অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশী খাবারে দেশের স্বাদ পাওয়া যায় না; সত্যিই কি তাই?

Ramadan shopping in Dhaka

epa12757039 Bangladeshi Muslims buy food to break their fast during the holy month of Ramadan at a traditional food market in Dhaka, Bangladesh, 19 February 2026. Muslims around the world observe the holy month of Ramadan by praying at night and abstaining from food and drink between sunrise and sunset. EPA/MONIRUL ALAM Source: EPA / MONIRUL ALAM/EPA

সিডনির লাকেম্বার গ্রামীন রেস্টুরেন্টটি একসময়ে চালাতেন মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম। পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে এসবিএস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।


মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলামের সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।

Follow SBS Bangla on FACEBOOK.

এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট

আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?

এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।

এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.

আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস

Read more about SBS’s use of AI

সিকদার তাহের আহমদ: দুই হাজার একুশ সালের জনশুমারির রিপোর্ট অনুসারে অস্ট্রেলিয়ায় সত্তর হাজারেরও বেশি বাংলাভাষীর বসবাস। এদের একটি বড় অংশই বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। সিডনি ও মেলবোর্ন সহ অস্ট্রেলিয়ার বড় বড় শহরে বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। তবে এগুলোর খাবারের মান, গ্রাহক সেবা ইত্যাদি নিয়ে ভোক্তাদের নানা অভিযোগের কথা প্রায়ই শোনা যায়। বিশেষত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সিডনির লাকেমবার্গ গ্রামীণ রেস্টুরেন্টটি একসময় চালাতেন মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম। শ্রোতা বন্ধুরা, এখন আমরা কথা বলছি তার সঙ্গে। [মিউজিক]

সিকদার তাহের আহমদ: আশরাফ ভাই, এসবিএস বাংলায় আপনাকে স্বাগত।

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: তাহের ভাই আপনাকেও ধন্যবাদ আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য।

সিকদার তাহের আহমদ: এখন তো রমজান মাস চলছে। তো রমজান উপলক্ষে কি বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টগুলো বিশেষ কোন প্রস্তুতি নিয়ে থাকে? যেমন খাবারের মেনুতে বা ওপেনিং আওয়ারে, এসব ক্ষেত্রে কি কোন পরিবর্তন আনা হয়?

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: সবাইকে রমজান মোবারক। অবশ্যই রমজান একটা বাঙালি এবং আমাদের মুসলমানদের জন্য একটা আনন্দের মাস এবং সেলিব্রেশন মাস। আমরা রোজাছি, আমরা সাব্দর করে থাকি এই মাসে। খানাপিনাতে আমাদের অনেক change আসে, মেনুতে change আসে, প্লাস আমাদের ওপেনিং আওয়ারেও change আসে। কারণ যেহেতু আমরা অনেকেই রোজা রাখি এবং আমরা দিনের বেলা আসলে খাবার দাবার করি না, ইফতারের পরে করি। তাই সেই অনুযায়ী আমরা আসলে আমাদের যে বাঙালি যে পাড়ার যে রেস্টুরেন্টগুলো আছে সবাই চেষ্টা করে যে ইফতারের আইটেম, বাংলাদেশের traditional ইফতারের আইটেমগুলো আয়োজন করার জন্য। যেমন আপনি যদি traditional item বলতে আমরা যেটা বুঝি আলুর চপ, বেগুনির ছোলা, পেঁয়াজু, হালিম, জিলাপি, of course জিলাপি। সো এটা আমাদের সবগুলো রেস্টুরেন্টই আসলে ই করে থাকে, আপনারা আয়োজন করে থাকে এবং এটা traditional way তেই আয়োজন করে থাকে।

সিকদার তাহের আহমদ: রমজান মাসে ও ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের মাঝে, বিশেষত বাংলাভাষী ক্রেতাদের মাঝে মূলত কোন ধরনের খাদ্যপণ্যের চাহিদা বেশি দেখা যায়?

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: দেখেন, আমরা যেহেতু বাঙালি, আমি সবাই একটা বাংলাদেশি খাবার আমাদের সবসময়ই ইয়া করে আকর্ষণ করে। তো আমরা সবসময় দেখি যে রমজান আসলে জিলাপির চাহিদাটা অনেক বেড়ে যায় যেটা আসলে all year around আমাদের অতটা থাকে না। But রমজান আসলে এটার চাহিদা মনে করেন যে আকাশচুম্বী হয়ে যায়। হালিমের চাহিদা বেড়ে যায়। And আপনার পেঁয়াজু, আলুর চপ, ছোলা যেগুলো আসলে normal traditional restaurant এর খাবার না। But ওই সময়টাতে আসলে আমাদের বাঙালি traditional যে খাবারগুলো সবগুলোরই চাহিদা বেড়ে যায়। Rather than আপনার বিরিয়ানি, তেজপা বা অন্যান্য খাবার যেটা ভাত মাছের খাবার এটা আসলে ওরকমভাবে affect ই করে না, আমাদেরকে আকর্ষণ করে না। আকর্ষণ করে রমজানের ইফতারের item গুলা যেটা আমরা সবসময় খেয়ে থাকি বা traditionally আমরা enjoy করি।

সিকদার তাহের আহমদ: আর ঈদে?

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: আর ঈদের সময় আসলে আসলে আমরা ঈদটা তো সবাই ফ্যামিলিগতভাবে থাকি না তো আমরা সমষ্টিগত সবাই উদযাপন করি এখানে। ঈদের সময় আসলে আমাদের restaurant গুলা মূলত বন্ধই থাকে বেশি। কারণ আমরা সবাই ঈদ করতে, আমাদের staff যারা আছে তারা ঈদ করতে চলে যায়। তারপরও ধরেন ঈদের সময়টাতে ঈদের পরপরই আমরা আসলে বিরিয়ানি এবং সেমাই জাতীয় খাবারগুলোই আসলে বেশি পছন্দ করি। কারণ যেহেতু অনেকেই family টা miss করে তো তারা restaurant থেকে ডেকে আসলে চেষ্টা করে।

সিকদার তাহের আহমদ: মানে ঈদের আগে মিষ্টি বা দই বা এই জাতীয় কিছু advance নিয়ে যায় না?

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: মিষ্টির একটা চাহিদা আছে ভালো। কারণ হচ্ছে তাদের family কে আপ্যায়ন করতে হয় অনেকের ঈদের ই করার জন্য। দইয়ের চাহিদা অতটা বলব না। But অবশ্যই একটা মিষ্টির চাহিদা।

সিকদার তাহের আহমদ: আপনি তো মিষ্টি বানাতেও পারেন।

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: হ্যাঁ আমরা নিজেরা জিলাপি এবং মিষ্টি অনেক বানাইতাম। আমি ইনশাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দয়ায় এটা একটা বিশাল একটা ই ছিল আমাদের আরকি।

সিকদার তাহের আহমদ: তো রমজান উপলক্ষে কি অস্ট্রেলিয়ায় দ্রব্যমূল্য বেশি হয়?

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: আসলে ওইভাবে আমাদের আসলে এটা affect করে না। কারণ দ্রব্যমূল্য নিয়ে রমজানে কোনো বাড়া হয় না এবং বরঞ্চ আমি বলতে পারি যে আসলে এখানে যে বড় দুইটা super giant আছে যারা Coles এবং Woolworths তারা রমজান আসলে আমাদের এই area তে specially খেজুর বা অন্যান্য জিনিস specially দেয়। আরও দাম কমায়া দিতে চেষ্টা করে যে আমরা আসলে যেন afford করতে পারি। ঠিক আছে, আপনারা দেখবেন যে বড় বড় ভালো ভালো খেজুর অনেক উন্নতমানের খেজুরগুলো specially ছাড়ছে ওরা। So আর অন্যান্য পণ্যের দাম আসলে এখানে কোনোভাবেই এটা বাড়ানো হয় না বা বৃদ্ধি পায় না। যদি normal বাজারে বৃদ্ধি পায় all year around হ্যাঁ সেটা সেটা definitely হয়। But রমজান আসলে specially রমজান উপলক্ষে কোনো পণ্যের দাম বাড়ানো হয় বলে আমি এখনও ই পাই নাই আরকি।

সিকদার তাহের আহমদ: মানে যেসব পণ্য, যেসব খাবার বাংলাদেশ থেকে আসে মানে অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থেকে আসে যেমন পোলার চাউল। কখনো কখনো আমরা ফেসবুকে দেখি যে এটা নিয়ে মানুষ আপত্তি করে যে দাম বেড়ে গেছে। এরকম কি আপনার কোনো অভিজ্ঞতা আছে কিনা?

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: না, রমজান উপলক্ষে পোলার চালের দাম বাড়ছে বা ছোলার দাম বাড়ছে এই রকম অভিজ্ঞতা হয় নাই। আসলে মানুষ যেটা বলতেছে এটা তো পোলার চালের আসলে এখানে import এর যে সমস্যা আমরা যেটা supply থেকে জানতে পারতাম যে আমাদের import এর problem হয়। সেজন্য import যদি বেড়ে যায় আমরা দাম বাড়াই। But specially শুধু রমজান আসলে দাম বাড়ায় এরকম নজির আমি পাই নাই।

সিকদার তাহের আহমদ: এবার আপনার সম্পর্কে একটু জানতে চাই, একটু গভীরভাবে। যে আপনি কিভাবে restaurant ব্যবসায় জড়ালেন? আর এই ব্যবসায় কিরকম challenge রয়েছে?

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: আমার যদি, এটা তো অনেক বড় একটা কাহিনী। But still যদি short করেও বলি যে আসলে survive করার জন্য এখানে যদি ব্যবসা determine থাকেন, ব্যবসা করতে তাহলে কিছু না কিছু করতে হয়। তাহলে অনেকগুলো startup করতে হয়। তার ভিতরে আমার যে

সবাই জানে যে আমার restaurant startup টা ভালো কাজ করছে। আর আমি আসলে যখন ব্যবসা আরম্ভ করি এখানে restaurant ছিল খুব কম। আমি যদি নাম ধরে বলি তখনকার দিনের restaurant এ হাটবাজার প্রথমদিকে একজন খুশবু আর বনফুল। তো তারা normal কারি বা খাবার বিরিয়ানি বিক্রি করতো। তো আমি ওইখান থেকে একটু pick করলাম যে আমাদের আসলে একটা gap আছে যেটা street food এর gap। সেটা মানুষ পছন্দও করে। তো আমি যে street food choose করে একটা লাইনে ব্যবসা শুরু করলাম। আলহামদুলিল্লাহ success হইলাম। সবাই আসলো, ভালো feedback দিলো, ভালো support দিলো। তো সেই অনুযায়ী আরম্ভ করলাম আসলে নিজের ব্যবসাটাকে আসলে শুরু করছিলাম আরকি ওই সময়েতে। তো এটাই আরকি আসলে এটা হচ্ছে shortcut একটা।

সিকদার তাহের আহমদ: এটা তো মানে শুধু ব্যবসা করা না, আপনি তো একজন ভালো chef ও। তো আপনি রান্না কিভাবে শিখলেন বা এই বিষয়ে আগ্রহী কিভাবে হলেন?

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: ও ওয়েল দেখেন একটা জিনিস হচ্ছে আমরা যারা আসি এখানে প্রথমে হয়তো আমাদের অনেকেরই অংশ আমরা শুরু করি restaurant এর কোথাও কোন না কোন restaurant এ student সময় আসার সময় restaurant এ এক কাজ দিয়ে শুরু করি। তো ওইখান থেকে আসলে আস্তে আস্তে আপনার অভিজ্ঞতা চলে আসে বা আপনার একটা কাজে পারদর্শী হয়ে যান experience হয়ে যান। তখন এটার experience এর বাইরে আসলে অন্য কাজ করাটা আপনার সেটা comfort feel করে না আমরা আরকি। তো সেই অনুযায়ী আমি আসলে সেই যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে আমার ওইখান থেকে এসে গেছে student life এর কাজের থেকে। যেহেতু আমি student life এ অনেক কিছু restaurant এ কাজ করেছি তো ওইখান থেকে আসলে ইয়ে আসছে। আর দ্বিতীয় কথা হচ্ছে কিছু কিছু শেইখের ক্ষেত্রে মানুষের বলে যে আসলে মানুষের হাতেরও তাই থাকে। মানে যেটাকে বলে খাবারকে test করার বা একটা আল্লাহ প্রদত্ত কিছু ইয়া থাকে।

সিকদার তাহের আহমদ: বিশেষ দক্ষতা আপনার।

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: বিশেষ দক্ষতা থাকে আরকি। তো আল্লাহ হয়তো আমার হাতে ওইটা দিয়েছিল বা এখনও আছে। সো সেইজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি যে রমজান মাসে যে না আমি আসলে ওই ক্ষেত্রেই আমি বলতে পারি যে আমার আসলে ওই অভিজ্ঞতাটা আর প্লাস এই যে হাতের যে ইয়াটা এইটা একসাথে কাজ করছে আরকি।

সিকদার তাহের আহমদ: না এই বিষয়টা নিয়ে আরেকটু মানে আরও জানতে চাই যে কেউ কেউ বলেন যে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি খাবারে দেশের স্বাদ পাওয়া যায় না। খাবারের উপকরণের ভিন্নতার কারণে নাকি এই স্বাদটা আসে না। এ বিষয়ে আপনার কি মতামত?

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: আমি যদি একটু একটু ভেঙে বলি দর্শকদেরকে যারা শুনছেন তাদেরকে। সেক্ষেত্রে অনেকগুলা factory তো কাজ করে এখানে। বাংলাদেশে যে আমরা যখন খাই অনেক taste লাগে। আর এখানে খেলে ওই tasteটা পাই না। এর কারণ হচ্ছে অনেকগুলা কারণের ভিতরে হচ্ছে একটা কারণ হচ্ছে যে ingredient। আপনি যদি দেখেন এখানে বাংলাদেশে একটা যদি beef কারিও পাক করে কেউ beef নিয়ে আমি কথা বলি। দেখেন fresh কাটছে সকালে দুপুরে আপনি চড়াই দিচ্ছেন বা হোটেলের হোটেলের ইয়া সকালেই সকালেই মাংসটাকে কুক করতে বসায় দিচ্ছে। it's a fresh একদম fresh। ওইটার tasteটা আপনে definitely এখানে আনতে পারেন না। কারণ আমাদের যেখানে যেই meat supply আসে বা supplyটা আসে সেটা definitely one to two days old থাকে, frozen থাকে তারপরে আমরা পাক করি। এটা একটা factor। দুই number factor হচ্ছে মসলাগুলা আমাদের বাংলাদেশ থেকে আসে। কতদিনের পুরানা মসলা আমরা জানি না। ঠিক আছে? ওইখানে একটা factor কাজ করে। ঠিক আছে? দুই number factor অনেকগুলা factor এর ভিতরে এই factor গুলা বিশাল বড় একটা অংশের কাজ করে। কারণ fresh যখন আপনি খাবেন fresh পাক করবেন তাইলে আপনাকে definitely taste টা কয়েকশ গুণ বেশি থাকে। আর এইখানের যেটা হচ্ছে যেটা আমরা পাক করি সেটা হচ্ছে frozen item গুলা পাক করি। মাছ হোক, এটা রুই মাছ হোক বা

আপনার মাংস হোক obviously definitely all frozen item। আর এই frozen item এ আমরা অতটা স্বাদ আনতে পারি না। এর মূল কারণ হচ্ছে যে আমরা আসলে বাংলাদেশের মত অতটা টাটকা fresh জিনিস এইখানে পাই না। আর এই না পাওয়াতে আমাদের অনেক কিছুতেই আমরা compromise হয়ে যায়। আমাদের taste টা compromise হয়ে যায়। on top of that আমরা যে বাংলাদেশে যে ঘি পাওয়া যায় সেই ঘিটা হয়তো অনেক দিনের পুরানা অথবা we don't know that এটাতে কিছু আছে কিনা। তো ওই জিনিসগুলো আমাদের এখানে affect করে। তো এই affect গুলো সবগুলো সমস্তগুলো মিলাইয়া যেই taste টা বাংলাদেশে পাওয়া যায় এই taste টা এইখানে পাওয়া যায় না। hundred percent পাওয়া যায় না।

সবাই হয়তো করে কাছাকাছি পাওয়া যায়। এটার একটা বিশাল কারণ হচ্ছে আমাদের ingredient। if it is fresh you will get the best taste, if it is not fresh আপনি বুঝতে পারছেন যে এটা আসলে ওই স্বাদটা দিবে না। যেই স্বাদটা বাংলাদেশের মানুষের মাথার ভিতরে ঢাকা শহর অথবা তার

local area তে খাওয়া-দাওয়া করছে ওই taste টা সে পাবে না।

সিকদার তাহের আহমদ: মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম SBS বাংলাকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম: আপনাকেও ধন্যবাদ। সেই সাথে সকল শ্রোতাদেরকেও জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।

END OF TRANSCRIPT

Share

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Watch now