ডারউইনে গত ১৯ জুন, শনিবার বাংলাদেশি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশী অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন চার্লস ডারউইন ইউনিভার্সিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘বৈশাখী মেলা ১৪২৮ ’। ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের এম্পিথিয়েটারে এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলার অন্যতম আয়োজক, বাংলাদেশী অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ঐশিক রহমান কথা বলেছেন এসবিএস বাংলার সঙ্গে।
ডারউইনে গত ১৯ জুন, ২০২১ অনুষ্ঠিত ‘বৈশাখী মেলা ১৪২৮’ এ প্রধান অতিথি হিসেবে চার্লস ডারউইন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর স্কট বোম্যান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে নর্দার্ন টেরিটরি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী লরেন মস উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির মূল পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল নর্দার্ন টেরিটোরি সরকার ও চার্লস ডারউইন ইউনিভার্সিটি।
শুরুতেই বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। এরপরেই স্টুডেন্ট এবং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রধান এবং বিশেষ অতিথিদেরকে স্টেজে স্বাগত জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ড. সামি আজম। অতিথিদেরকে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং দুই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্যপদ প্রদান করা হয়।
অ্যালামনাই এবং স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন-এর যৌথভাবে আয়োজিত এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আয়োজন বলে জানান এই মেলার অন্যতম আয়োজক ঐশিক রহমান।
এবারের মেলায় বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহি ও মুখরোচক খাবারের পাশাপাশি ছিল বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী পোশাকের, নকশী কাঁথা ও বিছানার চাদরের প্রদর্শনী। এছাড়াও, শাহী মোরগ-পোলাও, কাচ্চি বিরিয়ানী, ঘরে তৈরি মিষ্টি ও মুরালি, নকশী পিঠা, রকমারি আচার, বোরহানি, হালিম, ফুচকা, চটপটি ছিল স্টলগুলোর মাঝে অন্যতম। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে দলীয় সঙ্গীত, দেশাত্মবোধক গান, লোকগীতি ও দলীয় নাচ পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয় শিক্ষার্থীদের দ্বারা গঠিত ব্যান্ড সংগীতের জনপ্রিয় গান পরিবেশনের মাধ্যমে। স্টুডেন্ট এবং অ্যালামনাই ছাড়াও ডারউইনে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পেশার মানুষ এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

গত বছর থেকেও বড় পরিসরে এবার মেলার আয়োজন করা হয়েছে। নর্দার্ন টেরিটোরিতে কোভিড-১৯ না থাকার কারণে এবং সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবারের মেলা অনেক সুন্দর হয়েছে বলে জানান এর অন্যতম আয়োজক ঐশিক রহমান। তিনি বলেন,
“সরকারের নিয়ম অনুযায়ী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে মেলার আয়োজনে করা হয়েছে। প্রতিটি স্টলে এবং মেলা প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, চেক-ইন পোস্টার ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।”
বিকাল ৬টা থেকে প্রায় রাত ১১টা পর্যন্ত আয়োজিত এই মেলায় বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ এর অধিক অতিথি এসেছেন বলে জানান ঐশিক।

ঐশিক রহমানের সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.





