মোনাশ ইউনিভার্সিটি এবং অক্সফাম বাংলাদেশের মৎস্যজীবী, গৃহকর্মী এবং নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা প্রচেষ্টা শুরু করেছে, যার লক্ষ্য তাদের নির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জগুলি বোঝা এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর জন্য উপযুক্ত সমাধান তৈরি করা। এখানে প্রকাশিত হলো সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় অংশ।
মোনাশ ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অফ হিউম্যান সেন্টার্ড কম্পিউটিং-এর রিসার্চ ফেলো ডঃ খালিদ হোসেন এবং অক্সফাম বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আশীষ দামলে এসবিএস বাংলার সাথে কথা বলেছেন তাদের প্রকল্প সম্পর্কে।
বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাথে কাজ করার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ড. খালিদ হোসেন বলেন, আমরা যখন ডিজিটাল সলুশন নিয়ে সরাসরি কাজ করতে শুরু করি, তখন তাদের কাছ থেকে এমন মতামত পেয়েছি যে তখন মনে হয়েছে এটা শুধু ডিজিটাল সলুশন হোক এটা আমরা চাই না, কারণ ওই ধরণের ডিজিটাল প্লেসে যাওয়া আমরা মনে করি না আমরা প্রস্তুত। কারণ আমরা জানি যে অনেক সাইবার সিকিউরিটি ইস্যু আছে, এবং অনেকে এটাতে নিজেদের নিরাপদ মনে করে না, বিশেষ করে অনেক নারী উদ্যোক্তারা।
"তাই পুরোপুরি ডিজিটাল সলুশনের পরিবর্তে এই সলুশনের অংশ হিসেবে একটা হাইব্রিড মোডে যেতে চাই," বলেন তিনি।
বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাথে কাজের প্রসঙ্গে মি. আশীষ ড্যামলে বলেন, "আমরা যাদের সাথে কাজ করছি তাদের শতকরা হার পুরো বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার হয়তো ক্ষুদ্র অংশ, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আমরা যদি তাদের সাথে এই ডিজিটাল ইন্ট্রিগেশন নিয়ে কাজ না করি তাহলে কেউ করবে না, কেউ হয়তো এ বিষয়ে চিন্তা করার কারণও খুঁজে পাবে না।"
তিনি বলেন, এই জনগোষ্ঠীকে (উন্নয়নের) মূলধারায় আনতে না পারলে আমরা বলতে পারবো না যে বাংলাদেশ উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে।
সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় অংশ শুনতে উপরের লিংকে ক্লিক করুন।
এখানে দেখুন সাক্ষাৎকারের প্রথম অংশ।
এসবিএস রেডিও সম্প্রচার-সূচী হালনাগাদ করেছে, এখন থেকে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার, বিকাল ৩টায়, এসবিএস পপদেশীতে আমাদের অনুষ্ঠান শুনুন, লাইভ।
কিংবা, পুরনো সময়সূচীতেও আপনি আমাদের অনুষ্ঠান শোনা চালিয়ে যেতে পারেন। প্রতি সোম ও শনিবার, সন্ধ্যা ৬টায়, এসবিএস-২ এ।
রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: এসবিএস বাংলা।
এ সম্পর্কে আরও জানতে ভিজিট করুন: sbs.com.au/audio
আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে।




