ইহরামের উপন্যাসের নাম ‘বিফোর আই ডাই’। এই উপন্যাস শুধু লিখেই থেমে থাকেনি সে, নিজে উদ্যোগ নিয়ে একটি বহুল প্রচলিত প্রিন্ট-অন-ডিমান্ড সার্ভিস ব্যবহার করে এটি বই হিসেবে ‘সেলফ-পাব্লিশ’ও করে ফেলেছে ইহরাম।
এসবিএস বাংলার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ইহরাম জানিয়েছে, তার বয়সী তরুণরা যারা একাকীত্ব ও কঠিন সময়ের ভেতর দিয়ে যায়, তাদের কথা মাথায় রেখেই ইহরামের লেখালেখি। যেন তারা জানতে পারে এই পথ চলায় তারা একা নয়।
নিজের লেখার মাধ্যমে এভাবেই সে তার পাঠকদের কাছে পৌঁছাতে চায়।
এখন ইয়ার ইলেভেনে পড়ছে সে, আগামী বছর হাই-স্কুল সমাপনী পরীক্ষায় বসবে ইহরাম।
স্কুলের বিভিন্ন পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের জন্যে নিয়মিতই অনেক পুরস্কার পেয়েছে সে। তবে সদ্য জেতা আরেকটি পুরস্কার তার কাছে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

উইন্ডহ্যাম সিটি কাউন্সিল লাইব্রেরী প্রতি বছর আয়োজন করে ‘ইমাজিনেশান ক্রিয়েশান রাইটিং কম্পিটিশান’। ভিক্টোরিয়া স্টেটের অনুর্ধ ১৮ বছর বয়সীরা এই প্রতিযযোগিতায় লেখা জমা দিতে পারে।
তাতে এ বছর অংশ নিয়ে ইহরামের লেখা কবিতা ‘দি ডে অব অরেঞ্জ’ জিতে নিয়েছে বিশেষ ‘মার্গারেট ক্যাম্পবেল অ্যাওয়ার্ড’।

সব ধরণের বই পড়তে ভালবাসে ইহরাম। তবে বেশি পছন্দ থ্রিলার জনরার বই। ড্যান ব্রাউন তার পছন্দের লেখকদের মধ্যে অন্যতম।
স্কুলের পড়াশোনার চাপ থাকলেও তার শিক্ষকেরা এবং সেই সাথে বাবা-মা তাকে নিয়মিত সাহিত্যচর্চায় উৎসাহ দিয়ে থাকেন।
নবীন লেখকদের উদ্দেশ্যে ইহরামের বক্তব্য হচ্ছে, নিজের মনে যা আসে সেটাই লেখা উচিৎ। এই লেখা কে পড়বে বা পড়ে কী ভাববে সেটা নিয়ে চিন্তিত হলে লেখার স্বাধীনতা খর্ব হয়। তাই এসব কিছু না ভেবে স্বাধীনভাবে সব লেখাটাই জরুরী।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ার বাটনে ক্লিক করুন।
এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন রেডিওতে, এসবিএস বাংলা রেডিও অ্যাপ-এ এবং আমাদের ওয়েবসাইটে, প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত। রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: এসবিএস বাংলা
আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে।







