সাবক্লাস ফোরএইটনাইন ভিসায় সাউথ অস্ট্রেলিয়া আসেন নিলুফার- জুয়েল দম্পতি। ভিসার শর্ত অনুযায়ী, ২ বছর এ রাজ্যে বসবাস করার পাশাপাশি এক বছরের পূর্ণকালীন চাকরির অভিজ্ঞতা অর্জন করলেই পাবেন স্থায়ী অভিবাসী হওয়ার সুযোগ। পূর্ণকালীন চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে চিন্তিত ছিলেন বলে জানান নিলুফা।
"প্রথমে এসে খুব হতাশ লাগছিল যে, কোথায়- কিভাবে ফুলটাইম জব পাব! খন্ডকালীন চাকরি পাওয়ার পরও মাথায় চিন্তা থেকে যেত যে এক বছরের ফুলটাইম জবের পে- স্লিপ কিভাবে হবে?" বলেছেন নিলুফা ইয়াসমিন।

নিলুফা- জুয়েলের মত একই ভিসায় এ্যাডিলেইড আসেন সোহানা- শফিক দম্পতি। খন্ডকালীন চাকরির সুযোগ পেলেও পাচ্ছিলেন না পূর্ণকালীন চাকরি, এমনটাই জানালেন সোহানা।
"আমার ভিসা হচ্ছে স্কিলড রিজিওনাল স্পন্সর ফোরএইটনাইন। ভিসার শর্ত অনুযায়ী আমাকে দুই বছর সাউথ অস্ট্রেলিয়াতে থাকতে হবে এবং এক বছরের ফুল টাইম জবের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে," বলেছেন সোহানা আলম।

নিলুফার- সোহানাসহ এমন আরো নবাগত অভিবাসীদের চাকরির সমস্যা সমাধানে, উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশী কম্যুনিটির সংগঠন- সাবকা। চাকরিদাতা সংস্থা ‘রিজিওনাল ওয়ার্কফোর্স ম্যানেজমেন্টের’ সাথে যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করে কর্মসংস্থান অনুষ্ঠান। যেখানে ১৫ জন অস্থায়ী অভিবাসীকে পূর্ণকালীন চাকরি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, সাবকা-র চেয়ারপার্সন মাহবুব সিরাজ তুহিন।
"প্রাথমিকভাবে আমরা ২৫ জনকে নির্বাচিত করেছিলাম, তার মধ্যে ১৫ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে," বলেছেন মাহবুব সিরাজ।

বেতনের পাশাপাশি এ চাকরিতে বাড়তি আরো অনেক সুবিধা আছে বলেও জানিয়েছেন মাহবুব সিরাজ।
সংগঠনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নিলুফা, সোহানাসহ সকলেই।
"যারা নতুন আসছে তাদের জন্য এ উদ্যোগ অনেক উপকারী। এর ফলে পূর্ণকালীন চাকরি খোঁজার দু:শ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে পারেন অভিবাসীরা," বলেছেন সোহানা আলম।
অস্থায়ী অভিবাসীদের সুবিধার্থে আরো বেশ কিছু পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন, সাবকার চেয়ারপার্সন মাহবুব সিরাজ তুহিন।







