রমজানের জন্য যেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে লাকেম্বার রেস্টুরেন্টগুলো

LAKEMBA NIGHTS RAMADAN

Members of the community visit Haldon Street during Ramadan at Lakemba in Sydney, New South Wales, Thursday, March 6, 2025. (AAP Image/Flavio Brancaleone) NO ARCHIVING Source: AAP / FLAVIO BRANCALEONE/AAPIMAGE

পবিত্র রমযান ও ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতি নিয়ে এসবিএস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন সিডনির লাকেম্বার মাকসুদা ফুড এবং নবান্ন রেস্টুরেন্টের মালিক এএনএম মাসুম।


এএনএম মাসুমের সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।

Follow SBS Bangla on FACEBOOK.

এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট

আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?

এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।

এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.

আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস

Read more about SBS’s use of AI

সিকদার তাহের আহমদ: আসন্ন রমজান ও ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতি নিয়ে শ্রোতা বন্ধুরা, এখন আমরা কথা বলছি সিডনির লাকেম্বার মাকসুদা ফুড এবং নবান্ন রেস্টুরেন্টের এএনএম মাসুমের সঙ্গে।

মাসুম ভাই, এসবিএস বাংলায় আপনাকে স্বাগত।

এএনএম মাসুম: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমাকে এসবিএস বাংলায় কথা বলার জন্য যে সুযোগ করে দিয়েছেন, তার জন্য এসবিএস বাংলা এবং আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

সিকদার তাহের আহমদ: আসন্ন রমজান উপলক্ষে কি বিশেষ কোন প্রস্তুতি নিচ্ছেন? খাবারের মেনুতে ওপেনিং আওয়ারে কি কোন পরিবর্তন আসবে?

এএনএম মাসুম: ইনশাল্লাহ! আমরা রমাদান শুরুর দিন থেকেই আমাদের যে স্পেশাল প্রস্তুতিগুলো রয়েছে প্রথমে আমি বলে নিচ্ছি যে, আমাদের ওপেনিং আওয়ার সেইক্ষেত্রে আমরা আমাদের দুটো রেস্টুরেন্ট হয়তো আমরা নরমালি যেমন সকাল থেকে শুরু করি ব্রেকফাস্ট এবং বা ওই ওরকম না হয়। যেহেতু আমরা এখানে কমিউনিটি বিজনেস এবং আমাদের বেশিরভাগ কাস্টমারও আমাদের কমিউনিটি ভাই ব্রাদার বা আপুরা যারা কর্পোরে যেভাবেই আসেন তো আমাদের সেই অংশটুকু থাকবে না। ব্রেকফাস্টের আমরা হয়তো দশটা এগারোটার দিকে শুরু করব প্রিপারেশন। যারা নন রিলিজিয়াস বা যারা রমাদান পালন করেন না তাদের জন্য টুকটাক হালকা স্ন্যাক্স বা চা এই রকম ব্যবস্থা থাকবে। কারণ প্রত্যেকের জন্য একটু সুবিধাটা রাখতে হচ্ছেই। কারণ সবাই তো আর রমাদানের উপলক্ষে রমাদান পালন করবে না। তো সেইক্ষেত্রে আমরা শুরু করব এগারোটা বারোটা থেকে আমাদের শুরু হবে সেক্ষেত্রে এদিক থেকে কমে। আপনি জানেন যে, লাকেম্বার হাল্ডন স্ট্রিটে বিশাল ফেস্টিভ্যাল হয় মান্থ লং। সেক্ষেত্রে আমরা আমাদের দুটো রেস্টুরেন্ট, মাকসুদা ফুড এবং নবান্ন রেস্টুরেন্ট রাত্রে তিনটা পর্যন্ত খোলা রাখার চিন্তা করতেছি। এবং আমি আপনাকে বিশেষ আয়োজনের দিক থেকে যেগুলো হয়ে থাকে আমাদের। আপনারা জানেন যে, বাংলাদেশের রমাদান উপলক্ষে সেই জিলাপি বা ইফতার যে আইটেমগুলো ছোলা, বেগুনী বা অন্যান্য কাবাব, খাবার, হালিম, তেহারি এগুলো তো পাশাপাশি থাকছেই। আর এগুলো থাকবে এবং এইটাই আবার দেখা গেছে অন্যান্য আমার আরেক রেস্টুরেন্টেও আমরা সেভাবে ইফতার এবং ডিনারের জন্য স্পেশাল বিল রাখবো এবং সেটা লেট নাইট পর্যন্ত খোলা থাকবে। এবং এগুলো নিয়েই আমাদের প্রতিবছর যেরকম আয়োজন থাকে, এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। আমরা সেই একই রকমভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সিকদার তাহের আহমদ: রমজান মাসে ও ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের মাঝে, বিশেষত বাংলাভাষী ক্রেতাদের মাঝে মূলত কোন ধরনের খাদ্য পণ্যের চাহিদা বেশি দেখা যায়?

এএনএম মাসুম: যেহেতু আমি রেস্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িত, এখানে একটা বিশাল অংশ যেমন আপনার ভাজা জিলাপি যেটা ফ্রেশ, আমরা মাকসুদাতে গত আট দশ বছর ধরে করে আসতেছি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না ইনশাল্লাহ। আমরা ফ্রেশ জিলাপি, ফ্রেশ ইফতার আইটেমগুলো মানে একদম ফ্রেশ ফ্রেশ ভেজে, অল্প অল্প ভেজে অল্প অল্প করে আমরা সার্ভ করতেছি। পাশাপাশি হালিম থাকবে, তেহারি থাকবে, বিভিন্ন টাইপের কাবাব থাকবে। ছোলা, বুট, পেঁয়াজু, বেগুনী যেগুলো নরমালি রমাদানের জন্য থাকে সেগুলোও থাকবে। আরও হয়তো আমরা চিন্তা করতেছি কিছু স্পেশাল ড্রিংকস। এগুলো আসলে আমরা করি তখনই যখন এগুলো আমরা একটা বেইজ হয়ে গেছে। আমাদের একটা আইডিয়া হয়ে গেছে যে, যেহেতু কমিউনিটি বিজনেস, বাংলা ভাষাভাষীরাই এখানে বেশি পরিমাণে ভিড় করেন, তো আমরাও তাদের চাহিদার কথা চিন্তা করে, আপনি যদি একটু চিন্তা করেন ঢাকার সেই পুরন ঢাকার ইফতার বলেন বা বাংলাদেশের অন্যান্য শহরে আনাচে কানাচে যেই রমাদান উপলক্ষে যে আয়োজনগুলো হয়ে থাকে, আমরা ঠিক অনেকটাই সেই দেশীয় ভাইব দেওয়ারই চেষ্টা করি। এবং পাশাপাশি ডিনার বা অনেকে যেমন একটু ভাত মাছ খেতে পছন্দ করেন। মাছের আইটেম থাকে, ভর্তা থাকে, ডাল থাকে। রেস্টুরেন্টগুলো এইরকম ইয়ে করে এবং রমাদানের জন্য যেই মানে ইফতারের আইটেমগুলো এগুলো খুব ভালো পরিমাণ প্রত্যেকটা রেস্টুরেন্ট এবং আমি আমার নিজের রেস্টুরেন্টের কথাই বলছি যে, আমরা খুব ভালোভাবে ফ্রেশ এবং ইনশাল্লাহ যে ক্রেতাদের মানসম্মত এবং এরা... আমরা আপনি জানেন যে বরাবরই আমরা রমাদান উপলক্ষে লাকেমবা খুব বেশি পরিমাণ বিজি থাকে এবং অনেকটা আলহামদুলিল্লাহ আমরা একটা গর্বের সাথে বলতে পারি যে, বাংলাদেশীদের বা বাংলা ভাষাভাষীদের যে একটা আস্থার জায়গা, সে আস্থার জায়গাটা এখনো অটুট রয়েছে এবং আশা করি এবারও আমরা তাদের আস্থার প্রতিদান দিতে পারবো।

সিকদার তাহের আহমদ: রমজান উপলক্ষে কি অস্ট্রেলিয়ায় দ্রব্যমূল্য বেশি হয়?

এএনএম মাসুম: আলহামদুলিল্লাহ! এদিক থেকে আমরা, আমি, আমি বাংলাদেশকে খাটো করে বলব না। হয়তো আমাদের সিস্টেমের যেই দুর্বলতা রয়ে গেছে আমরা সেটা দেখি যে, রমাদান উপলক্ষে আমাদের দ্রব্যমূল্যের দাম অনেক বেশি পরিমাণ বেড়ে যায় হঠাৎ করে। এবং আমরা বিভিন্ন পেপার পত্রিকা মিডিয়ার মাধ্যমে জানেন, আপনিও মিডিয়ার পার্সন, আমিও একটু প্র্যাকটিস করি যেকোনো একটা প্ল্যাটফর্ম থেকে। তা আমরা দেখি যে, এখানে একটা সিন্ডিকেট কাজ করে, বাংলাদেশের বলে এখানে সেই সিন্ডিকেটটা নাই। আপনাকে একটা সবচেয়ে একটা মজার বিষয় বলতেছি আমি, কালকে আমি লাকেম্বার উলি যে গেলাম, সেখানে গিয়ে দেখলাম যে, ডিফরেন্ট টাইপসের খেজুর, ডেটস। রমাদান উপলক্ষে এগুলো খুব মানে তারা এগুলো স্টক আপ করছে এবং স্পেশাল প্রাইসে দিয়েছে।

সিকদার তাহের আহমদ: স্পেশাল মানে, মানে কম প্রাইসে না বেশি প্রাইসে?

এএনএম মাসুম: মোটামুটি কম প্রাইসে এবং রমাদান উপলক্ষেই এদের এই ভ্যারাইটি প্রায় সাত আট রকমের ডেটস তারা থরে থরে সাজিয়ে রেখেছে। এবং অন্যান্য আমরা নরমালি যে খেজুরগুলো যেভাবে কিনি, আমি কম্পোরেটিভ তুলনা করে দেখলাম যে, না এগুলোর দাম এবং মানের দিক থেকে অনেক ভালো। বিশেষ করে মেদজোল খেজুরটা হলো সবচাইতে ভালো। এটা খুব বড় এবং খুব সুমিষ্ট। তো মেদজোল খেজুরটা আমি দেখলাম যে, নরমালি আমরা যেটা বিশ বাইশ টাকা, পঁচিশ টাকা করে কিলো কিনি, উলি যে ঠিক পনেরো ষোলো টাকার মধ্যেই দিয়ে দিচ্ছে। তো, আপনি দেখেন যে একটা নন মুসলিম কান্ট্রি, একটা রিলিজিয়াস ফেস্টিভ্যাল এবং এটা যে একটা অনার, এটা খুব মানে অস্ট্রেলিয়া থেকে এতটুকু গর্বের সাথে বলতে পারি আমরা যে, না এখানে প্রত্যেক ধর্মের, প্রত্যেক গোত্রের মানুষ মানে প্রত্যেকটা সিগনিফিকেন্ট ইভেন্টে যেই ধরনের লাকজারি বা যেই ধরনের এস্পেক্ট এনজয় করে আমি জানিনা, পৃথিবীর অন্য কোথাও এই ধরনের প্রেস্টিজিয়াস দিনগুলো বা এই ধরনের জিনিসগুলো কেউ ভোগ করে কিনা। তো এদিক থেকে আমরা খুবই লাকি। কোন দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি হয় না, বরং দ্রব্যমূল্যের দাম খুব সীমিত আকারে প্রত্যেকটা দোকান সবাই খুব হেল্পফুল।

সিকদার তাহের আহমদ: কিন্তু বাংলাদেশি গ্রোসারী যেগুলো, যেগুলোতে বাংলাদেশের পোলাও, চাল বা অন্যান্য পণ্য আসে। মাঝে মাঝে ফেসবুকে দেখি আমরা যে, মানুষ বলে যে এগুলোর দাম বাড়ানো হচ্ছে।

এএনএম মাসুম: আপনি

জানেন, আমি কমিউনিটিতে একটু টুকটাক বিভিন্নভাবে কাজ করার ট্রাই করি। ট্রাই টু লিড দ্য কমিউনিটি ফ্রম দ্য ফ্রন্ট উইথ দ্য এল্ডারস অ্যান্ড সিনিয়র্স।... তো সেই ক্ষেত্রে অনেক ব্যবসায়ীর সাথে আমার খুব ভালো ইন্টার‍্যাকশন রয়েছে। আমি যতটুকু জানি, পোলাও চালটা নিয়ে একটা ভালো হিকাপ ছিল। বিশেষ করে গত দুটো বছর সেটা হল যে, ফার্মিংেশন একটা প্রবলেম ছিল। যে বাংলাদেশ থেকে ফার্মিংেশন করানো বা যেটা হঠাৎ করে অস্ট্রেলিয়ান গভমেন্ট এটার উপর একটা রুলস দিয়েছে যে, ফার্মিংেশন ছাড়া এখানে আনা যাবে না। তো এখানে হঠাৎ করে একটা ক্রাইসিস তৈরি হয়ে গেল। আমি নিজের রেস্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িত। আমাদের প্যালেট টু প্যালেট পোলাও চাল আসে, সেই ক্ষেত্রে আমরাও পাই নি। তো আপনি জানেন যে, হঠাৎ করে যদি কোন কিছু ক্রাইসিস হয় এটা তো স্বাভাবিক। আমিও যদি দেখি আমার গাড়ির দাম বাড়তেছে, আমি তো ডেফিনিটলি আমার গাড়িটাকে আমি হোল্ড করব বিক্রি করার জন্য, আরেকটু দাম বাড়লে আমি বিক্রি করব। এটা স্বাভাবিক এক ধরনের টেন্ডেন্সি কাজ করে। কিন্তু ইচ্ছে করে যে এটা বাড়ানো হয়েছে এটার সাথে আমি টোটালি একমত নই। কারণ আমি বিশেষ করে গত দু বছর দেখলাম পোলাও চালগুলো সিঙ্গাপুর হয়ে, ইন্ডিয়া হয়ে বা কোথাও কখনো দুবাই হয়ে ফার্মিংেশন করে সেখানে মনোগজাব করে তারপরে অস্ট্রেলিয়াতে ঢুকানো হয়েছে। তো, মাঝখানে যে এক ধরনের ক্রাইসিসটা ছিল, ক্রাইসিসের জন্য কিছু অটোমেটিক দাম বেড়েছে এবং এই যে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি না এসে সিঙ্গাপুর হয়ে বা দুবাই হয়ে আনার কারণে যেই এক্সট্রা কস্ট, তার জন্য কস্টিংটা বেড়ে গেছে। তো আমি এখানে সরাসরি ইমপোর্টারদের ওইভাবে দোষারোপ করব না। তাদের ইয়ের কারণে দামটা বেড়ে গেছে। এখন যখন আবার মাঝখানে বাংলাদেশের থেকে আনাটা শিথিল হলো, ঠিক এখন আবার কিন্তু দাম কমে গিয়েছে। তো আমরা এখানে কোন হিসেবে ব্যবসায়ীদেরকে দোষ দিব? হতে পারে, হ্যাঁ, দুই একজন ব্যতিক্রম। সেক্ষেত্রে রিটেইলার যারা সেল করে সেক্ষেত্রে অনেক রিটেইলার ট্রাই করে তার কাছে যদি সে এক্সাম্পল দুই প্যালেট চাল থাকে, সে জানে বাকি চাল আসবে না, এক মাস, দুই মাস, তিন মাস, ছয় মাস। তখন সে ইচ্ছা করে হয়তো একটু অধিক মুনাফা লাভের আশায় ব্যতিক্রম দুই একজন থাকতেই পারে। কারণ হাতের পাঁচ আঙ্গুল একরকম হয় না, আপনি জানেন। তো এটা আসলে বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এটা একটা এক্সাম্পল হতে পারে না, দুই একজন ব্যতিক্রম থাকতেই পারে।

সিকদার তাহের আহমদ: এসবিএস বাংলা শ্রোতাদের উদ্দেশে আর কিছু বলবেন?

এএনএম মাসুম: এসবিএস বাংলার শ্রোতাদেরকে রমজানের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি, অগ্নী শুভেচ্ছা। লাকেমবায় আসবেন, সবাই আসবেন। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করবেন এবং আমার পক্ষ থেকে লাকেম্বায় দাওয়াত রইল। আপনারা ভিজিট করবেন এবং কোন ধরনের প্রবলেম যদি আপনারা ফেস করেন, হ্যাপিলি আমাকে নক করবেন। আমি আপনাদেরকে অ্যাসিস্ট করার ট্রাই করব এবং আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

END OF TRANSCRIPT

Share

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Watch now