
মানে আমাকে ছাড়েইনি। [হাসি] তো ওটার জন্য very very thanks উনাকে যে আমাকে এই দুটো সুযোগ ভালোভাবে দেওয়ার জন্য। আমি মানে ভীষণ খুশি এই film-টা করে। মানে দুটো যে role play করে ভীষণ খুশি।
ছবির সঙ্গীত পরিচালক মেঘ ব্যানার্জি বলেন, "এই প্রথম আমি Indian classical music-এর উপর কাজ করার সুযোগ পেলাম।" তিনি আরও জানান যে এই সিনেমার আবহ সঙ্গীত ভৈরবী রাগের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
আমি মূলত সঙ্গীত পরিচালক হিসেবেই কাজ করি বাংলা film industry-তে। আমি প্রচুর সিনেমার কাজ করেছি। আমার প্রায় চল্লিশটার উপরে feature film আছে। প্রায় দুশোর উপরে short film-এর music আমি করেছি। এছাড়া আরও প্রচুর কাজ করি। অ্যা, তো যাক এই কাজটা করার সুযোগ পেয়ে আমার খুব ভালো লাগছে। দেবমিতা আমার অনেক দিনের বন্ধু। আমরা এক কলেজে পড়তাম আর কি। অ্যা, তো সেখান থেকেই কাজের জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করে দেবমিতা এবং দেবলীনা এবং কাজও করলাম definitely। এই কাজ, এই সিনেমাটার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো যে যে আমি এই প্রথম, এতদিন আমি সিনেমার কাজ করছি। কিন্তু এই প্রথম আমি কোনো Indian classical music-এর উপর based করে কোনো কাজ করার সুযোগ পেলাম। আমি নিজে Indian classical music শিখেছি দীর্ঘদিন। কিন্তু সত্যি বলতে আজকের, আজকের যুগে সিনেমায় এই ধরনের কাজের সুযোগ in general পাওয়া যায় না। তো এই প্রথম আমি Indian classical music-এর উপর কাজ করার সুযোগ পেলাম। রুচিন যে আমাকে প্রচুর guide করেছেন। যেখানে যেখানে ভুল হচ্ছিল শুধরে দিয়েছেন বা ঠিকঠাক করেছেন এবং আশা করি এখন গানটা যারা শুনছেন তারা বলছেন তাদের ভালো লাগছে। আমিও কাজটা করে খুব আনন্দ পেয়েছি। সিনেমাতে সঙ্গীতের ভূমিকাটা সেটা সিনেমা টু সিনেমা vary করে। এখন অনেক সিনেমা হয় দেখবেন যে যেটা মানে music ছাড়া সেই সিনেমা অচল। আবার অনেক সিনেমা যেগুলো music-এর থেকে সম্পূর্ণ separate একটা সিনেমা। মানে এটা director-এর উপর নির্ভর করে, সিনেমার উপর নির্ভর করে। এই সিনেমার ক্ষেত্রে আমার মনে হয় আমি সিনেমার গল্পটা শুনেছি। এখনো background score-এর কাজ শুরু হয়নি। আমি background score করব এবং যেটা রুচিন যে আমাকে বলেছেন যে এই সিনেমার যে গানটা আমরা করেছি ভৈরবী রাগের উপরে, তো background score-টা ভৈরবী রাগের উপরেই থাকবে। এটা একটাঅত্যন্ত ভালো একটা concept, খুব innovative একটা concept। এটাতে কিন্তু একই রাগের উপরে না পুরো সিনেমাটা একটা সূত্রে বাঁধা হয়ে থাকবে। কোথাও খাপচারা খাপচারা আলাদা আলাদা আলাদা মনে হবে না। এটা একটা খুব ভালো concept। তো যা গানটা করতে ভালো লেগেছে। আশা করি সিনেমাটার background music করতে গিয়েও ভালো লাগবে। BGM এর উপর জোর দেওয়া উচিত। এখানে সত্যি বলতে আজ থেকে কুড়ি বছর আগেও বাংলা সিনেমার যে background score হতো সেটা খুব খারাপ হতো। মানে অতটা গুরুত্ব কেউ খুব একটা দিত না অন্তত background score এর ক্ষেত্রে। এখন আমার মনে হয় বাংলা সিনেমায় অনেকটা পরিবর্তন হচ্ছে। লোকে background score এর জন্য ঠিকঠাক budget দিচ্ছেন এবং গুরুত্ব নিয়ে সময় নিয়ে কাজ হচ্ছে এবং definitely যেটা বললাম তার একটা বড় কারণ বোধহয় audience এখন অনেক বেশি সচেতন হয়েছে background score নিয়ে। এটা হয়তো কোথাও একটা গিয়ে South Indian film এর একটা প্রভাব আছে বা হয়তো Hollywood film এর একটা প্রভাব আছে। কিন্তু এখন সত্যি কথা পরিচালক মানে এবং মানে এবং যারা সিনেমার audience দু'তরফই এখন background score নিয়ে খুব বেশি ইয়ে এবং একটা সত্যি কথা আমি নিজে music করি বলে নয়। একটা ভালো background score কিন্তু একটা সিনেমাকে তুলে ধরতে পারে।
হ্যাঁ emotion টাকে আবার-
আবার একটা খারাপ background score কিন্তু সিনেমাকে নামিয়ে, নামিয়ে দিতে পারে। তো music এর সত্যি প্রচুর ভূমিকা আছে। এখানে মানে director যদি সত্যি বোঝেন, director যদি ঠিকঠাক guide করতে পারেন, সঠিক যদি music composer একটা সিনেমাকে music অনেকটা তুলে ধরতে পারে।
ছবির গানের গীতিকার দেবমিতা পাল চৌধুরী বলেন, "আমি এই field-এ একদমই নতুন। এই film দিয়ে গীতিকার হিসেবে debut হচ্ছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে director-এর অনুপ্রেরণাতেই তিনি এই ছবির গানের কথা লিখেছেন যা মানুষের জীবনে চাওয়া পাওয়ার কাহিনী তুলে ধরে।
এই ছবির গল্পটা আমি আমাকে শুনিয়েছিলেন। আমাদের director স্যার আমাকে শুনিয়েছিলেন এবং উনার একটা ধারণা ছিলেন। মানে উনি একটা বলেছিলেন যে এই ছবির যে মূল ধার, মূল ধারাটা একটা গানের মাধ্যমে পুরো ছবিটাকে গাঁথা হবে এবং এই যে গানের কথাগুলো, এই গানের কথাগুলোর মাধ্যমে পুরো ছবিটা উঠে আসবে। উনি আমাকে এটাই বলেছিলেন যে বিভিন্ন part মানে এই ছবিতে বিভিন্ন ধারা, বিভিন্ন ছাপ দেখানো হয়েছে সেটা যাতে এই গানের কথার মাধ্যমে উঠে আসে। তো আমরা এটা নিয়ে অনেকটাই research করেছি। উনি আমাকে বুঝিয়েছেন। পুরো guidance টা আমি উনারই, উনাকেই দেব। পুরো credit উনাকেই দেব। উনি আমাকে guide করেছেন পুরো বিষয়টা এবং লেখালেখি নিয়ে আমি দীর্ঘ বহু বছর চর্চা করি। যদিও আমি এই field-এ একদমই নতুন। আমি এই আমার এই film দিয়ে debut হচ্ছে as a গীতিকার। আমি এর আগে as a গীতিকার কোনোদিনও কোথাও কাজ করিনি। তো উনি আমাকে ভরসা জুগিয়েছেন যে আপনি এত সুন্দর লেখেন তো আপনি এই ছবির আমার যে আমি যেটা বলতে চাইছি সেটা আপনি গানের কথাতে ফুটিয়ে তুলুন। তো আমি সেটা চেষ্টা করেছি এবং আমার লিখতে লিখতে আমার গান এতটাই বড় হয়ে গেছে তখন আমার সাথে আমার music composer বলছে যে এত বড় গান তো গাওয়া যাবে না। মানে এটাকে ছোট করতে হবে। তো ছোট করাটাও একটা challenge। মানে আমি তো আসলে একটু কবিতা লিখতে ভালোবাসি। তো লিখতে লিখতে তারপরে উনি বললেন যে না এতে যখন আমাকে ভৈরবী রাগের সুরে যখন আমাকে এটাতে বাজতে হবে তখন এটাকে ছোট করতে হবে। তখন আমরা বসে এটাকে ছোট করেছি এবং সেই কথা সেই, সেই ভাব সেই মানে সেই চিন্তাধারা রেখেই আমি ওটাকে ছোট করেছি এবং এটা, এটা হচ্ছে প্রত্যেকটা মানুষের জীবনের চাওয়া পাওয়ার ঘটনা নিয়ে এই গানটা পুরো রচিত হয়েছে এবং আপনি শুনলে বুঝতে পারবেন যে এই গানের প্রত্যেকটা কথার মধ্যে শুধু এই movie-র না আপনাদের life-এরও বিভিন্ন কথা জড়িত। পুরো movie-তে আমাদের এই একটা গানের উপরেই আমরা concentrate করেছি এবং ছোট ছোট টুকটাক কিছু classical music আমরা add করছি। তো সেটা নিয়েও আমরা recently আমরা একটা meeting-এ বসেছিলাম। আমরা ওখানে একটা ঠুংরি add করব। তো পুরোটা classical classical classical music-এর উপরেই based করে পুরো movieটা। মানে একটু অন্য ঘরানার ছবি এটা।
সবশেষে নির্মাতা রুচিন ভিনা চেনপুরীর কাছে।
We are expecting lot of love and appreciation and encouragement from every nook and corner from our society and from the world all around the world. And cinema has got its own language. It breaks barriers. It breaks continental barriers and we have reached to Australia through Molina Ganguly sir, a versatile actor. So I would like-- we are expecting that this will, this film will break all the barriers irrespective of language, irrespective of continent and will reach out to the genuine audience who love meaningful cinemas, who love soulful music, who has this uh attut prem, I would say, for Hindustani classical music.
আপনারা শুনছিলেন The Blind Wish ছবি নিয়ে সাক্ষাৎকারটির দ্বিতীয় পর্ব। সাথে ছিলাম আমি শাহান আলোল।
[অറ്റ পর্যন্ত মিউজিক বাজবে]





