ছ'বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়া পাড়ি জমানোর পর এখনও বাংলাটা ভালোই আয়ত্তে আছে নওরিন চৌধুরীর। ভাষার পাশাপাশি পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চাও করেন সংসারে। পরিবার, চাকরি এবং ভালোলাগার মধ্যে সমন্বয় করছেন দক্ষ হাতে।
"কখনো কখনো না বলি। কারণ সবসময় সবকিছু সম্ভব হয়ে উঠে না। ক্যারিয়ার এবং পরিবার দুটোই পাশাপাশি চালাতে হয়। একটাকে বাদ দিয়ে আরেকটা করলে অসামঞ্জস্যতা তৈরি হয়," বলেছেন মেলবোর্ন প্রবাসী বাংলাদেশী নওরিন চৌধুরী।
স্বামীসহ দু'সন্তানের পরিবার, পূর্ণকালীন চাকরির পাশাপাশি নওরিন সময় দিচ্ছেন মডেলিং এবং ফ্যাশন শোতে।
এ মাসের শুরুতেই পেয়েছেন সুখবর। আগামী বছর 'মিসেস ইউনিভার্সাল' সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে লড়বেন নওরিন। যা কিনা অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকোতে।
"এটা আমার জন্য অনেক গর্বের ব্যাপার যে আমি 'মিসেস বাংলাদেশ ইউনিভার্সাল' হয়ে প্রতিনিধিত্ব করব। অবশ্য তার আগে আমি বেশ ক'বার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছি।"

বিবাহিত নারীদের জন্য বেশ ক'বছর ধরে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে মিসেস ইউনিভার্সাল। যেখানে সৌন্দর্য্যের পাশাপাশি যোগ্যতাও বিচার করা হয়।
"প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি। তবে আমি খুবই আনন্দিত," বলেছেন নওরিন।

FOLLOW US ON FACEBOOK
মডেলিং, ফ্যাশন শো ছাড়াও বেশ ক'টি সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন নওরিন। এ বছরের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত 'মিসেস অস্ট্রেলিয়া গ্লোভ' প্রতিযোগিতায় ১৬জন ফাইনালিস্টের একজন ছিলেন তিনি। সবকিছুতেই পেয়েছেন পরিবারের পূর্ণ সমর্থন।
"প্রতিদিন নাইন টু ফাইভ জব করার পর, বাসায় এসে রান্না করি। বাচ্চাদের ঘন্টাখানেক সময় দেয়ার পর পুরো এক ঘন্টা নিয়ম করে ব্যায়াম করি।"
"ইচ্ছা পূরণের জন্য বিয়ে কোন প্রতিবন্ধকতা নয়। প্রয়োজন পারিবারিক সমর্থন, লক্ষ্য নির্ধারণ এবং তা বাস্তবায়নে একাগ্রতা," বলেছেন নওরিন চৌধুরী।





