অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বের সেরা কিছু সৈকত ও সাঁতারের জায়গা রয়েছে।
কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারির পর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ডুবে মৃত্যুর প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী।
অস্ট্রেলিয়ান ওয়াটার সেফটি কাউন্সিলের কনভেনার এবং রয়্যাল লাইফ সেভিং অস্ট্রেলিয়ার সিইও ড. জাস্টিন স্কার বলেন, অস্ট্রেলিয়ানদের সাঁতারের দক্ষতা কমে যাচ্ছে।
এই বাড়তে থাকা মৃত্যুহারের প্রেক্ষিতে, অস্ট্রেলিয়ান ওয়াটার সেফটি কাউন্সিল তাদের নতুন অস্ট্রেলিয়ান ওয়াটার সেফটি স্ট্র্যাটেজি ২০৩০ প্রকাশ করেছে।
এই কৌশলের মাধ্যমে তারা দশকের শেষ নাগাদ পানিতে ডুবে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমাতে জাতীয় পর্যায়ের উদ্যোগ আরও জোরদার করতে চায়।
ডুবে মৃত্যুর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার একটি বড় কারণ হলো পানিতে নিরাপত্তা–সংক্রান্ত দক্ষতার অবনতি, বিশেষ করে এমন লোকদের মধ্যে যারা ওয়াটার সেফটি সম্পর্কে তেমন সচেতন নয় এমন দেশ থেকে এসে বসবাস করছেন।
সিডনিতে, ইভ হুইলার বন্ডাই সার্ফ বাথার্স লাইফ সেভিং-এর একজন সক্রিয় টহল সদস্য।
ছোট শিশুরাও ঝুঁকিতে থাকায়, হুইলার বলেন, পানির আশপাশে থাকলে শিশুদের ব্যাপারে বাবা-মা ও অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
এই কৌশলে বর্তমান প্রবণতা উল্টে দিতে তিনটি প্রধান অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে: সবার জন্য সাঁতার ও ওয়াটার সেফটি দক্ষতা বৃদ্ধি, স্থানভিত্তিক ওয়াটার সেফটি উদ্যোগ জোরদার করা, এবং বিভিন্ন খাত ও প্রশাসনিক স্তরের মধ্যে সমন্বয় শক্তিশালী করা।
কৌশলটিতে ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী হিসেবে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ পুরুষদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে।
ডুবে মৃত্যুর পরিসংখ্যানে এই গোষ্ঠীর উপস্থিতি বেশি হলেও, তাদের ঝুঁকি সব সময় সাঁতার না জানার কারণে নয়; বরং তারা পানির আশপাশে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে জড়ায়।
ড. স্কার বলেন, তরুণ পুরুষদের কাছে প্রচলিত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বার্তার মাধ্যমে পৌঁছানো প্রায়ই কঠিন হয়।
২০২৫ সালে রয়্যাল লাইফ সেভিং অস্ট্রেলিয়া জানায়, শিক্ষকদের ধারণা অনুযায়ী ষষ্ঠ শ্রেণির ৪৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ৫০ মিটার সাঁতার কাটতে এবং দুই মিনিট পানিতে ভেসে থাকতে পারে না।
ড. স্টিভ জর্জাকিস সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া অধ্যয়ন বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ প্রভাষক।
তিনি বলেন, স্কুলে বাধ্যতামূলক সাঁতারের ক্লাস শুধু ওয়াটার সেফটি বাড়ায় না, এর আরও অনেক ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।
ড. জর্জাকিস বলেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রতিটি শিশুরই সাঁতার জানা উচিত।
ফিচারটি শুনতে ক্লিক করুন উপরের অডিও প্লেয়ারে।
এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট।আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?
এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে।
এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন।
ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস।









