ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় থাকা বাড়িঘরে গত মঙ্গলবারের মধ্যে ৮০ শতাংশ গ্রাহককে পুনরায় বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় নিয়ে এসেছেন বিতরণ কম্পানির কর্মীরা।
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট, উপকূলের এই তিন জেলায় ৬১ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু এলাকায় পুরোপুরি এবং কিছু এলাকায় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাঁধ।
সাতটি স্থানে নদীর বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। খুলনার দাকোপ উপজেলার দুই স্থানে বাঁধ ভেঙেছে। বাঁধসংলগ্ন নিচু এলাকা উপচে লোকালয়ে নোনা পানি প্রবেশ করেছে।
শত শত গ্রামে চিংড়ির ঘেরসহ ফসলি জমিতে নোনা পানি প্রবেশ করেছে। অসংখ্য ঘেরের চিংড়ি ও পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।
এবারও প্রকৃতির ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে সুন্দরবন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল ঝাপটা সামলে উপকূলের বিপুলসংখ্যক মানুষ ও জনপদকে রক্ষা করেছে এই ম্যানগ্রোভ বন। তবে ঝড়ের তান্ডবে সুন্দরবনের পুরো প্রাণ-প্রকৃতির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
পশ্চিম সুন্দরবনের বেশির ভাগ এলাকা এখন পানির নিচে। বন্য প্রাণীর বিচরণের সব জায়গা প্লাবিত হয়েছে।
বিচরণের শুকনা জায়গা না পেয়ে লোকালয়ে চলে আসছে হরিণ ও বন্য প্রাণী। তলিয়ে গেছে সব জেটি স্টেশন। ফলে বন এলাকায় যোগাযোগ একরকম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
তবে পুকুরে লোনা পানি প্রবেশের কারণে সামনের দিনগুলোতে বন্য প্রাণীর খাওয়ার পানির তীব্র সংকটের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ঘূর্ণিঝড় রিমাল ও সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে এসবিএস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন খুলনা অঞ্চলের সিনিয়র সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য বিধান চন্দ্র দাস।
সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী ও অধ্যাপক বিধান চন্দ্র দাসের পর্যালোচনা শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।
পাওয়া যাচ্ছে। হ্যাঁ, আমরা আমাদের প্লাটফর্ম বিস্তৃত করছি। এসবিএস সাউথ এশিয়ান, অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য।
এসবিএস বাংলা টিউন করুন এসবিএস অন ডিমান্ডে সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায়। দক্ষিণ এশীয় অন্যান্য ভাষায় সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো সরাসরি শুনতেও অন ডিমান্ডে টিউন করুন।
এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুনএসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla
চ্যানেল।
উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস।










