অস্ট্রেলিয়ার আর এম আই টি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার ড. সানিয়াত ইসলাম বলেন:
“এটা আমাদের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে আমরা ধরে নিতে পারি।”
“আমার যেটা মনে হয়, নির্বাচন যথেষ্ট স্বচ্ছ ছিল, সুষ্ঠু ছিল।”

আইনজীবি শিবলু গাজি বলেন:
“সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি বেশি ‘ডিজহার্টেড’ হয়েছি। অনেক জায়গায় মানুষ ভোট দিতে পারে নি।”
“এটাকে আমি আসলে একটি সাজানো নির্বাচন মনে করছি।”
ক্যানবেরা-প্রবাসী সরকারি কর্মজীবি ড. তারিক জামান বলেন:
“এই নির্বাচনটি হয়ে গেল দুই ধারার মধ্যে: স্বাধীনতার পক্ষের এবং স্বাধীনতার বিপক্ষে।”
“স্বাধীনতার পক্ষের জয়, এটা কোনো অকল্পনীয় জয় নয়। এটা কাঙ্ক্ষিত জয়।”
“এই জয়টাকে দেশের উন্নয়নের কাজে লাগাতে হবে।”
“দেশে শক্তিশালী বিরোধী দলেরও দরকার আছে। কিন্তু, যেহেতু এই মুহূর্তে নাই, সেই মতে এই গুরু দায়িত্ব এখন আওয়ামী লীগের হাতে।”
মানবাধিকার-কর্মী আবেদিন টিপু বলেন:
“স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে যত নির্বাচন হয়েছে, এটা তার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ নির্বাচন।”
“বাংলাদেশে দলীয় সরকারের অধীনে কখনও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। এটা আবারও প্রমাণ হলো।”
“সবগুলো প্রতিষ্ঠান, মানুষের বিশ্বাসের, আস্থার যে কতগুলো প্রতিষ্ঠান ছিল, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোও দলীয়করণের মাধ্যমে কাজগুলো হয়েছে।”
“বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রতি মানুষের যে আস্থা ছিল, সেটা নষ্ট হয়ে গেছে।”
“বিচার বিভাগের উপর আস্থা, সেটা আগের থেকে অনেক কমে গেছে।”
“উচ্চ থেকে নিম্ন স্তরে কোনো পর্যায়েই প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পারে নি। মানুষ ভোট দিতে পারে নি।”
“বাংলাদেশের মতো কোনো দেশে এ রকম ‘ল্যান্ড-স্লাইড ভিক্টোরি’ পাওয়া কারও পক্ষেই সম্ভব না।”
“গণতন্ত্রের নামে কৌতুক প্রদর্শন করা হয়েছে।”

ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার ড. কাইউম পারভেজ বলেন:
“এই নির্বাচনে মহাজোটের জয় অপ্রত্যাশিত নয়।”
“আমার মনে হয়েছে, অনেক শান্তিপূর্ণ এবং সুন্দর পরিবেশে নির্বাচন হয়েছে।”
“আমি স্যালুট করি জনগণকে। তাদের সিদ্ধান্ত নিতে তারা ভুল করেন নি।”
বাংলাদেশ কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাশেদুল হক বলেন:
“নির্বাচনের আগের দিন মধ্যরাতে যেভাবে ব্যালট পেপারে সিল দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের জঘন্যতম আরেকটা নীল-নকশার নির্বাচনের একদলীয় নকশায় যে নির্বাচন সম্পন্ন হবে, সেটা আমরা আগেই কিছুটা অনুমাণ করতে পেরেছিলাম।”

লেখক-কলামিস্ট অজয় দাশগুপ্ত বলেন:
“বিরোধী দলের মধ্যে আমি বলব যে, যেভাবেই হোক না কেন বিরোধী শক্তি হিসেবে বিএনপি এখনও সবার চাইতেই এগিয়ে রয়েছে।”
“কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলের পরে যেটা দেখা যাচ্ছে যে, দুটো বিষয় ভাবার আছে: একটি হচ্ছে যে, যদি এই প্রাপ্ত ভোটগুলোকে আমরা নিরপেক্ষ হিসেবে মনে করে থাকি, তাহলেও একটা ভয়ের বিষয় আছে যে, এই রকম ধস নামানো সমর্থন কি আসলেই কোনো দলের বাংলাদেশে আছে কিনা? এবং থাকলে সেটার পরিপ্রেক্ষিতে আগামীতে ভবিষ্যত কী হতে যাচ্ছে?”
“এ ধরনের সংখ্যাধিক্য এক ধরনের ভীতি এবং বিপরীতমুখী পরিবেশ তৈরি করে।”
প্রতিবেদনটি বাংলায় শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.








