বৈরী আবহাওয়া ও দুর্যোগের ঝুঁকি আসতেই থাকবে বলে সতর্ক করলো ক্লাইমেট কাউন্সিল

Gray city urban skyline, rain clouds fog at night, aerial view

Storm over Sydney. Source: Getty / Andrew Merry/Getty Images

বন্যার কারণে ২০২২ সালকে ‘দ্য গ্রেট ডিলুজ’ এর বছর হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। নভেম্বরের শেষের দিকে ক্লাইমেট কাউন্সিলের প্রকাশিত সর্বশেষ রিপোর্টটিতে অন্তত এ রকমই বলা হয়েছে। এতে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, জলবায়ুর কারণে বৈরী আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা আরও বেশি বেশি ঘটতে দেখা যাবে। কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং পুনঃব্যবহারযোগ্য শক্তি ও জ্বালানি প্রকল্পগুলোর প্রতি নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।


গত ২৮ নভেম্বর, ২০২২ ক্লাইমেট কাউন্সিলের একটি রিপোর্টে বৈরী আবহাওয়ার ফলে আর্থি ক্ষয়-ক্ষতির বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।

কাউন্সিলরদের একজন, প্রফেসর লেসলি হিউজ বন্যার জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারকে দায়ী করেন।

রিপোর্টটিতে দেখানো হয়েছে যে, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার যে আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে, তার ২৯ শতাংশের জন্য দায়ী বন্যা। আর, এই তালিকায় এর পরে রয়েছে ট্রপিকাল সাইক্লোন এবং খরা

১৯৭০ এর দশক থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দেখা যায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া স্টেটগুলোর মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে কুইন্সল্যান্ড। এই সময়ে এই রাজ্যটির ক্ষতির পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলার।

শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারি এবং মার্চেই যে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত এবং বন্যা হয়েছে, তাতে এই রাজ্যটির ক্ষতি হয়েছে ৭.৭ বিলিয়ন ডলার।

নিউ সাউথ ওয়েলসের সাবেক ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ কমিশনার গ্রেগ মালিনস বলেন, ২০৩০ সাল নাগাদ কার্বন নিঃসরণ ৭৫ শতাংশ হ্রাস করা দরকার।

নিউ সাউথ ওয়েলস ফার্মার্স-এর একজন সদস্য মারে রিভার এলাকায় বাস করেন। সেখানকার ফার্মারদের কঠোর বাস্তব অবস্থার চিত্র উঠে এসেছে তার রেকর্ড করা কিছু ভিডিও ফুটেজে।

এতে দেখা যায়, বন্যায় পানিবন্দি হয়ে আছে সারি সারি ভেড়ার পাল।

কেউ কেউ হয়তো এদেশে তাদের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন। আর কেউ কেউ মনে করছেন, পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সামর্থ্যের বিষয়টি কৃষি খাতের জন্য ভিত্তি-স্বরূপ।

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস থেকে জানা যায়, ইস্ট কোস্ট বা অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল জুড়ে ক্রমাগতভাবে বৃষ্টিপাত হবে, গড় বৃষ্টিপাতের চেয়েও বেশি পরিমাণে। ফলে ক্লাইমেট কস্ট বা জলবায়ুর কারণে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে।

প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।

এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন রেডিওতে, এসবিএস বাংলা রেডিও অ্যাপ-এ এবং আমাদের ওয়েবসাইটে, প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত। রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: এসবিএস বাংলা

আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে


Share

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Watch now