গুরুত্বপূর্ণও দিকগুলো
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কয়েক মাস ধরে এটি উন্নত দেশগুলির বুস্টার শটের অর্ডার নিয়ে অভিযোগ করছে
- ধনী দেশগুলোর যতটা ব্যবহার করা প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি টিকা তাদের আছে
- নিম্ন আয়ের দেশগুলির জন্য লক্ষমাত্রার ২ বিলিয়ন ডোজের বিপরীতে COVAX এর অধীনে ২৩০ মিলিয়ন কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অভিযোগ করছে যে, ধনী দেশগুলি ভ্যাকসিন সরবরাহ মজুদ করে মহামারীর সময়কাল দীর্ঘায়িত করছে।
কয়েক মাস ধরে এটি উন্নত দেশগুলির বুস্টার শটের অর্ডার নিয়ে অভিযোগ করছে এবং এর পরিবর্তে তাদের অতিরিক্ত ভ্যাকসিন দরিদ্র দেশগুলিতে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করছে, বিশেষ করে যেসব দেশ টিকা দেওয়ার হার কম এবং ভ্যাকসিন পেতে সংগ্রাম করছে।
আন্তর্জাতিক কোভেক্স (COVAX) সুবিধার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে ভ্যাকসিন পাঠানো হচ্ছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (GAVI) নামে পরিচিত।
কিন্তু ডব্লিউএইচও-এর ডাক্তার মাইক রায়ান বলেছেন, ধনী দেশগুলোর যতটা ব্যবহার করা প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি টিকা তাদের আছে।
তিনি বলেন, "উন্নত বিশ্ব এবং শিল্পোন্নত বিশ্বই শুধু এই টিকা পাবে, এটা ঠিক নয়। বলে মনে হয় না। টিকার ভাগাভাগির ক্ষেত্রে ন্যায্যতার কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না।"
GAVI থেকে পাওয়া তথ্য দেখায় যে এই বছরের শেষের দিকে নিম্ন আয়ের দেশগুলির জন্য লক্ষমাত্রার ২ বিলিয়ন ডোজের বিপরীতে COVAX এর অধীনে ২৩০ মিলিয়ন কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে।
কোভিড -১৯ এর জন্য W-H-O টেকনিক্যাল লিড, মারিয়া ভ্যান কেরখোভ বলেছেন, নিজেদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ধনী দেশগুলো মহামারী দীর্ঘায়িত করছে।
তিনি বলেন, "আমরা পিপিইসহ মহামারীর শুরুতে তাদের উপকরণ মজুদ করার প্রবণতা দেখেছি। এটি কেবল অন্যায় বা অনৈতিকই নয়, এটি মহামারীটিকে দীর্ঘায়িত করছে এবং এর ফলে মানুষ মারা যাচ্ছে। এবং আমি মনে করি আমাদের এ ব্যাপারে চাঁছাছোলা হওয়া দরকার; আমি মনে করি আমাদের খুব পরিষ্কার হওয়া দরকার, এটি মহামারীটিকে দীর্ঘায়িত করছে। আমাদের কাছে সরঞ্জাম আছে, বিশ্বজুড়ে আমাদের পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন আছে, যদি আমাদের ভ্যাকসিন ব্যবহারে সমতা থাকত, তবে আজকে বিশ্বব্যাপী কোভিড পরিস্থিতি ভিন্ন হতো।"
শিক্ষার্থীরা এই সপ্তাহে স্পেনে ক্লাসরুমে ফিরে যাচ্ছে কারণ প্রতিদিনের কেস সংখ্যা কমেছে, যদিও মৃত্যুর হার এখনও প্রতিদিন একশ'রও বেশি।
মায়েস্ত্রো প্যাডিলা স্কুলের অধ্যক্ষ ভার্জিনিয়া মেনেনডেজ বলেন, বেশিরভাগ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে এবং উপযুক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।
তিনি বলেন, "আমাদের স্কুল জুড়ে খোলা দরজা এবং জানালা আছে, এর ফলে যে অ্যারোসলগুলি ব্যবহার হয় তা কমানো যায়। সমস্ত কক্ষে আমাদের অক্সিজেন লোড পরিমাপ করার জন্য CO2 ডিভাইস থাকবে।"
১২ বছরের ওপরে দশজনের মধ্যে প্রায় চারজনকে সম্পূর্ণ টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে এবং কিশোর -কিশোরীদের টিকা দিতে উদ্বুদ্ধ করতে সরকার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার শুরু করেছে।
৩৮ বছর বয়সী সারা সানজ বলেন যে শিশুদের ক্লাসরুমে শেখা ভাল যেমন তার ছেলে করছে।
তিনি বলেন, "শিশুদের সাথে মুখোমুখি যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এতে তাদের সহপাঠী এবং শিক্ষকদের সাথে তাদের সরাসরি যোগাযোগ হয়, যা বাড়িতে থাকা এবং কম্পিউটারের মাধ্যমে শেখার চেয়ে আরও ভাল।"
নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শহর, অকল্যান্ড, কমপক্ষে আগামী মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কঠোর লকডাউনে থাকবে, তবে দেশের অন্যান্য অংশে বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন বলেছেন, দেশটি প্রাদুর্ভাব দূর করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাই এখনই বিধি শিথিল করার অবকাশ নেই।
READ MORE

নতুন এসবিএস রেডিও অ্যাপ ডাউনলোড করুন
অকল্যান্ড হাসপাতালের ২৯ জন কর্মীকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে যখন একজন ব্যক্তি যিনি কোভিড -১৯ এ পজেটিভ হয়েছিলেন। তিনি পরীক্ষার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা পর্যন্ত অন্যান্য রোগীদের সাথে ছিলেন।
পেটে ব্যথার অভিযোগের পর লোকটিকে শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর অকল্যান্ডের মিডলমোর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
কর্মীরা জানতেন না যে তিনি পরের দিন পর্যন্ত একটি এক্সপোজার সাইট পরিদর্শন করেছিলেন।
২৯ জন কর্মীর মধ্যে ১৩ জনই নার্স যারা আইসোলেশনে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন।
নিউজিল্যান্ড নার্সেস অর্গানাইজেশন থেকে কেরু নুকু বলেন, কোভিডের ভীতি মহামারী চলাকালীন সময়ে নার্সদের চাপের মধ্যে ফেলেছে।
তিনি বলেন, "এটি শুধু কর্মীদের ওপর চাপ নয়, এই পরিবেশে কর্মরত সমস্ত নার্সদের মানসিক চাপের ওপর বিশাল প্রভাব।"
বিশ্বব্যাপী, গত ২৮ দিনে, কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত হয়ে ২৭৩,০০০-এরও বেশি মানুষ মারা গেছে এবং সনাক্ত হয়েছে ১৭ মিলিয়নেরও বেশি।
আপনার ভাষায় কোভিড -১৯ মহামারীর স্বাস্থ্য এবং সহায়তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আরো জানতে ভিজিট করুন sbs.com.au/coronavirus.
পুরো প্রতিবেদনটি বাংলায় শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
আরও দেখুন:









