১২ বছরের কিশোরী নাইরৌং গত কয়েক বছর ধরে ক্যানবেরা কমিউনিটিতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন। যেসব কর্মসূচিতে সে অংশগ্রহণ করেছে তার মধ্যে আছে সমাজকর্ম, ২০১৯ সালে বুশফায়ারের অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর জন্য তহবিল উত্তোলন, সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের উন্নয়নসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক ও মানবিক সাহায্য।
তার এই বিস্তৃত কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ গত ১লা এপ্রিল নাইরৌং এর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন ক্যানবেরার শিক্ষা ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী ইভেট ব্যারী।
১৪ জন পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে নাইরৌং ত্রিপুরা সর্বকনিষ্ঠ।

কি অনুপ্রেরনা থেকে সে মানুষের জন্য কাজ করে, জানতে চাওয়া হলে সে এসবিএস বাংলাকে জানায় যে, অস্ট্রেলিয়ায় আসার আগে থেকে সে সুবিধাবঞ্চিত পরিবার ও আপনজনদের সমস্যাসঙ্কুল অবস্থা দেখে এসেছে।
নাইরৌং বলে,“অস্ট্রেলিয়ায় আসার পর সবকিছুই নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে; এখন আমি যে সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছি, আমি তা আমার চারপাশের সব মানুষের কাজ লাগাতে চাই।"

সে তার ভবিষ্যতের লক্ষ্য সম্পর্কে বলে, "আমার অনেক বড় একটা স্বপ্ন আছে, আর আমি তা বাস্তবায়িত করতে চাই। আমি কমিউনিটিকে সেবা করার মধ্য দিয়ে পৃথিবীকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করে যেতে চাই।”
নাইরৌং একজন চ্যাম্পিয়ন সাঁতারুও বটে। সে স্কুল স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে ক্যানবেরার প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।
নাইরৌং ত্রিপুরা এবং তার পিতা অভিলাষ ত্রিপুরার পুরো সাক্ষাৎকারটি শুনতে ওপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।
এসবিএস বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান শুনুন প্রতি সোমবার এবং শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় এবং আরও খবরের জন্য আমাদের ফেইসবুক পেইজটি ভিজিট করুন।
আরো দেখুনঃ








