১৯৭০ এর দশকে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন কামরুল হোসেইন চৌধুরী। ২০১৯ সালে অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বিশিষ্ট এই ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক। এসবিএস এর ৫০ বর্ষ পূর্তি নিয়ে এসবিএস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কামরুল হোসেইন চৌধুরী।
স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ১৯৭৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন কামরুল হোসেইন চৌধুরী। ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে এসবিএস সম্পর্কে প্রথম জানতে পারেন, বলেন তিনি।
“আমরা এসবিএস-এ একটু বাংলা শোনার জন্য আমরা খুবই আগ্রহী থাকতাম আর্লি এইটিজ-এ।”
“এটা খুবই দরকার ছিল প্রবাসে আমাদের জন্য। আমাদের কিছুটা মনোরঞ্জনও করতো।”
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাভাষী সমাজের নানা দিক উঠে এসেছে কামরুল হোসেইন চৌধুরীর সঙ্গে এই আলাপচারিতায়।
সেই যুগে ইন্টারনেট ছিল না, মোবাইল ফোনও ছিল না। বাংলাদেশের খবরা-খবর তারা পেতেন এসবিএস নিউজের মাধ্যমে। এছাড়া, বাংলাদেশ হাইকমিশনে যেসব পত্র-পত্রিকা আসতো, সেগুলো থেকেও তারা নানা খবর পেতেন, বলেন কামরুল হোসেইন চৌধুরী।
কামরুল হোসেইন চৌধুরীর সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট।
আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?
এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।
এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.
আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস।




