এসবিএস বাংলা। আজকের এই বিশেষ পর্বে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি, আমি সুজন চক্রবর্তী। অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে এসে প্রায় সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর প্রথম বড় চ্যালেঞ্জ হলো পার্টটাইম চাকরি পাওয়া। এসব বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে এসবিএস বাংলার সাথে কথা বলেছেন মিস্টার পাইচিংমং মারমা। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়াতে কাজ করছেন। আজ শুনবেন দুই পর্বের সাক্ষাৎকারটির দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব। [মিউজিক]
সুজন চক্রবর্তী: আমরা যারা বাংলাদেশ থেকে শুরুতে এসে একমাস পরেই কমপ্লেইন করতে থাকি যে, আমি সিভি জমা দিচ্ছি কিন্তু আমার জব হচ্ছে না। তো, আপনার দৃষ্টিতে কি তাদের নেটওয়ার্কিং এ বেশি মনোযোগী হওয়া দরকার?
পাইচিংমং মারমা: এখন নেটওয়ার্কিং এর ব্যাপারটাও আবার একটু ট্রিকি। আপনি এখানে অস্ট্রেলিয়ায় পা দিয়েই আপনি কোথায়, কার সাথে আপনি নেটওয়ার্কিং করবেন, সেটা তো আপনি জানেন না। আবার এখানে ঠিক কি কাজ করলে, কেমন করে কাজ কাজ করলে, কোথায় কাজ করলে ঠিক ওটা জমবে, নেটওয়ার্কিং টা ভালো হবে সেটাও তো আপনি জানেন না। তো, যেটা হয় যে, এখানে বাংলাদেশ থেকে এসেই কেউ যখন ওরকম অবস্থার মধ্যে পড়ে, আমি আমার মনে হয় যে তখন একটা পিয়ার নেটওয়ার্ক, বন্ধু-বান্ধব, সমাজ, কমিউনিটি যারাই আছেন। এখন ফেসবুকেও বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকগুলো গ্রুপ আছে। তো, সেখানে গিয়েও এরকম আলাপ-আলোচনাগুলো হতে পারে। সেটা আবার আমাদের কমিউনিটিগুলো বেশ শক্তিশালী এবং বেশ সহযোগিতা পূর্ণও বটে। তারা বিভিন্ন হেল্প টেল্পও করেন। তো, এ্যাজ এ রেজাল্ট কেউ যদি ফ্র্যাংকলি গিয়ে যদি বলেন যে, আসলে আমি অনেকদিন ধরে কাজ খুঁজছি, আমি কাজ পাচ্ছি না, কি করলে কিভাবে আমি জানি না। তো, এটাও একটা কিন্তু এমপ্লয়মেন্ট নেটওয়ার্ক। এই যে কমিউনিটি গ্রুপ যেগুলো আছে, এগুলো কিন্তু একটা এমপ্লয়মেন্ট নেটওয়ার্ক। হ্যাঁ, তো সারটেনলি এখানে এসে যে কেউ যখন বলে যে আমি শুধু চাকরি অ্যাপ্লাই করছি, কেউ আমাকে ডাকছে না, এটা অবশ্যই সত্য কথা। আমি নিজেও অনেকগুলো অ্যাপ্লাই করেছি। কারণ হয় কি যে, ধরেন আমরা বাংলাদেশ থেকে যে সিভি নিয়ে আসি সেগুলো অনেকটা জেনেরিক, সেটা অনেক সেগুলো অনেকটা জেনেরিক হয়ে থাকে, একই রকমের কথাবার্তা। তো, এখানে যে কথাগুলো এখানকার জব মার্কেটে যেটাকে খুব বড় করে বলে যে, টু সেল ইয়োরসেল্ফ। এই কথাটা আবার আমাকে একজন এমপ্লয়ার বলেছিলেন, আরকি। আমি ওখানে অ্যাপ্লাই করেছিলাম। আমাকে উনি নেননি, ঠিক আছে। কিন্তু আমাকে আবার উনি পার্সোনালি বলেছিলেন, "তোমাকে আমার ভালো লাগছে, বাট আই থিংক ইউ আর নট সেলিং ইয়োরসেল্ফ প্রপারলি। তোমার সফট স্কিল আছে, কিন্তু মার্কেট ওয়াইজ ঠিক আমরা যেমনটা খুঁজছি সেটা নেই। তুমি মনে হয় তোমাকে ঠিকঠাক মতো বিক্রি করতে পারছো না।" যেটা হয় যে, সিভিগুলো যখনই ওরা অ্যাপ্লাই করে তো এমপ্লয়ারের সফটওয়্যার সেগুলো আগে ডিটেক্ট করে। যে, এমপ্লয়ারের কিছু কিওয়ার্ড আছে যে, এগুলো ঐ ঐ ক্যান্ডিডেটের সিভি এর মধ্যে ওগুলো আছে কিনা? আগেকার সময়ে ছিল অ্যালগরিদম। এখনকার সময়ে যেটাকে এ আই ও আমরা বলতে পারি। যখন ওরা দেখে যে আমি ঠিক যেমনটা চাচ্ছি, একটা পদের বিপরীতে দেখা গেল অ্যাপ্লিকেশন পড়েছে এক হাজার। তো, এক হাজার জনের সিভি দেখা তো সহজ ব্যাপার না। তো সফটওয়্যার দিয়ে ওরা ডিটেক্ট করতে চায় যে, আসলে আমি যাকে খুঁজছি সে এই সিভি এর মধ্যে সেগুলো আছে কিনা। যেমন ধরুন কি, আপনি খুঁজছেন কাস্টমার সার্ভিসের রোল। তো, এখানকার অস্ট্রেলিয়ার পরিভাষায় ওরা, ওরা খুঁজবে যে পিপল পারসন। বাংলাদেশে তো আসলে পিপল পারসন এই শব্দটা বা এই এই শব্দ-
সুজন চক্রবর্তী: প্রচলিত নয়।
পাইচিংমং মারমা: ... প্রচলিত না। বাংলাদেশে যদি গিয়ে বলি যে, পিপল পারসন, তো সেখানে ঠিক ওরা ওটা ঠিকঠাক মতো অনুধাবন করতে পারবে না, ঠিক আমি কি বুঝাতে চাচ্ছি? বা ধরুন, কিওয়ার্ডসগুলো কেমন হতে পারে যে, পিপল পারসন, বাবলি, রিস্ক টেকিং অ্যাটিটিউড এক্সেট্রা এক্সেট্রা। তো, ফলে এখানকার জব মার্কেটের মতো করে সিভিটাকে একটু টেলারিং করতে হবে, ওভাবে টুইক করতে হবে। তারপরে অন্যান্য স্টেজে চলে আসে। প্রাইমারি স্ক্রিনিং এর পরে হয়তো বা কেউ হয়তো ফোন করবে। ফোন করার পরে ওরা বুঝতে পারবে যে, হ্যাঁ, এর কথাবার্তাগুলো কিছুটা মিলছে, এবার আমিও ওর সাথে ইন্টারভিউতে বসতে পারি। তো, এইভাবে ধাপে ধাপে এটা আগায়। ফলে যেটা হয় যে, অনেকে কয়েকশ অ্যাপ্লাই করেও যখন কেউ সাড়া পায় না, তখন ওদের মধ্যে এটা এই, এই এক ধরনের হতাশা চলে আসে আরকি।
সুজন চক্রবর্তী: আপনি বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করেছেন এবং কথাও বলছিলেন সফট স্কিল আর হার্ড স্কিলের বিষয়ে। আপনি বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করে যে ধরনের স্কিল শিখেছেন, সেগুলো পরবর্তী উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে শিখেছিলেন বা মাথায় কি এরকম ছিল কিনা যে, এই স্কিলটা আমার ভবিষ্যৎ যে টার্গেট আছে সেটার জন্য খুবই জরুরি? এই ধরনের সেক্টর ওয়াইজ কোন কিছু ছিল কিনা আপনার মধ্যে?
পাইচিংমং মারমা: আমি মেলাতে চেয়েছিলাম যে, আমার অভিজ্ঞতা কি ছিল, সেটা আমি এখানে কাজে লাগাতে পারি কিনা? আমি যা কিছু পড়েছি সেটা এখানে কাজে লাগাতে পারি কিনা? তৃতীয়ত হচ্ছে, আমার প্যাশন যেটা, আমার যা কিছু করতে ভালো লাগে। আমার ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। তো, আমি এখানকার কনসালটেন্সি সেক্টরে কাজ খুঁজে পেতে পারি কিনা, ওটা আমার মাথায় ছিল। কিন্তু আমার প্যাশন ছিল হচ্ছে লেখালেখি। তো, ওই সূত্রেই আমি এসবিএস বাংলার কাজ খুঁজে পাই। যেটা শুরুতেই বলেছিলাম যে, আমি গার্মেন্টস সেক্টরে কাজ করেছি বছর দুয়েক। ঢাকা আর মার্চেন্ডাইজিং এর লাইফ ভালো না লাগার কারণে আমি খার dotycząছড়িতে ফিরে যাই এবং সেখানে একটা লোকাল অর্গানাইজেশন, এনজিও, কিন্তু ইউএনডিপি ফান্ডেড প্রজেক্টে কাজ করেছিলাম বছর দুয়েক। তো, সেই সূত্রে আমি আবার এখানে খুঁজছিলাম যে, নট ফর প্রফিট এনজিও সেক্টরে আমি এখানে ঢুকতে পারি কিনা? এভাবে নানানভাবেই দেখা আরকি, যে আসলে ঠিক কোন সেক্টরে গেলে আমি আমার স্কিল কাজে লাগাতে পারব। আমার অভিজ্ঞতা এবং আমার একাডেমিক জ্ঞান কোথায় গিয়ে কাজে লাগালে, কোন সেক্টরে গেলে ঠিকঠাক মতো কাজে লাগবে, ওগুলা আমি এক্সপ্লোর করেছিলাম। এটাকে জব এক্সপ্লোরেশন ও বলতে পারেন আপনি। সেভেন ইলেভেনের কাজ ছয় বছর ধরে আমি করেছি, মূলত জীবিকা নির্বাহের জন্য। সে সঙ্গে সঙ্গে অন্য কিছু করেছি, যেমন বছর বছর দেড়েক আমি ভলান্টিয়ারিং করেছি নট ফর প্রফিট অর্গানাইজেশনে। কনসালটেন্সি ফার্মে ইন্টার্নশিপ করেছি। তারপরে নট ফর প্রফিটে ভলান্টিয়ারিং, ভলান্টিয়ারিং করার সুবাদে আমি নট ফর প্রফিট সেক্টরে আমি চাকরি করেছি প্রায় বছর দুয়েক। তবে সবই আসলে ছিল ওই-... বেশ কঠিন যাত্রা। চট করে কেউ আমাকে ফুলটাইম একটা ভালো বেতনের বা প্রসপেক্টিভ ওরকম অফার দেয়নি। এ করতে করতে সর্বশেষে পাবলিক সেক্টরে এসে স্থিত হয়েছি আরকি।
সুজন চক্রবর্তী: এআই এর পূর্বে এবং এআই পরবর্তী জব সেক্টরে কাজ করছেন। এআই এর প্রভাবটা কেমন দেখছেন?
পাইচিংমং মারমা: এখন আমি কাজ করছি পাবলিক সেক্টরে। বাংলাদেশের কনটেক্সটে আমি এটাকে বলতে পারি, অ্যা, সমাজসেবা অধিদপ্তর। অস্ট্রেলিয়ার কনটেক্সটে হচ্ছে সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়া। এখন এখানে কাজ করতে গেলে, অ্যা, আমরা আমাদের হচ্ছে পিপল সেন্ট্রিক কাজ। এখানে যে সামাজিক নিরাপত্তা পলিসির মাধ্যমে যে বিভিন্ন সামাজিক পরিষেবা এবং যে বিভিন্ন ভাতা প্রদান করা হয়, আমরা সেগুলো প্রসেস করে থাকি। এখানে এআই নিয়ে আসা হচ্ছে। আবার এখানে আবার যেহেতু পাবলিক সেক্টর, চাইলেই আমাদেরকে আমাদের এমপ্লয়ার বলতে পারেন না যে, কাল থেকে তুমি আর এসো না, বিদায়। কারণ তোমার জায়গাটা এখন এআই অনেক ভালো করছে। সুতরাং তুমি আর আসবে না। কিন্তু এই, অ্যা, আশঙ্কাটা আমাদের সবার মধ্যে কম বেশি আছে। আবার এটাকে ঠিক উড়িয়েও দেওয়া যায় না। কারণ আমরা যেটা করছি এটা এআই খুব এফিশিয়েন্টলি করতে পারে। মানে, নট হান্ড্রেড পার্সেন্ট। আমরা যা কিছু করছি তার মধ্যে ধরেন কিছু কিছু কাজ ওরা আবার খুব ভালো এফিশিয়েন্টলি করতে পারে। যেসব জব মার্কেট টু মাচ অ্যাফেক্টেড বাই টেকনোলজি, সেখানে আবার এআই অনেক বড় একটা রোল প্লে করছে। যেমন ডাটা প্রসেসিং এর কাজ, এখন ডাটা প্রসেসিং এআই অনেক ভালো পারে। তো, ফলে আগে যে কর্মীরা ডাটা প্রসেসিং করতো সে জায়গাটা এখন এআই দখল করে নিচ্ছে আস্তে আস্তে। তবে অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে ওরকম জায়গায় যাবে না। কিন্তু আমাদের ওটা শিখে নিতে হবে মোর সোনার অর লেটার।
সুজন চক্রবর্তী: এআই বিষয়টা তো তখনই আসে যখন আমার চাকরি আছে বা চাকরি পেতে চাচ্ছি, নতুন একটা জবে যেতে চাচ্ছি, আমার স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর বিষয়ে। কিন্তু এখন নতুনভাবে আরেকটা বিষয় জানতে চাই। সেটা হচ্ছে, যারা এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ায় আসছে বাঙালি বা বাংলাদেশি বা পশ্চিমবঙ্গ থেকে অনেকে চাকরি না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শটা কি হবে আপনার?
পাইচিংমং মারমা: চাকরি বা কাজ নিয়ে আমরা যেভাবে ভাবি, যেভাবে আমরা এটাকে দেখি, যে দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখি, যে কনটেক্সট থেকে আমরা দেখি সেটাকে ভিন্নভাবে এখানে ভাবা দরকার। যেমন ধরুন, আমি যদি বলি যে ঝাড়ু দেয়ার কাজ কিংবা টয়লেট ক্লিনিং এর কাজ, বাংলাদেশে এটা বলবে, ও তুমি মেথরের কাজ করো? ছি ছি! তুমি না মাস্টার্স পাশ। তুমি কি করে এখানে মেথরের কাজ করো? আর যদি বলি যে আমি এখানে সিকিউরিটির কাজ করি। ও তুমি চৌকিদার, পাহারাদার। তোমার বাবা এত ডিগ্রি নিয়ে কি লাভ হলো? তুমি যদি চৌকিদারই হলে ওখানে গিয়ে। তাহলে আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গিটা মনে হয় পাল্টানো দরকার। যে আবার আমাদের এরকম ভাবনা থাকে যে আমি মাস্টার্স পাশ করেছি, ওখানে আমি ওখানে অনেক বড় একটা কিছু কাজ করেছি। কিন্তু এখানে এসে আমি আমার কাজ পাচ্ছি না। এখানে দৃষ্টিভঙ্গির একটা বদ, একটা পরিবর্তন দরকার। কোথাও কোন জব সাইটে ওয়েবসাইটে সিভি না দিয়ে আমি বরং তাকে পরামর্শ দেব যে, তুমি গিয়ে নিজেকে উপস্থাপন করো এবং খুব বোল্ডলি কনফিডেন্টলি গিয়ে উপস্থাপন করো। তার আগে রিসার্চ করো যে, ঠিক ওই জবের জন্য কি দরকার। আবার এখানে আবার জব মার্কেটে সে যে সে যে যাই করুক, সে পিক প্যাকার হোক, সে কোন ফ্যাক্টরিতে কাজ করুক, সে রিটেইলে কাজ করুক, আই রোজগারের খুব একটা বড় কোন তারতম্য হয় না এবং তার সাথে সামাজিক মর্যাদারও কোন তারতম্য হয় না, যেমনটা বাংলাদেশে হয়। বাংলাদেশে ব্লু কলার, হোয়াইট কলার, এটার মধ্যে অনেক বড় একটা তফাৎ হয়। এখানে সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রেও এটার কোন তারতম্য হয় না।
সুজন চক্রবর্তী: আপনি মনোভাবের কথা বলছিলেন। দারুন লাগছিল শুনতে যে, আমাদের আসলে বাংলাদেশের এবং অস্ট্রেলিয়াতে এসে নিজের মনোভাবটাকে পরিবর্তন করা কতটা জরুরি। কিন্তু এবার যদি আমি একটু শ্রোতাদের দিক থেকে প্রশ্নে যাই, সেই ক্ষেত্রে প্রথমেই এসেই আমার যেটা দরকার সেটা হচ্ছে উপার্জনের একটা সুযোগ। এই ক্ষেত্রে আসলে কোন এক্সপেরিয়েন্স যেহেতু আমার নেই, কোন কোন সেক্টরটাকে একটা নতুন আগমনকারী টার্গেট করা উচিত?
পাইচিংমং মারমা: অস্ট্রেলিয়ায় পা দেওয়ার আগেই তার একটু রিসার্চ করে আসা দরকার। সে যেখানে যাচ্ছে সেখানকার জব মার্কেটটা কেমন? সেখানে বাংলাদেশি কমিউনিটির কেউ আছে কিনা? তো এই ফ্রেন্ড নেটওয়ার্ক, এই কমিউনিটি নেটওয়ার্ক, এই পিয়ার নেটওয়ার্ক, এদের কাছ থেকে আগে জেনে আসা যে, ওখানে গেলে ঠিক কি ঠিক কি কাজ পাবো, কেমন কাজ পাবো। তারপরে সেটা কাজটা যেমনই হোক, সেটা কসাইখানার কাজ হোক, টমেটো ফার্মের কাজ হোক, দোকানদারি হোক, নাপিতের কাজ হোক, ইন্ডাস্ট্রির কাজ হোক, ক্লিনিংয়ের কাজ হোক, তার আমার মনে হয় যে সেটা ওকে আগে ওই স্কিলের বিষয়ে যদি তার কোন পরিচিত বন্ধু-বান্ধব, কমিউনিটির কেউ যদি থাকে, ভেবেচিন্তে এখানে আসলেই মনে হয় যে ভালো হবে। তারপরে এসেই আমার মনে হয় যে, এই কাজগুলো আবার ঠিক সারফেস লেভেলে পাওয়া যায় না। এই কাজগুলো আবার ঠিক ওয়েবসাইটেও খুঁজলে পাওয়া যায় না। এগুলো আবার পিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রকিউরমেন্টগুলো হয়ে থাকে। তো, এজন্য ওই জব নেটওয়ার্কে কমিউনিটির মাধ্যমে জব নেটওয়ার্কে কিভাবে ঢোকা যায়, কিভাবে কাজের খোঁজখবরগুলো পাওয়া যায়? তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আসলে কমিউনিটির কানেকশনটা অনেক জরুরি দরকার। তো আমি এটাতেই বেশি জরুরি, এটাতেই বেশি গুরুত্ব দেব।
সুজন চক্রবর্তী: অসাধারণ বর্ণনা করেছেন মিস্টার পাইচিংমং মারমা:, আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ, এসবিএস বাংলাকে সময় দেয়ার জন্য।
পাইচিংমং মারমা: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমার কথা শোনার
END OF TRANSCRIPT