নবাগতদের কর্মসংস্থান: ”শহরে চাকরি খোঁজাটা অনেকটা হচ্ছে আপনার মাছ ধরার মতো”

Pyching 1.png

নিউ সাউথ ওয়েলসের রিজিওনাল এলাকায় কাজ করেছেন পেইচিমো মারমা। তিনি বলেন, "আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি যে, এরকম কিছু রিজিওনাল টাউনে কাজ খুঁজে পাওয়াটা একটু কঠিন। তবে একেবারেই অসম্ভব, ব্যাপারটা এমন না।" Source: AAP / DANNY CASEY/Pyching Marma

অস্ট্রেলিয়ায় আগমনের পর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের বিষয়টি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এই অভিজ্ঞতা অনেক সময় কঠিন হলেও ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পথ তৈরি করে দেয়। এ নিয়ে এসবিএস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন পেইচিমো মারমা।


অস্ট্রেলিয়ায় আসার পর নিউ সাউথ ওয়েলসের রিজিওনাল এলাকায় কাজ করেছেন পেইচিমো মারমা।

এরপর মেলবোর্নে সেভেন ইলেভেনসহ বিভিন্ন সেক্টরে পার্টটাইম চাকরি করেছেন তিনি। ছিলেন এসবিএস বাংলার ক্যাজুয়াল প্রডিউসার।

বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়াতে কর্মরত আছেন।

পেইচিমো মারমার সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।

অস্ট্রেলিয়ায় সন্তান প্রতিপালন নিয়ে আমরা আপনার আশা-আকাঙ্ক্ষা, উদ্বেগ এবং অভিজ্ঞতার কথা শুনতে চাই। আমাদেরকে ইমেইল করুন bangla.program@sbs.com.au ঠিকানায় কিংবা যোগাযোগ করুন এসবিএস বাংলার ফেসবুক পেজে।

Follow SBS Bangla on FACEBOOK.

এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট

আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?

এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।

এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.

আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস

Read more about SBS’s use of AI

এসবিএস বাংলা, আজকের এই বিশেষ আয়োজনে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি, আমি সুজন চক্রবর্তী। অস্ট্রেলিয়ায় এসে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রথম বড় চ্যালেঞ্জ হলো পার্টটাইম চাকরি পাওয়া। এই অভিজ্ঞতা অনেক সময় কঠিন হলেও ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পথ তৈরি করে দেয়। আজ আমরা কথা বলবো পেইচিমো মারমার সাথে। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় আসার পর নিউ সাউথ ওয়েলসের রিজিওনাল এলাকায় কাজ করেছেন। এরপর মেলবোর্নে সেভেন ইলেভেনসহ বিভিন্ন সেক্টরে পার্টটাইম চাকরি করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়াতে কর্মরত আছেন। আজ শুনবেন দুই পর্বের সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব।

[মিউজিক] সুজন চক্রবর্তী: মিস্টার পেইচিমো মারমা, এসবিএস বাংলায় আপনাকে স্বাগত।

পেইচিমো মারমা: ধন্যবাদ, আমার সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য।

সুজন চক্রবর্তী: শ্রোতাদের জন্য প্রথমে জানাবেন যে, আপনার শুরুর দিনগুলোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? প্রথম জব ল্যান্ডিংটা কেমন ছিল?

পেইচিমো মারমা: আমার প্রথম জবটা ছিল হচ্ছে ক্লিনিং এর জব। মানে সোজা কথা হচ্ছে, কেমার্টের পরিচ্ছন্নতা কর্মী, যেটাকে ভালো বাংলায় আমরা বলতে পারি। তবে ওটা হচ্ছে আমার ঐ একটু পকেটমানির ঝোঁক, ঐ জায়গা থেকেই ওটা করা। আর অস্ট্রেলিয়ার জব মার্কেটটা কেমন? এখানে কাজ করতে কেমন লাগে, মানুষ দেখা, কাজের ধরন দেখা, এজন্যই ওখানে ঢোকা। এন্ড দেন, আমি কাজ করেছিলাম একটা ক্যাফেতে। ওখানে মাস দুয়েক কাজ করি। ওটাও খুব সিরিয়াসলি কাজ করেছিলাম তা না। তবে এই কাজগুলো করার মধ্য দিয়ে আমি অস্ট্রেলিয়ার কাজ, পরিবেশ, মানুষ ওগুলোর বিষয়ে আমি ভালো একটা ধারণা পাই আরকি।

সুজন চক্রবর্তী: আমরা এলাকা সম্পর্কে কি জানতে পারি? এটা কি রিজিওনাল এলাকা ছিল নাকি শহরে?

পেইচিমো মারমা: এটা হচ্ছে আর্মিডাল, নিউ সাউথ ওয়েলসের একটা রিজিওনাল টাউন আর্মিডাল। লেবার মার্কেট খুবই সীমিত আর এমপ্লয়ারের সংখ্যাও খুবই সীমিত। পার্টিকুলারলি আমরা যদি ধরি যে, ইন্ডাস্ট্রি ওয়াইজ যদি সেখানে রিটেইল, রিটেইল ইন্ডাস্ট্রি সেখানে খুবই কম। কম্পেয়ারিং টু সিডনি, মেলবোর্ন সে তুলনায় ওখানে বলতে গেলে কিছুই নেই। তার বাইরে বড় এমপ্লয়ার হচ্ছে কিছু কৃষি খামার। এই যেমন কস্তা গ্রুপ, অস্ট্রেলিয়ার ওয়ান অফ দ্য বিগেস্ট এগ্রিকালচার ফার্ম। তো ওদের একটা টমেটো ফার্ম ছিল। পাশাপাশি কিছু স্পোরেডিক কিছু ফার্ম ওরা টুকটাক ওরা নিয়োগ করত, সেটাও খুব বড় মাত্রায় নয়। আমাদের ইউনিভার্সিটির বেশিরভাগ স্টুডেন্টরা ঐ কস্তা গ্রুপের টমেটো ফার্মে গিয়ে কাজ করত এবং অনেক বড় সংখ্যায় ওখানে গিয়ে কাজ করত। যেমন, যখন সামারের ছুটি হয়, দেখা যায় যে ইউনিভার্সিটির প্রায় বেশিরভাগ স্টুডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অবশ্যই, ওরা ওখানে গিয়ে কাজ করত। আর অনেকে যেটা করত যে, আর্মিডাল থেকে কিছু দূরে ধরেন আধা ঘন্টা, এক ঘন্টা, দেড় দু ঘন্টা ড্রাইভ। ওরকম পরিধির মধ্যে যে এগ্রিকালচার ফার্মগুলো আছে ওখানে গিয়ে ওরা কাজ করত। কারণ যেহেতু উষ্ণ সময়ে এখানে কৃষি কাজটা বেশ জোরেসোরে হয় আরকি। তো কেউ গিয়ে হয়তো স্ট্রবেরি ফার্মে কাজ করত, কেউ র‍্যাসবেরি, মালবেরি, আলু, ভুট্টা এরকম বিভিন্ন কৃষি খামারে গিয়ে ওরা কাজ করত। তো আমাদের ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা আবার ঐ সময়টাতে দেখা যায় কি যে, একটা সেমিস্টার ব্রেক চলছে। তখন ওরা ওরকম দূর দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে এরকম কাজগুলো খুঁজে নিতো আরকি। তো সার্টেনলি, আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি যে, এরকম কিছু রিজিওনাল টাউনে কাজ খুঁজে পাওয়াটা একটু কঠিন। তবে একেবারেই অসম্ভব, ব্যাপারটা এমন না।

সুজন চক্রবর্তী: আপনি বলছিলেন আপনার রিজিওনাল অভিজ্ঞতা, এরপরে আপনি যখন শহরে চলে আসলেন, শহরের জবগুলো করা শুরু করলেন। সেই দিনগুলো একটু যদি জানা যায়, কিভাবে শুরু করেছিলেন শহরে এসে? শহরের অভিজ্ঞতাটা ডিফারেন্ট কিভাবে হলো? ওখানে চাকরি পাওয়াটা কি বেশি কঠিন ছিল, নাকি শহরে আসার পরে প্রথম চাকরিটা পাওয়া কঠিন ছিল?

পেইচিমো মারমা: শহরে চাকরি খোঁজাটা অনেকটা হচ্ছে আপনার মাছ ধরার মতো। আপনি যদি মাছ ঠিকঠাকমতো ধরতে জানেন, তাহলে এটা খুব একটা কঠিন না। আবার যদি আপনি যদি মাছ ধরার কোন কৌশল না জানা থাকে, তাহলে খালি হাতে আপনি মাছ কয়টাই বা ধরবেন? মেলবোর্নে এসে আমার প্রথম কাজ খোঁজা শুরু হয়। আমি আর আমার স্ত্রী, আমরা রাস্তায় নেমে আমরা সিভি দিতাম। আমরা যেখানে থাকতাম আমাদের একজন বুদ্ধি দিয়েছিল যে, আসলে অনলাইনে কাজ খোঁজার ওয়েবসাইট থেকে চাকরি করে, সরি চাকরির জব সার্চ করে খুব একটা ফল হবে না। তোমাকে সরাসরি যেতে হবে এমপ্লয়ারের কাছে। তো আমরা ঐ অ্যাপ্রোচ ধরে আমরা রীতিমতো নেমে পড়েছিলাম আরকি। তো আমার মনে পড়ে যে, আমি যে স্টুডেন্ট একোমোডেশন টাইপের কিন্তু ঠিক স্টুডেন্ট একোমোডেশনও নয়। অনেকগুলো স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্ট ওখানে ছিল। ঠিক তার অপজিটেই একটা হোটেল ছিল। ওখানে নিজে গিয়ে দিয়েছিলাম, কারণ আমি দেখলাম যে ওরা ভ্যাককেন্সি আছে লেখা আছে। তারপরে বললেন যে, আই উইল বি ইন টাচ উইথ ইউ। পরে অবশ্য উনি আর আমার কাছে আসেননি। কিন্তু আমার প্রথম কাজটা ছিল সেভেন ইলেভেনের কাজ। কিন্তু আসলে কাজ খোঁজার পর রাস্তাটা আসলে ঠিক ওরকমই আরকি। ওভাবেই আসলে কাজ খুঁজে পেতে হয় বা কারোর মাধ্যমে। এটাকে হয়তোবা এখানকার জব মার্কেটের পরিভাষায় এটাকে আমরা বলতে পারি যে, রেফারেন্স জব নেটওয়ার্ক, ডেফিনিটলি এটা রেফারেন্স। রেফারেন্সের মাধ্যমে কাজটা পেয়েছিলাম।

সুজন চক্রবর্তী: এরপরে আর কি কি কাজ করেছেন সেভেন ইলেভেন ছাড়াও, বর্তমান চাকরির আগ পর্যন্ত?

পেইচিমো মারমা: আমি কাজ করেছি রিটেইলে। আমি কাজ করেছি নট ফর প্রফিট সেক্টরে, যেটাকে আমরা নট ফর প্রফিটের সাথে আমরা কমিউনিটি সেক্টরও ধরতে পারি। কাজ করেছি কনসালটেন্ট, কনসালটেন্সি ইন্ডাস্ট্রিতে। কাজ করেছি মিডিয়াতে, এসবিএস বাংলায়। সেভেন ইলেভেনে কাজ করেছি আমি ছয় বছর। আমি শুরুতে আমি কাজ করেছিলাম একটা ফ্র্যাঞ্চাইজ দোকানে, ফ্র্যাঞ্চাইজ স্টোরে। তারপরে, ঐ একটা ফ্র্যাঞ্চাইজ স্টোরে কাজ করার সময়েই আমি তারপরে অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজ স্টোরে কাজ খুঁজে নিই। তারপরে, যেহেতু ফ্র্যাঞ্চাইজ স্টোরে কাজ করা, এটা অনেকটা হচ্ছে আমি চাইলেই বেশ কয়েকটা ফ্র্যাঞ্চাইজ স্টোরে কাজ করতে পারি বা চাইলে অন্য কোথাও গিয়েও কাজ করতে পারি। তো সেই সূত্রে সেই কারণে আমি বেশ কয়েকটা দোকান বা ফ্র্যাঞ্চাইজ সেভেন ইলেভেনের বেশ কয়েকটা ব্রাঞ্চে আমি কাজ করতাম। সো ফার, আমি ছটা ফ্র্যাঞ্চাইজ দোকানে কাজ করেছি আর কর্পোরেট স্টোরে কর্পোরেট নেটওয়ার্ক বলে একটা ব্যাপার আছে...... কর্পোরেট নেটওয়ার্কের মধ্যে কাজ করেছি তিনটাতে। তো, এরকমই কাজ করার এক পর্যায়ে গিয়ে ওদের একটা ফিল্ড ম্যানেজারের সাথে আমার দেখা হয়। আমার কাজ টাজ কথাবার্তা দেখে বললেন যে, তুমি সেভেন ইলেভেনের কর্পোরেট নেটওয়ার্কে লোক নিচ্ছে, তুমি একটু ওই ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখো। তারপরে উনার কথা শুনে আমি কর্পোরেট নেটওয়ার্কের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে আমি অ্যাপ্লাই করি এবং উনি আমাকে ওখান থেকে আমাকে প্রকিউর করে নেন। শুরুতে যেটা বলেছিলাম যে, মাছ ধরতে জানলে এখানে মাছ খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন ধরুন, আপনি যদি এখানকার লোকাল এক্সপেরিয়েন্স যদি আপনার না থাকে, তাহলে আবার এখানকার এমপ্লয়াররা এটাকে ঠিক পছন্দ করেন না। ডাজেন্ট ম্যাটার, আপনি বাংলাদেশে আপনি ধরেন কি, আপনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কর্পোরেট সংস্থার বড় পদে আপনি কাজ করেছেন। কিন্তু এ দেশে নিশ্চয়ই ওরা গ্রামীণফোন কি জানে না? কিংবা এ দেশে নিশ্চয়ই যদি বলি যে গার্মেন্টস সেক্টরের কথা, যদি বলি যে লিয়ান ফাং, লিয়ান ফাং বলে একটা বাইং হাউস আছে অস্ট্রেলিয়া, সরি বাংলাদেশে। আমি বাংলাদেশে থাকতে আমি গার্মেন্টস সেক্টরে কয়েক বছর কাজ করেছিলাম। যদি বলি যে, এখানকার কেউ একজন লিয়ান ফাং এ কাজ করেছে, সে এখানে এসে কে মাটে গিয়ে ধরুন ফ্যাশন ডিপার্টমেন্টে কাজ করতে চায়। সে যদি গিয়ে বলে যে, আমি লিয়ান ফাং এ কাজ করেছি, তো সে কিন্তু ওটাকে চিনবে না। সে বলবে যে, ও আচ্ছা! তো আপনি এখানে গার্মেন্টস এখানে আপনি ফ্যাশন বা রিটেইল ইন্ডাস্ট্রি, এখানে আপনি কি করেছেন? ওটা যদি সে যদি ফুলফিল করতে না পারে, তাহলে এখানকার এমপ্লয়াররা ঠিক ওনাকে চুজ নাও করতে পারে। তো, হয় আপনার লোকাল এক্সপেরিয়েন্সটা না লাগবে আর অথবা এমপ্লয়মেন্ট সেক্টরের ভাষায় যেটাকে বলে যে, পিয়ার নেটওয়ার্ক, এমপ্লয়মেন্ট নেটওয়ার্ক, জব নেটওয়ার্ক, ওটা ওটা লাগতে পারে আরকি। তো, তার জন্য অনেকে আবার অনেক লেভেলে অনেকভাবে নেটওয়ার্কিংটা করে। হয়তো দেখবেন যে, আপনি মিড লেভেলের মার্কেটিং, মিড লেভেলের কর্পোরেট সেক্টরে যারা কাজ করে ওরা হয়তোবা অফিস আওয়ারের পরে কোথাও গিয়ে বসে, কোন পাব এ গিয়ে বসে। হয়তো ওটাই হচ্ছে ওদের নেটওয়ার্কিং এর জায়গা। সেখান থেকে ওদের চেনা পরিচিত, জানাবোঝা ওগুলো হয়ে যায়। ব্যাপারটা এরকম আরকি!

END OF TRANSCRIPT

Share

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Watch now